মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৮ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
বাংলাদেশসহ ২০ দেশের ওষুধে শুল্ক ছাড়ের ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের রাশিয়ায় আতশবাজি কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৪  আল্লাহর নৈকট্য পেতে প্রতিদিন পড়ুন ৮ নফল নামাজ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক সভা এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা: ডা. জাহেদ ‘বাংলাদেশে ১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন এআই-সেমিকন্ডাক্টর কোম্পানি’ পাঠ্যবইয়ের মান যাচাইয়ে মধ্যরাতে ৬ প্রেসে শিক্ষামন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতায় বিশ্ববাজারে আরও বাড়ল তেলের দাম আল-আকসায় ইসরায়েলি কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা সৌদি আরবের যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে পৃথক আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান

ঈদযাত্রায় সড়কে ১৫৮ দুর্ঘটনা, মৃত্যু ২০৭

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: পবিত্র ঈদুল আজহার যাতায়াতে দেশের সড়ক-মহাসড়কে ১৫৮টি দুর্ঘটনায় ২০৭ জন নিহত হয়েছেন। এসব দুর্ঘটনায় ৩৮৯ জন আহত হয়েছেন।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। ৭টি জাতীয় দৈনিক, ৫টি অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং ইলেক্ট্রনিক গণমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়। সোমবার (২৬ জুলাই) প্রতিবেদনের তথ্য জানায় সংগঠনটি।

প্রতিবেদনে বলা হয় সবচেয়ে বেশি নিহত হয়েছেন মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায়। ৭৬টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৮৭ জন। যা মোট নিহতের ৪২.০২ শতাংশ। এই সময়ে ৪টি নৌ দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত এবং ২৬ জন আহত হয়েছেন। ২টি রেলপথ দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত হয়েছেন।

প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, দুর্ঘটনা নিহতের মধ্যে রয়েছে- মোটরসাইকেল চালক ও, আরোহী ৮৭ জন, বাসযাত্রী ১২ জন, ট্রাক-পিকআপযাত্রী আটজন, মাইক্রোবাস-প্রইভেটকারযাত্রী ১৩ জন, থ্রি-হুইলারযাত্রী (সিএনজি-ইজিবাইক-অটোরিকশা) ৩১ জন, নসিমন-মাহিন্দ্র-চান্দের গাড়িযাত্রী ১০, বাইসাইকেল আরোহী তিনজন আছেন। রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ বলছে, দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে ৫৯টি জাতীয় মহাসড়কে, ৬৬টি আঞ্চলিক সড়কে, ১৪টি গ্রামীণ সড়কে এবং ১৯টি শহরের সড়কে সংঘটিত হয়েছে।

দুর্ঘটনাসমূহের ৪৬টি মুখোমুখি সংঘর্ষ, ৫৪টি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে, ৪২টি পথচারীকে চাপা/ধাক্কা দেওয়া এবং ১৬টি যানবাহনের পেছনে আঘাত করার কারণে ঘটেছে।

দুর্ঘটনার সময় বিশ্লেষণ করে সংগঠনটি জানায়, দুর্ঘটনাসমূহ ঘটেছে ভোর ৬টায় ৯৬ শতাংশ, সকালে ১৮ দশমিক ৩৫ শতাংশ, দুপুরে ২২ দশমিক ১৫ শতাংশ, বিকেলে ২৪ দশমিক ৬৮ শতাংশ, সন্ধ্যায় ১১ দশমিক ৩৯ শতাংশ এবং রাতে ১৬ দশমিক ৪৫ শতাংশ।

ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি ঘটেছে। ৩৩টি দুর্ঘটনায় নিহত ৪৮ জন। সবচেয়ে কম সিলেট বিভাগে। ৪টি দুর্ঘটনায় নিহত চারজন। একক জেলা হিসেবে রংপুর জেলায় সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি ঘটেছে। ৫টি দুর্ঘটনায় ১৫ জন নিহত। সবচেয়ে কম দুর্ঘটনা হয়েছে সুনামগঞ্জ জেলায়। এখানে ১টি দুর্ঘটনা ঘটলেও কেউ হতাহত হয়নি।

দেশে সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণসমূহের মধ্যে বলা হয়েছে, ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন, বেপরোয়া গতি, চালকদের বেপরোয়া মানসিকতা, অদক্ষতা ও শারীরিক-মানসিক অসুস্থতা, বেতন ও কর্মঘণ্টা নির্দিষ্ট না থাকা এবং মহাসড়কে স্বল্পগতির যানবাহন চলাচলের কারণে দুর্ঘটনা বাড়ছে বলে রোড সেইফটি ফাউন্ডেশন জানায়।

এছাড়া মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা বাড়ার পেছনে তরুণ ও যুবকদের বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো ও জনসাধারণের মধ্