।।তাসনীম জান্নাত।।
বসরা নগরী ছিল বিদগ্ধ আলিম,ফকীহ, মুহাদ্দিস ও বুযুর্গদের আবাসভূমি। উলুমে ইসলামিয়ার কেন্দ্রস্থল। সেই পবিত্রময় পরিবেশে জন্ম নিয়েছেন অনেক মহান মনীষী। তাদেরই অন্যতম একজন মুআযাহ আল-আদাবিয়া রাহিমাহাল্লাহ।ইলম, আমল, তাকওয়া, পরহেযগারিতায় তিনি ছিলেন অনন্য। ইবাদাত, তাকওয়া, পরহেযগারিতা ও খোদাভিরুতার কারণে আল্লাহ তায়ালা তাকে অতুলনীয় মর্যাদা দান করেছিলেন।
তিনি সাহাবায়ে কেরামের সোহবতে বেড়ে উঠেছেন এবং তাদের থেকে ইলম অর্জনের সৌভাগ্য লাভ করেছেন। তিনি উম্মুল মুমিনীন হযরত আয়েশা রাদিআল্লাহু আনহা’র ছাত্রী ছিলেন। তিনি তাঁর সোহবত লাভ করেছেন এবং তাঁর থেকে হাদীস বর্ণনা করেছেন। এছাড়াও তিনি জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত মহান সাহাবী আমীরুল মুমিনীন হযরত আলি ইবনে আবি তালিব রাদিআল্লাহু আনহু, বসরা নগরীতে বসবাসকারী রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম’র মহান সাহাবী হযরত হিশাম বিন আমির রাদিআল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণনা করেছেন ।
বসরা নগরীর বড় বড় আলিম,ফকীহ,মুহাদ্দিসগণ তাঁর ছাত্র ছিলেন। বসরার মহান তাবেয়ী হাসান বসরী রাহিমাহুল্লাহ স্বয়ং তাঁর থেকে হাদীস বর্ণনা করেছেন।
বসরার বড় বড় তাবেয়ীদের একজন মুহাদ্দিস আইয়ূব আস সাখতিয়ানী রাহিমাহুল্লাহ। যিনি ইমাম মালিক রাহিমাহুল্লাহ’র উস্তায। হাসান বসরী রাহিমাহুল্লাহ তাঁর সম্পর্কে বলেছেন, আইয়ুব হলেন বসরার যুবকদের সর্দার। এই মহান মনীষীও মুআযাহ আল আদাবিয়া রাহিমাহাল্লাহ থেকে হাদীস রেওয়ায়াত করেছেন। বসরার আরেকজন প্রসিদ্ধ মুহাদ্দিস ছিলেন হাফিজ ইমাম আসিম আল-আহওয়াল রাহিমাহুল্লাহ। তিনিও তাঁর থেকে হাদীস বর্ণনা করেছেন। এছাড়াও আবু কিলাবাহ আল-জারমী, ইয়াযিদ আর-রিশক, ইসহাক বিন সুওয়াইদ,ওমর বিন যার রাহিমাহুমুল্লাহসহ আরো অনেকেই তাঁর থেকে হাদীস বর্ণনা করেছেন।
ইবনে হিব্বান তাকে নির্ভরযোগ্য রাবীদের মধ্যে গণ্য করেছেন। ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনও তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তাঁর বর্ণিত হাদীস দলীলযোগ্য।
মুআযাহ আল আদাবিয়া রাহিমাহাল্লাহ’র কুনিয়াত হলো উম্মুস সাহবা। তাঁর স্বামীর নাম সিলাহ ইবনে আইশাম। তাঁর স্বামীর কুনিয়াত আবুস সাহবা। তিনি অনেক বড় বুযুর্গ তাবেয়ী ছিলেন। তিনি ইবনে আব্বাস রাদিআল্লাহু আনহুমা থেকে হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি শুধু আবিদই ছিলেন না বরং অনেক বড় মুজাহিদও ছিলেন। অনেক জিহাà¦