সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
বিদেশি আলেমদের বাংলাদেশ সফর নিয়ে দুটি কথা রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হলো ‘ইসলামিক সোশ্যাল ফাইন্যান্স মিট-আপ ২০২৬’ ময়মনসিংহের শীর্ষ আলেমদের সঙ্গে এমপি মুফতি মোহাম্মদুল্লাহর সৌজন্য সাক্ষাৎ ‘সন্ত্রাস-চাঁদাবাজ নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হলে সরকারের বিরুদ্ধে গণক্ষোভ বিস্ফোরিত হবে’ পরিবারিক শান্তি ও নিরাপদ দাম্পত্য নিয়ে ইনসাফ ফাউন্ডেশনের প্রশিক্ষণ কর্মশালা  ইলিশের প্রজনন রক্ষায় জেলেদের নৌকা-জাল জমা নেওয়ার প্রস্তাব দ্রুত বাড়ছে তিস্তার পানি, ভাঙন আতঙ্কে ৯ গ্রামের মানুষ সিলেটে মাইকিং করে সংঘর্ষে জড়ালেন দুই গ্রামের বাসিন্দারা, আহত ৩০ সুন্দরবনে ১৫ জন অপহরণের ঘটনায় আতঙ্কে জেলে-মহাজন বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে মা-ছেলের মৃত্যু 

সরকারের জনপ্রিয়তা মোটেও নেই: নজরুল ইসলাম খান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: সরকারের জনপ্রিয়তা নেই। তাই তারা ভোটার, রাজনৈতিক দল ও জনগণকে ভয় পায় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ২০দলীয় জোটের সমন্বয়ক নজরুল ইসলাম খান।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১টায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নসরুল হামিদ মিলনায়তনে ২০ দলীয় জোটের শরীক জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ এর মহাসচিব আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী ও মুসলিম লীগের সভাপতি এএইচএম কামরুজ্জামান খানের স্মরণসভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

নজরুল ইসলাম খান বলেন, সরকার জানে অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন হলে তারা মোটেও জিততে পারবে না। এটা আমাদের কথা না। তাদের নেতারাই বলছেন, পালানোর জায়গা পাবে না, ইত্যাদি ইত্যাদি। এটাই বাস্তবতা। এজন্যই তারা জনগণকে ভোট দেয়ার সুযোগ দেয় না। কারণ তাদের জনপ্রিয়তা নেই। ফলে তারা ভোটার, রাজনৈতিক দল ও জনগণকে ভয় পায়।

নজরুল ইসলাম খান বলেন, আমরা অনেক আশা নিয়ে ত্যাগ স্বীকার করে মুক্তিযুদ্ধ করেছি। এ বছর আমরা সুবর্ণজয়ন্তী পালন করবো। অথচ মুক্তিযুদ্ধের যে সুবর্ণ ফসল গণতন্ত্র, সেই গণতন্ত্র আজ নেই। কারণ গণতন্ত্রের বাহন হলো নির্বাচন। নির্বাচন যদি সঠিক না হয়, তাহলে গণতন্ত্র থাকে না।

তিনি বলেন, আমরা সবাই জানি একবার হলো প্রার্থীহীন নির্বাচন। যেখানে তিন শ’র মধ্যে ১৫৩টি আসনে কোনো প্রার্থী ছিল না। আর একবার হলো আগের রাতে নির্বাচন। কেন এটা হলো। কেন একটা রাজনৈতিক দল জেতার জন্য কোনো বিশেষ বাহিনীর ওপর নির্ভর করে? কিংবা অন্যদের প্রার্থী হতে দেয় না। কিংবা ভোটার যাতে ভোট দিতে কেন্দ্রে যেতে না পারে তার চেষ্টা করে। কারণ তারা জানে জনগণ ভোট দিলে তারা মোটেই জিততে পারবে না।

নজরুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে ও বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরানের সঞ্চালনায় স্মরণসভায় আরো বক্তব্য দেন, জামায়াতে ইসলামী সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পারওয়ার, জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল অব. সৈয়দ মুহম্মদ ইবরাহিম বীর প্রতীক, জাগপা সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার লুৎফর রহমান, এনপিপির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, বাংলাদেশ জাতীয় দলের সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ এহসানুল হুদা, ন্যাপ ভাসানীর সভাপতি অ্যাডভোকেট আজহারুল ইসলাম, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব অধ্যাপক ড. আহমেদ আব্দুল কাদের, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ এর কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা গোলাম মহিউদ্দীন ইকরাম ও অর্থসম্পাদক মুফতি মুনির হোসাইন কাসেমী প্রমুখ।

এমডব্লিউ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ