বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬ ।। ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ২২ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
 ‘একটি প্রাণবন্ত সংসদ চাই, আলোচনায় সব সমস্যার সমাধান’ বগুড়া ও শেরপুরের নির্বাচন ঘিরে সব বাহিনীর সঙ্গে ইসির বৈঠক মদিনা বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডিতে চান্স পেলেন তিন বাংলাদেশি কওমি তরুণ রমজানের শেষ দশকে যেসব আমলে বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত সংসদের প্রথম অধিবেশন উপলক্ষ্যে রাজধানীতে সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ  মুহতামিম পদে নিয়োগ দিচ্ছে বালিয়া মাদরাসা জাকাত বিষয়ে রাষ্ট্রীয়ভাবে কাজের আগ্রহকে সাধুবাদ সংসদের প্রথম অধিবেশন উপলক্ষ্যে বিশেষ ট্রাফিক ব্যবস্থা ডিএমপির ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত জাতীয় ঈদগাহে সকাল সাড়ে ৮টায় ববি হাজ্জাজের আসনে ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আমিরে মজলিস

২০টি চারা রোপণ করলেই পরীক্ষায় পাবে অতিরিক্ত ২০ নম্বর

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: পাকিস্তানের জয়বায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী জারতাজ গুল বলেছেন, গাছ লাগাতে সরকার শিক্ষার্থীদের উৎসাহ দেয়ার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। যেসব শিক্ষার্থী ২০টি চারা রোপণ করবে তারা পরীক্ষায় অতিরিক্ত ২০ নম্বর পাবে।

‘টেন বিলিয়ন ট্রি সুনামি প্লান্টেসন প্রজেক্ট’ নামে এ বিষয়ে পার্লামেন্টে একটি আইন পাশ করা হচ্ছে যার লক্ষ্য যুবকদের এই প্রকল্পে সম্পৃক্ত করণ।

মন্ত্রী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান পরিচ্ছন্ন এবং সবুজ পাকিস্তানের যে লক্ষ্য স্থির করেছেন তার অংশ হিসেবে প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা যেনো তাদের কোর্স শেষ হওয়ার আগেই কমপক্ষে ২০টি করে গাছ রোপন করে সেই প্রচেষ্টা করা হচ্ছে।

গত সপ্তাহে ইসলামাবাদে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশ সংরক্ষণের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় যুবকদের জড়িত হবার বিষয়ে জোড় দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, পাকিস্তানের সবেচেয়ে বড় শক্তি হলো যুব সমাজ। পরিবেশ রক্ষায় তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা দরকার।

প্রস্তাবিত প্রকল্পটির ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে গুল বলেন, শিক্ষাব্যবস্থার অংশ হিসাবে শিক্ষার্থীদের গাছ লাগানোর জন্য অতিরিক্ত নম্বর দেয়া হবে; জাতীয় ক্যাডেট কর্পস প্রোগ্রামের আওতায় যেভাবে অতিরিক্ত নম্বর যোগ করা হয় এটা হবে তার অনুকরণে।

তিনি বলেন, এই আইনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকদের জন্য ২০ টি চারা রোপণ বাধ্যতামূলক করবে এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও জেলা প্রশাসনগুলি সম্ভাব্য বৃক্ষরোপণ স্থান সনাক্ত করতে সহায়তা করবে।

মন্ত্রী বলেন, এই প্রকল্পের আওতায় প্রতি বছর কয়েক মিলিয়ন চারা রোপণ করা যেতে পারে, যা দেশের ভবিষ্যত এবং আগত প্রজন্মের জন্য এক মূল্যবান সম্পদ হিসাবে টিকে থাকবে।

এমডব্লিউ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ