বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ২ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৬ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
মাদরাসায় অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধে কী বলছেন চিন্তাশীল আলেমরা পশ্চিমবঙ্গে ‘ইনশাআল্লাহ’, ‘জাজাকাল্লাহ’ বলে বিপাকে পুলিশ কর্মকর্তা কুমিল্লা আইনজীবী সমিতিতে ইসলামী আইনজীবী পরিষদের মতবিনিময় চামড়া শিল্পে ইতালির বিনিয়োগ ও অংশীদারত্ব বাড়ানোর উদ্যোগ পশ্চিমবঙ্গে মধ্যরাতে ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বাংলাভাষী মুসলিমদের! হারামাইনের নিরাপত্তা সব রাজনৈতিক বিরোধের ঊর্ধ্বে: পীর সাহেব চরমোনাই মক্কাকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার চেষ্টায় বাংলাদেশের নিন্দা ফতোয়া ও আত্মশুদ্ধির ময়দানে মুফতি সাঈদ আহমদ রহ. সৌদিতে ১৩০০ বছরের পুরনো মসজিদের সন্ধান, দেয়ালে নবীজির নাম মক্কার নিরাপত্তা ও পবিত্রতার প্রতি হুমকি গ্রহণযোগ্য নয়: জমিয়ত

মাতৃভাষার চর্চা করলেই উইঘুরদের মৃত্যুদণ্ড!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: নিজের মাতৃভাষা ব্যবহার করলেই এখন উইঘুর মুসলিমদের জীবন দিতে হচ্ছে। চীনের জিনজিয়াংয়ে গত ৬ এপ্রিল উইঘুর ভাষায় পাঠ্যপুস্তক প্রকাশের কারণে শিক্ষা বিভাগের সাবেক মহাপরিচালক সাত্তার সাওয়াউতের বিরুদ্ধে পিআরসির একটি আদালত দুই বছরের জন্য সাজা স্থগিত করে মৃত্যুদণ্ড করেন।

উইঘুরদের ভাষা ও সংস্কৃতি ধ্বংস করতে চীন মুসলিম শিক্ষাবিদদের গ্রেপ্তার করে, মৃত্যুদণ্ডের আদেশও দিচ্ছে। সম্প্রতি চীন কর্তৃপক্ষ আরও ৫ উইঘুর মুসলিম শিক্ষাবিদকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে। কয়েক বছর আগে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

দণ্ডিতদের মধ্যে একজনের নাম ইয়ালকুন রোজি। তার ছেলে কামালতুর্ক ইয়ালকুন বলেন, 'এই শাস্তি বেইজিংয়ের উইঘুর সংস্কৃতিকে মুছে ফেলার প্রচেষ্টার অংশ। যেহেতু এই পাঠ্যপুস্তকগুলো উইঘুর সংস্কৃতিতে সমৃদ্ধ, তাই চীন তাদের টার্গেট করেছে। তারা উইঘুর ভাষা শিক্ষা এবং সংস্কৃতিকে পুরোপুরি নির্মূল করার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।'

অন্যদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং অংশীদার দেশগুলি জিনজিয়াংয়ে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অবসান ঘটাতে চায়।মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলো বলছে, চীন দীর্ঘদিন ধরেই উইঘুর মুসলিমদের গণহারে বন্ধী করে রাখছে, জোরপূর্বক শ্রম আদায় করছে, নারীদের বন্ধ্যা করে দিচ্ছে এবং ধর্ষণসহ নানা ধরনের নিপীড়ন চালাচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন এই নিপীড়ন নির্যাতনের সঙ্গে জড়িত চীনের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ