শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬ ।। ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ১৮ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
পবিত্র রমজান মাসে কারও কষ্টের কারণ না হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ফেনীতে জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে নিম্নবিত্তদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ ইত্তেফাকুল মাদারিসিল কওমিয়া বৃহত্তর মিরপুরের কেন্দ্রীয় পরীক্ষার ফল প্রকাশ ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা সরকারের ৬ই শাওয়াল থেকে ভর্তি নিবে নদওয়াতুল উলূম আশ-শরইয়্যাহ ঐতিহাসিক বদর যুদ্ধ শাশ্বত অনুপ্রেরণার উৎস: পীর সাহেব চরমোনাই ৫ শতাধিক অসহায় পরিবারের মাঝে খলিফা ফাউন্ডেশনের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ‘আরও ২টি ভেসেল আসছে, জ্বালানি তেল নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই’ নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও হরমুজ প্রণালী ব্যবহার করায় আইআরজিসির ড্রোন হামলা রিজওয়ানার বক্তব্যে নির্বাচনী ইঞ্জিনিয়ারিং প্রমাণিত: আমিরে মজলিস

ডিবি’র রিমান্ডে থাকা আসামির মৃত্যু; এলাকাবাসী বলছে নির্দোষ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মফস্বল ডেস্ক: ফরিদপুরের সালথায় পুলিশের সাথে উত্তেজিত গ্রামবাসীর সংঘর্ষের ঘটনায় ফরিদপুর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) হেফাজতে থাকা অবস্থায় এক আসামির মৃত্যু হয়েছে।

আজ (১ মে) শনিবার সকাল ৬টায় ডিবি পুলিশের একটি দল ওই আসামিকে ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ষোষণা করেন।

জানা যায়, মৃত ওই ব্যক্তির নাম আবুল হোসেন মোল্লা (৪৮) সালথা উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের গোপালীয়া গ্রামের মৃত ইমানউদ্দিন মোল্লার ছেলে।

গত ৫ এপ্রিল রাতে সালথায় সংঘটিত সহিংস ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার আসামি হিসেবে গত ১৬ এপ্রিল আবুল হোসেনকে গ্রেফতারর করে পুলিশ। এরপর গত ২৮ এপ্রিল পাঁচ দিনের রিমান্ডে তাকে পুলিশের হেফাজতে নেয়া হয়। ডিবি কার্যালয়ে এ রিমান্ড চলছিল।

গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুনীল কুমার কর্মকার বলেন, আবুল হোসেনের রিমান্ড চলছিল। সকালে তিনি সাহরি খেয়েছেন। এরপর শনিবার ভোর সোয়া পাঁচটর দিকে তিনি বাথরুমে যান। পরে নিরাপত্তারক্ষী দেখেন বমি করে মেঝেতে লুটিয়ে আছেন আবুল হোসেন। পরে তাকে দ্রুত ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পাশাপাশি ওই সময় জেনারেল হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক ছিলেন মো: তোফাজ্জেল হোসেন। তোফাজ্জেল হোসেন জানান, পুলিশ আবুল হোসেনকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসে।

এদিকে আবুল হোসেনের মেয়ে তানিয়া আক্তার (১৮) দাবি করছেন, আমার বাবা কোনো অপরাধ করেনি। আমার বাবাকে রিমান্ডে নিয়ে মাইরা ফালাইছে। আমার বাবা নিরিহ প্রকৃতির মানুষ ছিলেন। তিনি কোনো দলের পক্ষে থাকেননি। তিনি গরুর খামার নিয়ে ব্যস্ত থাকতেন।

এছাড়া সোনাপুর ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি চেয়ারম্যান মো: খায়রুজ্জামান বলেন, মৃত আবুল হোসেন একজন নিরীহ ও সৌখিন ধরনের মানুষ ছিলেন। তিনি একটি গরুর খামার করেছেন ওই খামার নিয়েই থাকেন। তিনি রাজনৈতিকভাবে আওয়ামী লীগের সমর্থক ছিলেন।

তবে ফরিদপুর পুলিশ সুপার মো: আলিমুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, এ বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) জামাল পাশাকে আহ্বায়ক করে চার সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ কমিটিকে ২৪ ঘন্টার মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। এছাড়া ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পাওয়া গেলে বিস্তারিত জানা যাবে।

-কেএল


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ