বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬ ।। ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
সিলেটে হাম ও নিউমোনিয়ায় ৩ শিশুর মৃত্যু সিলেটে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী, শ্রীমঙ্গলের পথে যাত্রা স্বপ্নে জীবিত দেখে মৃত্যুর ১৮ দিন পর কবর খনন, এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য ‘দলীয় সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে ইনসাফভিত্তিক নেতৃত্ব গড়ার সময় এখনই’ বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করতে আগ্রহী জার্মানি  ‘ডিএনসিসি’র হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা: আয়োজক ও প্রতিনিধিদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ৮৪ বার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন, ইসরায়েলকে ইরানের হুঁশিয়ারি ১০ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা, নদীবন্দরে সতর্কসংকেত মাদরাসার বেতন সমস্যা দ্রুত সমাধানের আশ্বাস শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অল্প বয়সেই হাফেজ হয়ে প্রশংসা কুড়াচ্ছে রুবায়েত ও মৃদুল

ভুমধ্যসাগরে নৌকাডুবি: জীবিত উদ্ধার ৩৩ জনের মধ্যে ২৩ জন মাদারীপুরের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: অবৈধ পথে ইতালি যাওয়ার সময় লিবিয়ার তিউনিশিয়ার ভুমধ্যসাগরে নৌকাডুবির ঘটনায় ৩৩ বাংলাদেশি উদ্ধার হয়। ওই ঘটনায় ৫০ অভিবাসী নিখোঁজ রয়েছে। এদের মধ্যে কোন কোন দেশের অভিবাসী রয়েছে তা জানা যায়নি।

তিউনিশিয়ার সেনাবাহিনী যে ৩৩ বাংলাদেশিকে জীবিত উদ্ধার করেছে তাদের মধ্যে মাদারীপুর সদর উপজেলার ২৩ জন। এর মধ্যে পেয়ারপুর একই গ্রামের ১৪ জন। নৌকাডুবিতে ওই গ্রামের সেন্টু মণ্ডল এখনো নিখোঁজ রয়েছে বলে পরিবারের দাবি। একই গ্রামের ১৪ জন প্রাণে প্রাণে বেঁচে গেলেও তাদের ফিরে পাওয়া নিয়ে পরিবারের মাঝে বিরাজ করছে অনিশ্চয়তা।

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) এবং ভুক্তভোগীদের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার ৯০ জন অভিবাসন প্রত্যাশী লিবিয়ার জাওয়ারা উপকূল থেকে একটি নৌকায় অবৈধভাবে ভূমধ্যসাগর দিয়ে ইউরোপের ইতালি যাচ্ছিল। ইউরোপে প্রবেশের সময় উত্তর আফ্রিকার দেশ তিউনিশিয়ার উপকূলে ভুমধ্যসাগরে নৌকাডুবির ঘটনা ঘটে।

নৌকাডুবির পর তিউনিশিয়ার সেনাবাহিনী উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে ৩৩ অভিবাসন প্রত্যাশীকে জীবিত উদ্ধার করে। তাদেরকে তিউনিসিয়ায় রয়েছে বলে উদ্ধারকৃত কয়েকজন পরিবারের কাছে মোবাইলে জানিয়েছে। নৌকাডুবির ঘটনায় ৫০ জন নিখোঁজ হয়। জীবিত উদ্ধার ৩৩ জনই বাংলাদেশি। এর মধ্যে ২৩ জনের বাড়ি মাদারীপুর সদর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে। এর মধ্যে পেয়ারপুর ইউনিয়নের নয়াচর একই গ্রামের ১৪ জন।

নৌকাডুবিতে একই গ্রামের সেন্টু মণ্ডল এখনো নিখোঁজ রয়েছেন বলে তার শ্বশুর আবদুর রব জানান।

স্থানীয়রা জানায়, নয়াচর গ্রামের মানব পাচারকারী চক্র ইতালি নেওয়ার কথা বলে প্রত্যেকের পরিবারের কাছ থেকে সাড়ে ৭ লাখ টাকা করে নেয়। জমিজমা বিক্রি কিংবা ব্যাংক ঋণ এনে তারা দালালের হাতে টাকা তুলে দেয়। তবুও সন্তানরা ইতালি পৌঁছাতে পারেনি। অনেকে লিবিয়ার বন্দী শিবিরে নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। নির্যাতনের ভিডিও পাঠিয়ে তাদের পরিবারের কাছে মোটা অংকের টাকা দাবী করছে দালালচক্র।

নিখোঁজ সেন্টু মণ্ডলের স্ত্রী সাথী আক্তার বলেন, আমার স্বামীর খোঁজ পাইনি। তিনি বেঁচে আছেন কি না তাও জানি না। আমি এখন ৩ অবুঝ সন্তান নিয়ে কোথায় দাঁড়াবো।

এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক ড. রহিমা খাতুন বলেন, দালালদের তালিকা করে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ