কাউসার লাবীব।।
দাড়ি থাকার কারণে দেশের সমালোচিত রিটেইল ব্র্যান্ড আড়ংয়ে চাকরি পাননি এক যুবক। পরে আড়ং এক বিবৃতি দিয়ে ওই যুবকের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনাকে দুঃখজনক বলে উল্লেখ করেছে।
বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় বিবৃতি দুটি দেওয়া হয়েছে ব্র্যাক-আড়ংয়ের চিফ অপারেটিং অফিসার মোহাম্মদ আশরাফুল আলমের নামে।
বাংলা বিবৃতিতে লেখা হয়, ‘এটি নিঃসন্দেহে আমাদের মূল্যবোধের পরিপন্থী। আড়ং বয়স, বর্ণ, ধর্ম, লিঙ্গ, অক্ষমতা বা জাতিগত উৎস নির্বিশেষে সকলের জন্য মানবিক মর্যাদা এবং অন্তর্ভুক্তির অধিকারগুলো সমুন্নত রাখে। আমাদের নিয়োগের সিদ্ধান্তে ধর্মীয় বিশ্বাস ও পালনকে কখনই বিবেচনা করা হয় না।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘আমাদের ভবিষ্যতের ইন্টারভিউ বোর্ডগুলোর পরিচালনায় আমাদের মূল মূল্যবোধগুলোর প্রতিফল নিশ্চিত করতে আমরা নিবিড়ভাবে কাজ করব।’
তবে ইংরেজি ও বাংলা ভাষার বিবৃতি দুটির মধ্যে কিছু তথ্যের ভিন্নতা দেখা গেছে। ইংরেজি বিবৃতি বলা হয়, তারা ওই চাকরিপ্রার্থী যুবকের সঙ্গে যোগাযোগ করে তার কাছে দুঃখপ্রকাশ করেছেন। কিন্তু বাংলা বিবৃতিটিতে এর কোনো উল্লেখ ছিল না।
এদিকে আড়ংয়ের বিবৃতিতে সুস্পষ্টভাবে ক্ষমা চাওয়া হয়নি। তাই আড়ংয়ের পণ্য বর্জনের ডাক দিয়েছেন দেশের সর্বস্তরের ধর্মপ্রাণ মুসলমান।
প্রসঙ্গত, অনার্স সেকেন্ড ইয়ারের শিক্ষার্থী ইমরান হুসাইন ইমন। গাজিপুর থেকে আড়ং হেডঅফিস তেজগাঁও আসেন চাকরির জন্য। যোগ্যতায় সবকিছু ঠিকঠাক থাকলেও মুখের সুন্নতি দাড়ি আড়ংয়ে জবের জন্য বাধা হয়ে দাঁড়ায়। তারা পরিস্কার বলে দেন, ‘আড়ংয়ের রুলস হচ্ছে, সেইলম্যান হিসেবে জব করতে হলে আপনাকে ক্লিনসেভ করতে হবে৷’
কিন্তু সুন্নতি দাড়ি ক্লিনসেভ করে জব করার প্রতি মোটেও আগ্রহ নেই ইমরান হুসাইন ইমনের। অতঃপর তিনি বের হয়ে পড়েন অফিস থেকে। বাড়ি ফেরার আগে তেজগাঁও অফিসের ঠিক অপজিটে রাস্তায় দাড়িয়ে একটি ভিডিও বার্তায় এমন আচরণ আর নিয়মের জন্য হতাশা প্রকাশ করেন।
ভাইরাল ভিডিওতে তিনি বলেন- আপনারা তো জানেন আলহামদুলিল্লাহ রমজন আসতেছে। আর রমজান উপলক্ষে প্রতিটা ক্লোথিং ব্রাণ্ডের এবং অন্যান্য ব্রাণ্ডগুলাতে সেলম্যান নিয়োগ করা হয়। আমি এক সপ্তাহ আগে বিভিন্ন জায়গায় এপ্লাই করেছিলাম। ফ্যামেলিকে সাপোর্ট করা বা বসে না থাকা এসব উদ্দেশ্যে। অনেকগুলো জায়গায় এপ্লাই করেছি। একটা সিভির পিছনে আমার অনেক সময় খরচ হয়েছিল। ফাইনালি আমি আড়ংয়