শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬ ।। ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ১৯ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
‘লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার ব্যতীত শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়’ বর্তমান সমাজে বিয়েকে ক্রমেই কঠিন করে তোলা হচ্ছে কালভার্ট নির্মাণকালে মাটিচাপা পড়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু আগস্টের মধ্যে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে ড্রেস ও জুতা বিতরণ শুরু করবে সরকার: ববি হাজ্জাজ আগামী ৭ জুন রাশিয়া সফরে যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী চাঁপাইনবাবগঞ্জে বজ্রপাতে নারীসহ ৫ জনের মৃত্যু ডিআইজি থেকে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ পুলিশ কর্মকর্তা হজ-পরবর্তী জীবনে পরিবর্তন না এলে হজের শিক্ষা অপূর্ণ: শায়খ আহমাদুল্লাহ ‘সীমান্ত নিরাপত্তা ও মানবাধিকার প্রশ্নে কোনো আপস করা উচিত নয়’ ৩ জেলায় প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার

মা-বাবার জন্য দোয়া করা সন্তানের কর্তব্য!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মূল: মুফতি রশীদ আহমাদ খুরশিদ
অনুবাদ: আব্দুল্লাহ নোমান

হে আমার প্রভু, আপনি তাদের (আমার পিতামাতার) প্রতি অনুগ্রহ করুন যেভাবে শৈশবে তাঁরা আমাকে প্রতিপালন করেছিলেন। (সুরা বনী ইসরাইল, আয়াত ২৪)

পিতামাতার জন্য দোয়া করার প্রথম ফায়েদা হলো আল্লাহ আপনাকে তাদের প্রতি আনুগত্যশীল বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত করে নিবেন। আর শরীয়ত সম্মত কাজে পিতামাতার আনুগত্য করা সন্তানের জন্য ফরজ। আর দ্বিতীয় ফায়েদা হলো, যখন আপনি তাদের জন্য অনুগ্রহের দোয়া করবেন, তখন আল্লাহ তায়ালার অনুগ্রহ অর্জন আপনার জন্য হবে। হাদীস শরীফে বর্ণিত হয়েছে, কোনো ব্যক্তি যখন তার অপর ভাইয়ের অনুপস্থিতিতে তার জন্য দোয়া করে, আল্লাহ তায়ালা তার জন্য একজন ফেরেশতা নিযুক্ত করে দেন। যে তার প্রতিটি দোয়ায় আমিন বলে।

আর আল্লাহ তাকেও অনুরূপ দান করেন। সুতরাং আপনি যখন নিজ পিতামাতার প্রতি আল্লাহ তায়ালার অনুগ্রহ কামনা করবেন তখন ফেরেশতা আমিন বলবে এবং আপনার জন্যও অনুগ্রহের দোয়া করবে। ফেরেশতাকে তো আল্লাহ তায়ালা পাঠিয়েছেনই আপনার জন্য দোয়া করার জন্য তাহলে তার দোয়া আপনাদের জন্য কবুল হবেই।

ব্যাপারটা এমন নয় যে, ফেরেশতা বলবে আল্লাহ তার প্রতি অনুগ্রহ করুন আর আল্লাহ অনুগ্রহ করবেননা। কারণ আল্লাহ তায়ালার নেযাম এমনই। এজন্য পিতামাতার জন্য দোয়া করার গুরুত্ব অনেক বেশি। পিতামাতার জন্য দোয়া করা এক অর্থে নিজের দুনিয়া ও আখেরাতে কল্যাণের জন্য দোয়া করার মতো। আর শুধু দোয়াতেই সীমাবদ্ধ না থেকে তাদের খেদমত, সম্মান ও আনুগত্য করা।

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে আমাদের ছোটদের দয়া করেনা এবং বড়দের সম্মান করেনা সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়।

আল্লাহ তায়ালা অপর আয়াতে পিতামাতার প্রতি ইহসান ও অনুগ্রহের প্রতি গুরুত্ব দিয়ে বলেছেন, আর আপনার রব আদেশ দিয়েছেন তিনি ছাড়া অন্য কারো 'ইবাদাত না করতে ও পিতা-মাতার প্রতি সদ্ব্যবহার করতে । তারা একজন বা উভয়ই তোমার জীবদ্দশায় বার্ধক্যে উপনীত হলে তাদেরকে 'উফ' বলো না এবং তাদেরকে ধমক দিও না; তাদের সাথে সম্মানসূচক কথা বলো। (সুরা বনী ইসরাইল, আয়াত ২৩)

আপনার পিতামাতা জীবিত থাকুন বা মৃত্যুবরণ করুন সদাসর্বদা তাদেরকে দোয়ায় স্মরণ রাখুন। আল্লাহ তায়ালা আমাদের আমল করার তাওফিক দিন, আমিন।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ