বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানি সংকট সমাধানে সরকার ব্যর্থ’ ‘জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে সরকার’  ‘দুর্নীতিবাজ-চাঁদাবাজদের ঠেকাতে ইসিকে কার্যকর কৌশল নিতে হবে’ দাখিল ২০২৭ সালের নির্বাচনী পরীক্ষা ও ফরম পূরণে বোর্ডের নির্দেশনা ছাত্র জমিয়তের কেন্দ্রীয় দায়িত্বশীলদের জরুরি সভা অনুষ্ঠিত ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের দুই সার্ভিস সেতু চালু নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে পড়ল যাত্রীবাহী বাস, আহত ১৫ অসুস্থ জ্বালানিমন্ত্রী টুকুকে দেখতে হাসপাতালে রাষ্ট্রপতি চিকিৎসা শেষে আজ দেশে ফিরছেন মির্জা আব্বাস ‘ক্যানসারের কঠিন সময়ে সুরা আর-রহমানই জুগিয়েছে মানসিক শক্তি’

‘মুরগি বা পাঁঠা নয়, বেশি করে গোমাংস খান, বিজেপি মন্ত্রীর মন্তব্যে তোলপাড়

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মেঘালয়ের বিজেপি মন্ত্রী সানবোর সুল্লাই বলেছেন, মুরগির মাংস, মটন কিংবা মাছের বদলে গরুর মাংস বেশি করে খান।

গো-মাংস ভক্ষণের বিরোধী বিজেপি মন্ত্রী সানবোর সুল্লাই নিজের রাজ্যের বাসিন্দাদের এই কথা বলে বুঝিয়েছেন তাঁর দল গরুর মাংস খাওয়ার বিরোধী নয়, সেকথাই যেন প্রমাণ করতে চাইলেন তিনি।

এদিকে তার দেশের একাধিক বিজেপিশাসিত রাজ্য এই গরুর মাংস খাওয়ার বিরুদ্ধে। তারা গরুর মাংস খাওয়া বন্ধ করতে এ সংক্রান্ত আইনও আনা হয়েছে। কোথাও আবার গো-মন্ত্রকও গঠিত হয়েছে।

সম্প্রতি বিজেপিশাসিত আসাম বিধানসভায় ‘গবাদি পশু সংরক্ষণ’ বিল পেশ করেছেন মুখ্যমন্তী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। যেখানে বলা হয়েছে, মন্দিরের পাঁচ কিলোমিটারের মধ্যে গোমাংস বিক্রি নয়। একইসঙ্গে হিন্দু, শিখ ও জৈন সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকাগুলিতে গোমাংস ক্রয়-বিক্রয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে।

কিন্তু সেই বিজেপি দলের মন্ত্রীর গলাতেই যেন উলটো সুর। সিনিয়র বিজেপি নেতা সুল্লাই গত সপ্তাহেই মেঘালয়ের মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছেন। এরপরই তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক দেশে প্রত্যেকেরই নিজের পছন্দমতো খাবার খাওয়ার অধিকার রয়েছে।

শুক্রবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে সুল্লাই বলেন, “মুরগির মাংস, মটন কিংবা মাছের পরিবর্তে আমি রাজ্যের বাসিন্দাদের গরু খাওয়ার জন্য উৎসাহিত করব। আর এতে বিজেপি যে গোমাংস খাওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা চাপাতে পারে, মানুষের সেই ধারনাও ভুল প্রমাণিত হবে।” সম্প্রতি অসমে গো রক্ষায় যে নয়া বিল পাশ হয়েছে। এর ফলে অসম থেকে গরুর আমদানিরর ব্যাপারে অনেকেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন।

কিন্তু মেঘালয়ের প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী সুল্লাই জানালেন, এ ব্যাপারে তিনি অসমের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলবেন। যদিও বর্তমানে সীমান্ত নিয়ে দু’রাজ্যের মধ্যে চলতে থাকা বিবাদের মাঝে এই নিয়েও অনেকেই সন্দিহান।

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ