রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬ ।। ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২১ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
ঈদযাত্রায় সড়ক-রেল ও নৌপথে নিহত ৪৩৮, আহত ১৩৪০ পশ্চিমবঙ্গে সব মাদরাসায় চলছে জরিপ, দিতে হচ্ছে ৮ প্রশ্নের জবাব ‘সোহেলকে বটগাছে ঝুলিয়ে পাথর মেরে হত্যা করা হোক’ হিন্দু-মুসলিম বিভাজনের কঠোর সমালোচনা ‘তেলাপোকা’ পার্টি প্রধানের নামাজে গিয়ে জীবিকার একমাত্র অবলম্বন হারিয়ে দিশেহারা প্রতিবন্ধী মোশাররফ! বাজেট নিয়ে ইসলামী আন্দোলনের গোলটেবিল বৈঠক সোমবার আমি গর্বিত, আমি তাঁর শাগরিদ মালবাহী ট্রেন লাইনচ্যুত, খুলনার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ ১৮০০ পৃষ্ঠার ‘ইসলামিক ইন্টেলেকচুয়াল কনসেনসাস এনসাইক্লোপিডিয়া’ প্রকাশ ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মার্কিনিদের উপর গোয়েন্দাগিরির অভিযোগ

যুক্তরাজ্যের হিজাব পরিহিতা প্রথম দমকলকর্মী ইউরোসা আরশিদ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

কাজী আব্দুল্লাহ

যুক্তরাজ্যের প্রথম হিজাব পরিহিত দমকলকর্মী হিসেবে কাজ করছেন ইউরোসা আরশিদ নামে ২৭ বছর বয়সী একজন মুসলিম নারী। নটিংহ্যামে জন্ম নেয়া এই নারী শৈশবকাল থেকেই একজন দমকলকর্মী হতে চেয়েছিলেন।

বিভিন্ন গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে আরশিদ বলেন, ৮ বছর বয়সে স্কুলে পড়াকালীন একবার সেখানে আগুন লেগে যায়। তখন দমকলকর্মীরা আসেন এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে এনে ভিতরে আটকে পড়া শিশুদের বাঁচান। এরপর থেকেই তিনি বড় হয়ে দমকলকর্মী হওয়ার স্বপ্ন দেখেন এবং এই ঘটনাটিই ছিলো তার জন্য অনুপ্রেরণা।

তিনি আরও বলেন, দমকলকর্মীরা হল বাস্তব জীবনের "সুপারহিরো" এবং এই পেশার মাধ্যমে আপনি সহজেই মানুষকে সহযোগিতা করতে পারবেন। আমার উদ্দেশ্য হল অন্যকে সাহায্য করা, জীবন বাঁচাতে সহায়তা করা এবং মানুষকে রক্ষা করা।

প্রায় দুই বছর আগে আরশিদ আনুষ্ঠানিকভাবে নটিংহ্যামশায়ার ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ পরিষেবাতে যোগদান করেন। চাকরিতে যোগদানের আগে প্রশিক্ষণ প্রক্রিয়াটি ছিলো অনেক কঠিন। এটি শিখতে তার শারীরিক ও মানসিক উভয় দিক থেকেই কঠিন পরীক্ষা দিতে হয়েছিলো। তবে তিনি এই প্রশিক্ষণকে একটি বিশাল অর্জন ছিল বলে করেন।

মজার বিষয় হচ্ছে, চাকরিতে যোগদানের এক বছর পর তিনি বুঝতে পারেন যে দেশে তিনিই একমাত্র হিজাব পরিহিত নারী দমকলকর্মী। কারণ দমকল পরিষেবা প্রতিষ্ঠানটি যখন এমন কাউকে খুঁজছিলো যে কি না আরশিদকে পরামর্শ ও সমর্থন দিতে পারবে তখন তারা দেখলো হিজাব পরিহিত আর কোনো দমকলকর্মী নেই যুক্তরাজ্যে। তখনই সবাই বিশ্বাস করতে শুরু করলো যে আর্শিদ আসলে যুক্তরাজ্যে হিজাব পরা প্রথম ফায়ার ফাইটার।

এ ব্যাপারে আরশিদ বলেন, আসলে এটি আমার জন্য খুবই গর্বের বিষয়। আমি যখন কাজ শুরু করি তখন আমার স্বপ্ন ছিলো শুধু মানুষকে সহযোগিতা করার। কিন্তু এখন আমি একজন আইডল হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করতে চাচ্ছি। আমি বিশ্বাস করি আমার দেখাদেখি অনেক মুসলিম নারীরা এই কাজে উৎসাহিত হবে। যারা কি না হিজাব পরতে না পারার ভয়ে দমকলকর্মী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চাইত না।

যদিও কিছু মানুষের নেতিবাচক ও সন্দেহের দৃষ্টিভঙ্গি আরশিদকে মোকাবেলা করতে হয়েছিল, তবুও তিনি অনেক যুবতী মুসলিম মহিলাদের অনুপ্রেরণায় পরিণত হয়েছেন। সূত্র: ইসলামিক ইনফরমেশন

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ