সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬ ।। ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২২ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
আল্লামা গহরপুরীকে নিয়ে এমপি এম এ মালেকের কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের নিন্দা সড়ক প্রশস্তকরণে ভারতে মসজিদ ভাঙন, ব্যাপক পুলিশি নিরাপত্তা ‘যুবশক্তিকে দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করতে কাজ করছে ১১০ প্রতিষ্ঠান’  কবর খুঁড়তে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নিহত ২, আহত ৬ হজের সফর শেষে স্বাস্থ্য সচেতনতায় করণীয় এক দিনে হাম ও উপসর্গে ৮ শিশুর মৃত্যু যুক্তরাষ্ট্র-মধ্যপ্রাচ্যসহ ইইউভুক্ত দেশগুলোতে খাদ্যপণ্য রফতানি হচ্ছে: বাণিজ্যমন্ত্রী যারা হিন্দু-মুসলিমদের মাঝে বিভেদ সৃষ্টি করছে, তারা চরমভাবে ব্যর্থ হবে: ইন্দ্রেশ কুমার ২০২৭ সালের হজের রোডম্যাপ প্রকাশ শিক্ষা কারিকুলামের পরিমার্জন চলমান, ২০২৮ সালে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা

মসজিদের জেনারেটরে জ্বালানী ভরার সময় অগ্নিদগ্ধ হয়ে খাদেমের মৃত্যু

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: নরসিংদীতে মসজিদের জেনারেটরে জ্বালানী ভরার সময় অগ্নিদগ্ধ হওয়ার ৬ দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মো. বাদল মিয়া (৪০) নামে মসজিদের এক খাদেমের মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজের শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। রোববার (৪ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে নরসিংদী সদর উপজেলার চিনিশপুরের সংগীতা এলাকার ওই মসজিদে জেনারেটরে জ্বালানী ভরার সময় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দগ্ধ হয়েছিলেন তিনি। অগ্নিকাণ্ডে তার পিঠসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে প্রায় ৭০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল বলে জানান তার পরিবারের লোকজন।

মো. বাদল মিয়া নরসিংদী সদর উপজেলার চিনিশপুর ইউনিয়নের সংগীতা এলাকার মৃত মো. হিরণ মিয়ার ছেলে। বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে তিনি কবিরাজি করতেন। পাশাপাশি তার নিজ এলাকার বাইতুল ইসলাম নামের ওই জামে মসজিদটির খাদেম ছিলেন।

স্থানীয় লোকজন ও নিহত ব্যক্তির স্বজনরা জানান, ঘটনার দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে চিনিশপুর ইউনিয়নের ঘোড়াদিয়া এলাকার কয়েকটি দোকানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা গিয়ে ওই আগুন নেভানোর সময় পুরো এলাকাটির বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেয়। ঘটনাস্থল থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে সংগীতার ওই মসজিদটির অবস্থান।

স্থানীয় মুসল্লিরা এশার নামাজ পড়তে যখন ওই মসজিদে আসতে শুরু করেন তখনও বিদ্যুত সরবরাহ বন্ধ ছিল। এসময় মসজিদটির খাদেম মো. বাদল মিয়া এক হাতে মোমবাতি নিয়ে অন্য হাতে জেনারেটরে ডিজেল ভরছিলেন। ওই সময় অসতর্কতাবশত মোমবাতির আগুন ওই ডিজেলে লেগে গেলে অগ্নিদগ্ধ হোন মো. বাদল মিয়া।

উপস্থিত লোকজন দ্রুত তাকে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানকার জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে রাজধানীর ঢাকা মেডিকেল কলেজের শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে পাঠান। সেখানেই ৬ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর আজ শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

নিহতের ছোটভাই শাহাদাৎ মিয়া জানান, বার্ন ইউনিটের চিকিৎসকরা আমাদের জানিয়েছিলেন ওই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তার শরীরের প্রায় ৭০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ধীরে ধীরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছিল। একবার ব্লিডিং হওয়ার পর থেকেই শরীরে পানির পরিমাণ কমতে শুরু করেছিল। আজ সকাল ৮টার দিকে তিনি মারা যাওয়ার পর সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে দুপুরে তার লাশ বাড়িতে আনা হয়। স্থানীয় গাবতলী মাদরাসায় জানাজা নামাজ শেষে বাদ আসর তার লাশ দাফন করা হয়।

এমডব্লিউ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ