বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১২ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দুর্যোগ মোকাবিলা ও সামরিক প্রশিক্ষণ বাড়াবে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র শ্রম আইন বাস্তবায়নে বাংলাদেশের পাশে থাকবে জার্মানি উপকূলে আঘাত হেনেছে ‘অর্ণব’, দেশের চার বন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত সাংস্কৃতির অন্ধানুকরণ ও আমাদের ধর্মীয়চর্চা ইরানের মধ্যস্থতায় হামলা বন্ধে হুতিদের ১০০ কোটি ডলার দেওয়ার প্রস্তাব সৌদির লেখকপত্র পরিবারের সঙ্গে কক্সবাজার ইসলামী সাহিত্য ও গবেষণা পরিষদের আড্ডা জাফর ইকবালসহ ৫ আসামিকে আত্মসমর্পণে সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ ‘ক্রসফায়ারের’ নিয়ে আইজিপি বক্তব্য নাকচ করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাতে ভালো ঘুমের জন্য যে ফলগুলো খাবেন হাফেজ মাওলানা যুবায়ের আহমদ আনছারী রহ.: বর্ণাঢ্য জীবন, কর্ম ও সাধনা (পর্ব: ৫)

‘মুরগি বা পাঁঠা নয়, বেশি করে গোমাংস খান, বিজেপি মন্ত্রীর মন্তব্যে তোলপাড়

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মেঘালয়ের বিজেপি মন্ত্রী সানবোর সুল্লাই বলেছেন, মুরগির মাংস, মটন কিংবা মাছের বদলে গরুর মাংস বেশি করে খান।

গো-মাংস ভক্ষণের বিরোধী বিজেপি মন্ত্রী সানবোর সুল্লাই নিজের রাজ্যের বাসিন্দাদের এই কথা বলে বুঝিয়েছেন তাঁর দল গরুর মাংস খাওয়ার বিরোধী নয়, সেকথাই যেন প্রমাণ করতে চাইলেন তিনি।

এদিকে তার দেশের একাধিক বিজেপিশাসিত রাজ্য এই গরুর মাংস খাওয়ার বিরুদ্ধে। তারা গরুর মাংস খাওয়া বন্ধ করতে এ সংক্রান্ত আইনও আনা হয়েছে। কোথাও আবার গো-মন্ত্রকও গঠিত হয়েছে।

সম্প্রতি বিজেপিশাসিত আসাম বিধানসভায় ‘গবাদি পশু সংরক্ষণ’ বিল পেশ করেছেন মুখ্যমন্তী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। যেখানে বলা হয়েছে, মন্দিরের পাঁচ কিলোমিটারের মধ্যে গোমাংস বিক্রি নয়। একইসঙ্গে হিন্দু, শিখ ও জৈন সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকাগুলিতে গোমাংস ক্রয়-বিক্রয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে।

কিন্তু সেই বিজেপি দলের মন্ত্রীর গলাতেই যেন উলটো সুর। সিনিয়র বিজেপি নেতা সুল্লাই গত সপ্তাহেই মেঘালয়ের মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছেন। এরপরই তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক দেশে প্রত্যেকেরই নিজের পছন্দমতো খাবার খাওয়ার অধিকার রয়েছে।

শুক্রবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে সুল্লাই বলেন, “মুরগির মাংস, মটন কিংবা মাছের পরিবর্তে আমি রাজ্যের বাসিন্দাদের গরু খাওয়ার জন্য উৎসাহিত করব। আর এতে বিজেপি যে গোমাংস খাওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা চাপাতে পারে, মানুষের সেই ধারনাও ভুল প্রমাণিত হবে।” সম্প্রতি অসমে গো রক্ষায় যে নয়া বিল পাশ হয়েছে। এর ফলে অসম থেকে গরুর আমদানিরর ব্যাপারে অনেকেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন।

কিন্তু মেঘালয়ের প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী সুল্লাই জানালেন, এ ব্যাপারে তিনি অসমের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলবেন। যদিও বর্তমানে সীমান্ত নিয়ে দু’রাজ্যের মধ্যে চলতে থাকা বিবাদের মাঝে এই নিয়েও অনেকেই সন্দিহান।

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ