রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬ ।। ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২১ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
৬ নবজাতকের মর্মান্তিক মৃত্যু ও পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে শঙ্কা সন্ত্রাসের পক্ষে কাজ করা সাংবাদিকেরা আইনের ঊর্ধ্বে নয়: সংসদে তথ্য প্রতিমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিমুখী আচরণের কারণে শান্তি আলোচনা এগোচ্ছে না: ইরান ৩০টি নোটিশ দিয়েছি, কোনটার ওপর বলব জানি না: সংসদে আমির হামজা বিদ্যুৎ ও তেল-গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি নয়, দুর্নীতি বন্ধ করুন: বিকেএম মমতার কেন এই বিপর্যয়, বিজেপির কেন এই উত্থান? এবার ২ লাখ ফলদ চারা রোপণ করবে আসসুন্নাহ ফাউন্ডেশন দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ চায় নেজামে ইসলাম পার্টি পলাশবাড়ীর ধর্মীয় স্থাপনা নির্মাণ নিয়ে জনমনের উদ্বেগ দূর করুন: হেফাজত নতুন চেয়ারম্যান পেল মাদরাসা বোর্ড

ইয়োসি কোহেনকে সরিয়ে মোসাদের নতুন প্রধান নিয়োগ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ প্রধানের দায়িত্ব থেকে ইয়োসি কোহেনকে সরিয়ে নতুন গোয়েন্দা প্রধানের নাম ঘোষণা করেছেন দখলদার দেশটির প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু। হামাসসহ ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামীদের সামরিক শক্তি সম্পর্কে সঠিক তথ্য দিতে ব্যর্থতার জন্য কোহেনকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে বলেই মনে করছেন অনেক বিশ্লেষক।

দেশটির গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের উপ-প্রধানকে এই পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। সোমবার রাতে এক ঘোষণায় নেতানিয়াহু বলেন, মোসাদের উপ-প্রধান ডেভিড বার্নিয়াকে ইয়োসি কোহেনের স্থানে স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে।

৫৬ বছর বয়সি বার্নিয়া গত ২৫ বছর ধরে মোসাদে কাজ করছেন। নেতানিয়াহু সোমবার রাতে মোসাদের কিছু কর্মকর্তাকে প্রধানমন্ত্রী পুরস্কার বিতরণের অনুষ্ঠানে বলেন, ইয়োসি কোহেন পদত্যাগ করছেন এবং ডেভিড বার্নিয়াকে তার স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে।

ইয়োসি কোহেন পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে মোসাদ প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বেশ গুরুত্বের সঙ্গেই তার দায়িত্ব পালন করেছেন। আরব দেশগুলোর সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্ক জোড়া-তালি দিতে কাজ করেছেন তিনি। গত বছর আরব আমিরাত এবং বাহরাইনের সঙ্গে ইসরায়েল চুক্তিতেও তার ভূমিকা রয়েছে।

অপরদিকে ডেভিড বার্নিয়া ১৯৯৬ সালে মোসাদে যোগ দেন। কয়েক বছর ধরেই ইরানের বেশ কয়েকজন পরমাণু বিজ্ঞানীকে হত্যার ঘটনায় ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থাকে দায়ী করে আসছে ইরান। তবে ইসরায়েল বরাবরই এসব হত্যাকাণ্ড অস্বীকার করে আসছে।

এদিকে সম্প্রতি গাজা উপত্যকায় ১১ দিনব্যাপী যুদ্ধ শেষে অস্ত্রবিরতি ঘোষিত হলে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠনগুলো এ যুদ্ধে নিজেদের বিজয় ঘোষণা করে। হাজার হাজার ফিলিস্তিনি নাগরিক রাস্তায় নেমে বিজয়ের আনন্দ প্রকাশ করেন।

অন্যদিকে ইহুদিবাদী ইসরায়েলও এ যুদ্ধে বিজয়ের দাবি করে। তবে সেখানকার একজন নাগরিককেও রাস্তায় নেমে উল্লাস প্রকাশ করতে দেখা যায়নি। কিন্তু তেল আবিবের বিজয়ের দাবি যে নিছক ফাঁকা বুলি ছিল তা মোসাদ প্রধানকে সরিয়ে দেয়ার ঘটনায় প্রমাণ হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এমনকি ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামীদের সামরিক শক্তি সম্পর্কে সঠিক তথ্য দিতে ব্যর্থতার জন্য কোহেনকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে বলেই মনে করছেন অনেক বিশ্লেষক।

গাজা উপত্যকার আবাসিক ও বেসামরিক অবস্থানগুলোর ওপর ইসরায়েলি বিমান হামলায় ২৫৩ ফিলিস্তিনি নিহত এবং প্রায় দুই হাজার মানুষ আহত হয়েছে। অন্যদিকে গাজা থেকে প্রতিরোধ যোদ্ধাদের নিক্ষিপ্ত রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে নিহত হয়েছে ১২ ইসরায়েলি। গত শুক্রবার রাত ২টায় মিসরের মধ্যস্থতায় উভয়পক্ষের সম্মতিতে গাজায় যুদ্ধবিরতি ঘোষণা হয়।

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ