আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন কার্যক্রম নির্বাচন কমিশনের কাছেই থাকা উচিৎ বলে মনে করেন কমিশনাররা। এই নিবন্ধন কার্যক্রম স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করার বিষয়ে সরকারের জারি করা নির্দেশনার ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক বক্তব্যে তারা এমনই অভিমত ব্যক্ত করেছেন।
এই বিষয়ে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরে আজ মন্ত্রীপরিষদ বিভাগে চিঠি পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। চিঠিতে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধনের কার্যক্রম স্থানান্তরের জটিলতা তুলে ধরা হয়।
জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন কর্যক্রম নির্বাচন কমিশনের কাছে থাকার পক্ষে চিঠিতে ৭ টি বিষয় তুলে ধরা হয়। সেগুলো হলো-
১. ভোটার তালিকার ডাটাবেইজের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য নির্বাচন কমিশন কনস্ট্রাকশন অব সার্ভিস স্টেশন ফর দ্য ইলেক্টোরাল ডাটাবেজ- সিএসএসইডি প্রকল্পের মাধ্যমে ইউএনডিপি ও সরকারের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সাথে ত্রিপক্ষীয় চুক্তির মাধ্যমে উপজেলা, জেলা ও আঞ্চলিক পর্যায়ে ভৌত অবকাঠামোসহ ইলেক্টোরাল ডাটাবেজ সার্ভার স্থাপন করে। সম্পাদিত চুক্তি অনুযায়ী এসকল ভৌত ও প্রযুক্তিগত অবকাঠামো নির্বাচন কমিশনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের জন্য নির্ধারিত করা হয়েছে।
২. সংবিধানের ১২৬ অনুচ্ছেদ নির্বাচন কমিশনকে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও সকল মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদের মধ্য হতে তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগসহ বিভিন্ন সমন্বয় কমিটি ও বিশেষ কমিটির গঠন করা হয়। এসব কমিটির তত্বাবধানে ভোটার হওয়ার যোগ্য ব্যক্তিদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। পরবর্তীতে নিয়োগকৃত ডাটা এন্ট্রি অপারেটর ও টিম লিডারের মাধ্যমে বয়োমেট্রিকস ডাটা সংগ্রহ করে রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। উপজেলা/থানা পর্যায়ে এই ডাটা সংগ্রহ ও রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রমের মাধ্যমে ভোটার তালিকা প্রণয়ন করা হয়েছে। একই প্রক্রিয়া অনুসরণ করে প্রতিবছর তথ্য সংগ্রহ করে ভোটার তালিকা হালনাগাদ করা হয়। বাংলাদেশের সংবিধানে অন্য কোন মন্ত্রণালয় বা সংস্থাকে এ ধরনের ক্ষমতা অর্পণ করা হয়নি। ফলে অন্য কোন মন্ত্রণালয় বা সংস্থার পক্ষে সকল মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত প্রতিষ্ঠানকে সম্পৃক্ত করে এ ধরনের মহাকর্মযজ্ঞ সম্পাদন করা হবে মর্মে প্রতীয়মান হয় না। ভোটার তালিকা বিধিমালা ২০১২ মোতাবেক উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসার রেজিস্ট্রেশন অফিসার হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।
৩. বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৯নং অনুচ্ছেদে নির্বাচন কমিশনের উপর অর্পিত দায়িত্বসমূহ সুচারু ও নির্ভুলভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে ২০০৭ সাল থেকে উন্নয়ন সহযোগী সংস্থ