শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৫ রবিউস সানি ১৪৪৮


আলাপ আলোচনার মাধ্যমে সব সমস্যার সমাধান সম্ভব: হেফাজত মহাসচিব

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ-এর মহাসচিব আল্লামা নুরুল ইসলাম বলেছেন, হেফাজতে ইসলাম দেশের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় অরাজনৈতিক আধ্যাত্মিক সংগঠন। শাইখুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফী রহ. এই সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেছেন। মৃত্যু অবদি তিনি এই সংগঠনের আমীরের দায়িত্ব পালন করে গেছেন। শাইখুল ইসলামের ইন্তেকালের পর তাঁর এই মহান আমানত তার উত্তরসুরী ওলামায়ে কেরামের হাতে ন্যস্ত হয়েছে। আমরা চেষ্টা করছি তারই দেখানো পথে এই সংগঠনকে পরিচালিত করতে।

আজ বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ-এর মহাসচিব আল্লামা নুরুল ইসলাম এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, হেফাজত শুরুর দিন থেকেই সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক সংগঠন। হেফাজতের কোনও রাজনৈতিক এজেন্ডা নেই। হেফাজতের কোনো রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষাও নেই। হেফাজতের প্রধান প্রধান পদগুলোতে যারা রয়েছেন, তারাও সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব। বিশেষ করে বর্তমান আমীর আল্লামা জুনাইদ বাবুনগরী, প্রধান উপদেষ্টা আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী এবং আমি। আমরা কখনোই কোনো রাজনৈতিক দলের সাথে সম্পৃক্ত ছিলাম না এবং বর্তমানেও নেই।

আল্লামা নুরুল ইসলাম বলেন, হেফাজত শুধু দ্বীনি ইস্যুতে কর্মসূচী দিয়ে থাকে। এযাবতকাল আমরা যতগুলো কর্মসূচী দিয়েছি, তার সবগুলোই দ্বীন ও দেশের স্বার্থে।

তিনি বর্তমান পরিস্থির বিষয়ে বলেন, দেশে বর্তমান যে উদ্ভূত পরিস্থিতি বিরাজ করছে তা তৈরি হয়েছে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আগমনকে কেন্দ্র করে। হেফাজত মোদীর সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের বিরোধিতা করেছে। এটা কোনও রাজনৈতিক ইস্যু বা দেশ বিরোধিতা নয়। অতীতে অনেকবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ সফর করেছেন। আমরা তখন বিরোধিতা করিনি। মোদীর আগমন বিরোধিতার কারণ, তার ইসলাম বিদ্বেষ।

মোদী এবং তার দল ভারতের মুসলমানদের ওপর জুলুম-নির্যাতন চালাচ্ছে। মসজিদ ভেঙ্গে মন্দির নির্মাণ করছে। কাশ্মীরে মুসলিম গণ-হত্যা ও জনগনের অধিকার হরণ করছে। এসব কারণেই আমরা মোদীর আগমনের বিরোধিতা করেছি। তবে সেই বিরোধিতা বক্তব্য ও বিবৃতি পর্যন্ত সীমাবদ্ধ ছিলো। হেফাজত মাঠের কোনও কর্মসূচী দেয়নি। বরং সংবাদ সম্মেলন করে হেফাজতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এই ইস্যুতে আমাদের কোনো কর্মসূচী নেই। বিশেষ করে ২৬ মার্চ দেশের কোথাও হেফাজতে ইসলামের কোনও কর্মসূচী ছিলো না।

হেফাজত মহাসচিব বলেন, কিন্তু ২৬ তারিখ জাতীয় মসজিদ বাইতুল মোকাররমে à