শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৫ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
সাইবার সুরক্ষা আইন অপব্যবহার করবে না বর্তমান সরকার: ডা. জাহেদ আমাদের প্রিয় গাঁও শুরু হচ্ছে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের তৃতীয় দফার মুয়াজ্জিন প্রশিক্ষণ আওয়ামী দোসরদের গ্রেফতার করলে পুরস্কার পাবে পুলিশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চার বিভাগে ভারী বৃষ্টির আভাস, কমবে তাপমাত্রা ফের রিয়াদে হুথি হামলা, ড্রোন ভূপাতিতের দাবি সৌদির বিগত সরকারের টিকা না দেওয়ার খেসারত দিতে হচ্ছে আমাদের: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জান্নাতের নেয়ামতের অপূর্ব বর্ণনা দিলেন মসজিদে নববীর খতিব জাতিসংঘ অধিবেশন শেষে দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইসরায়েলি কারাগারে বন্দি ফিলিস্তিনি নারী সাংবাদিকের অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ

এমসি কলেজে গণধর্ষণ: অধ্যক্ষ ও হোস্টেল সুপারকে বরখাস্তের নির্দেশ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: সিলেটের এমসি কলেজে গৃহবধূ গণধর্ষণের ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির অধ্যাক্ষকে বরখাস্ত করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ বিষয়ে হাইকোর্টের জারি করা রুল নিষ্পত্তি করে এ রায় ঘোষণা করা হয়েছে। একইসঙ্গে হোস্টেল সুপারকেও বরখাস্ত করতে আদেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ বুধবার বিচারপতি মুহা. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

গত বছরের ২৯ সেপ্টেম্বর এমসি কলেজে গৃহবধূ ধর্ষণের ঘটনায় কলেজ কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারণে তাদের বিরুদ্ধে কেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন আদালত।

গণধর্ষণের ঘটনা অনুসন্ধানে যৌথ কমিটি গঠন করে হাইকোর্ট। চার সদস্যের কমিটিতে ছিলেন, সিলেটের জেলা ও দায়রা জজ মো. বজলুর রহমান, অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মমিনুন নেসা, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মুহা. আবুল কাশেম ও সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শারমিন সুলতানা।

পরে এ অনুসন্ধান কমিটি হাইকোর্টে তাদের প্রতিবেদনে বলে, সিলেটের এমসি কলেজে গৃহবধূ গণধর্ষণের ঘটনায় হোস্টেল সুপার ও প্রহরীদের দায়িত্বে অবহেলা ছিল। তাই প্রতিষ্ঠানের প্রধান হিসেবে এমসি কলেজের অধ্যক্ষও কোনোভাবেই ওই ঘটনার দায় এড়াতে পারেন না। গণধর্ষণের পেছনে মূলত হোস্টেলের বর্তমান তত্ত্বাবধায়করা, হোস্টেলের মূল গেটের ডে গার্ড, ৫ নম্বর ব্লকের ডে গার্ড ও নাইট গার্ড (নৈশপ্রহরী) এবং ৭ নম্বর ব্লকের ডে গার্ড ও নাইট গার্ডের দায়িত্বে অবহেলা ছিল।

উল্লেখ্য, গত বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে এমসি কলেজে বেড়াতে যান এক গৃহবধূ। এ সময় ক্যাম্পাস থেকে কয়েকজন ছাত্র ওই তরুণীকে স্বামীসহ কলেজ ছাত্রাবাসে তুলে নিয়ে যায়। পরে তারা স্বামীকে বেঁধে মারধর করে গৃহবধূকে ধর্ষণ করেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে।

ভুক্তভোগী গৃহবধূর স্বামী সেদিন রাতে বাদী হয়ে শাহপরাণ থানায় মামলা করেন। মামলায় ছয় জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও দুই-তিন জনকে আসামি করা হয়।

আসামিরা হলেন- এম. সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান রনি, তারেক আহমদ, অর্জুন লঙ্কর, রবিউল ইসলাম ও মাহফুজুর রহমান। এরা সবাই ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। আসামিদের মধ্যে তারেক ও রবিউল বহিরাগত, বাকিরা এমসি কলেজের ছাত্র। এরইমধ্যে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সব আসামিকে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

ওই গণধর্ষণের ঘটনায় কলেজ কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় ব্যবস্থা চেয়ে পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন হাইকোর্টের নজরে আনেন আইনজীবী মোহাম্মদ মেসবাহ উদ্দিন।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ