বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬ ।। ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ১৮ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
‘লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার ব্যতীত শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়’ বর্তমান সমাজে বিয়েকে ক্রমেই কঠিন করে তোলা হচ্ছে কালভার্ট নির্মাণকালে মাটিচাপা পড়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু আগস্টের মধ্যে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে ড্রেস ও জুতা বিতরণ শুরু করবে সরকার: ববি হাজ্জাজ আগামী ৭ জুন রাশিয়া সফরে যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী চাঁপাইনবাবগঞ্জে বজ্রপাতে নারীসহ ৫ জনের মৃত্যু ডিআইজি থেকে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ পুলিশ কর্মকর্তা হজ-পরবর্তী জীবনে পরিবর্তন না এলে হজের শিক্ষা অপূর্ণ: শায়খ আহমাদুল্লাহ ‘সীমান্ত নিরাপত্তা ও মানবাধিকার প্রশ্নে কোনো আপস করা উচিত নয়’ ৩ জেলায় প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার

আল্লাহর যে গোলামকে সালাম প্রেরণ করেছিলেন হজরত খিজির আ.

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুহাম্মাদ মুযযাম্মিল হক উমায়ের : একজন যুবক শহরে যাওয়ার জন্যে বাড়ি থেকে বের হলো। পথিমধ্যে একজন বুড়ো লোকের সাথে দেখা। বুড়ো লোকটি যুবককে বললো, তুমি যেহেতু শহরে যাচ্ছো তাহলে আমার একটি উপকার করে দাও। শহরে আব্দুল্লাহ হাজিব নামে বাদশার একজন দারোয়ান আছে তাঁকে আমার পক্ষ থেকে সালাম পৌঁছে দিয়ো।

যুবকটি শহরে আসলো। এই নামের লোকটি খোঁজ করতে লাগলো। অনুসন্ধানে সে আব্দুল্লাহ হাজিব এর কাছে পৌঁছলো। এবং বুড়ো লোক কর্তৃক প্রেরণকৃত সালাম জানালো। দারোয়ান সালামের উত্তর দিলো। দারোয়ানের কাছে যুবকটি বুড়ো লোকের পরিচয় জানতে চাইলো। দারোয়ান বললো, তাঁর মাঝে আর আমার মাঝে একটি হৃদয়ের সম্পর্ক আছে সেটি তোমার জানার প্রয়োজন নেই। যুবক নাছোড়বান্দা। বলতে লাগলো, বুড়ো লোকটিকে দেখে অনেক বুযুর্গ মনে হয়েছে সুতরাং আমাকে তাঁর পরিচয় জানতে হবে।

দারোয়ান অবশেষে বুড়ো লোকটির পরিচয় দিতে বাধ্য হলো। বললো, উনি হলেন হযরত খাজির আলাইহিস সালাম। হযরত খাজির আলাইহিস সালামের নাম শুনে যুবকটির মনে আরো তৃষ্ণা বেড়ে গেলো।

মনে প্রশ্ন জাগলো এই লোকটি দাড়োয়ান হয়ে হযরত খাজির আলাইহিস সালামের সাথে এতো গভির সম্পর্ক কীভাবে হলো। মনের প্রশ্নটি যুবক দারোয়ানের কাছে করে বসে। দারোয়ান বললো, তা তোমার জানার প্রয়োজন নেই। কিন্তু যুবক তার প্রশ্নের উত্তরের জন্যে অনঢ়। যুবক উত্তর শুনবেই। অবশেষে দারোয়ান বললো, সে তো লম্বা কথা।

মূল রহস্য হলো, আমি দুনিয়াবী কাজ করার সময় আমার মহান রাব্বুল আলামীনকে ভুলি না। আমি বাহ্যত দৃষ্টিতে করছি তো দুনিয়াবী কাজ, কিন্তু আমার অন্তর থাকে আল্লাহ তাআলার সাথে সম্পৃক্ত। তাআল্লুক মাআ আল্লাহ। এই একটি গুণই আছে আমার জানা মতে।

প্রিয় পাঠক! তাআল্লুক মাআ আল্লাহ কতো বড় নিয়ামত। আমরা যদি দুনিয়াবী কাজ করার সময় মনে করি এই কাজ করতে আমার প্রতিপালক আদেশ করেছেন, তখন আর উক্ত কাজ দুনিয়াবী কাজ থাকে না। আল্লাহ তাআলার আদেশ পালন করার নিয়ত করার সাথে সাথে উক্ত কাজটি পরকালের কাজ হয়ে যায়। আল্লাহ তাআলা আমাদের সকল কাজ তাঁর উদ্দেশ্যে করার তাওফিক দান করুন। আমীন।

সূত্র: ওয়াকিআত পড়হে আওয়ার ইবরত লিজায়ে

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ