শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৫ রবিউস সানি ১৪৪৮


আজ ঐতিহাসিক বদর দিবস

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

সাইফুল ইসলাম তাওহিদ: ১৭ রমজান। ঐতিহাসিক বদর দিবস। ৬২৪ খ্রিস্টাব্দে তথা দ্বিতীয় হিজরির ১৭ রমজানে বদর প্রান্তরে সংগঠিত হয় ঐতিহাসিক যুদ্ধ। প্রতিপক্ষ ছিল মক্কার মুশরিক ও মদিনার মুসলিম। এতে মুসলমানদের সেনা সংখ্যা ছিল মাত্র ৩১৩। এই যুদ্ধে মুসলমানরা সংখ্যায় কম হয়েও কাফিরদের বিশাল বাহিনীর ওপর বিজয় লাভ করেছে। কোরআন কারিমে এই যুদ্ধকে সত্য-মিথ্যার মধ্যে পার্থক্যকারী যুদ্ধ বলে অভিহিত করা হয়েছে।

বদর যুদ্ধ থেকে শিক্ষা: ইসলামের ইতিহাসে এই যুদ্ধের অসামান্য গুরুত্ব রয়েছে। নিম্নে এই যুদ্ধের কিছু শিক্ষণীয় দিক তুলে ধরা হলো-

পরামর্শ করে কাজ করা: রাসুল সা. এর সব কাজকর্ম ওহি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হওয়া সত্ত্বেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ সব কাজে সাহাবাদের সঙ্গে পরামর্শ করতেন। বদর যুদ্ধের সময় রাসুল সা. গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সাহাবাদের সঙ্গে পরামর্শ করেছেন। রাসুল সা. মূলত মদিনা থেকে বের হয়েছিলেন আবু সুফিয়ানের ব্যাবসায়িক কাফেলাকে পাকড়াও করার জন্য। পথিমধ্যে তিনি জানতে পারলেন কুরাইশরা তাদের কাফেলাকে রক্ষা করার জন্য সদলবলে যাত্রা করছে। তখন তিনি সাহাবাদের সঙ্গে পরামর্শ করলেন-এ মুহূর্তে কী করা উচিত। মুসলমানরা কি যুদ্ধ করবে, নাকি মদিনায় ফিরে যাবে। তখন রাসুল সা. মুহাজির ও আনসারদের পরামর্শে যুদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেন। এই যুদ্ধে রাসুল সা. হাব্বাব ইবনে মুনজিরের পরামর্শে যুদ্ধের অবস্থানস্থল পরিবর্তন করেন। অনুরূপভাবে রাসুল সা. বদরের বন্দিদের ব্যাপারেও সাহাবাদের সঙ্গে পরামর্শ করেন।

উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা: যেকোনো কাজে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা রাসুল সা. এর সুন্নত। উপযুক্ত ব্যবস্থা কিংবা উপকরণ গ্রহণ করা তাওয়াক্কুলের পরিপন্থী নয়। বদর যুদ্ধের সময় দেখা রাসুল সা. সাধ্যমতো যুদ্ধের প্রস্তুতি ও অন্যান্য ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। রাসুল (সা.) তালহা ইবনে উবায়দুল্লাহ ও সাঈদ ইবনে জায়েদকে পাঠিয়েছিলেন আবু সুফিয়ানের ব্যাবসায়িক কাফেলার খবর নিতে। অনুরূপভাবে রাসুল সা. আদি ইবনে জাবা ও বাসবাস ইবনে আমরকে বদরপ্রান্তে পানি খোঁজ করার জন্য প্ররণ করেন।

আল্লাহর কাছে দোয়া করা: দোয়া মুমিনের হাতিয়ার। দোয়া বিজয় ও সাফল্যের চাবিকাঠি। রাসুল সা. যেকোনো বিপদের সময় দোয়ার প্রতি খুব গুরুত্ব দিতেন। বদর যুদ্ধের সময় রাসুল সা. আল্লাহর কাছে বিনয়াবনত হয়ে রোনাজারি করেছেন এবং আল্লাহর কাছে সাহায্য তলব করেছেন। ইরশাদ হয়েছে, ‘স্মরণ করো যখন তোমরা নিজ প্রতিপালকের কাছে ফরিয়াদ করেছিলে, তখন তিনি ফরিয়াদের সাড়া দিয়ে বললেন, আমি তোমাদের সাহায্যার্থে এক হাজার ফেরেশতার একটি বাহিনী পাঠাচ্ছি, যারা একের পর এক আসবে।’ (সুরা : আনফাল, আয়াত : ৯)

সাহায্য একমাত্র আল্লাহর পক্ষ থেকে: মুমিনদের বৈশিষ্ট্য হলো বিপদ কিংবা প্রতিকূল পরিস্থিতিতে মনোবল হারায় না, বিচলিত হয় না। তারা তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী প্রস্তুà