সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬ ।। ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২২ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
কবর খুঁড়তে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নিহত ২, আহত ৬ হজের সফর শেষে স্বাস্থ্য সচেতনতায় করণীয় এক দিনে হাম ও উপসর্গে ৮ শিশুর মৃত্যু যুক্তরাষ্ট্র-মধ্যপ্রাচ্যসহ ইইউভুক্ত দেশগুলোতে খাদ্যপণ্য রফতানি হচ্ছে: বাণিজ্যমন্ত্রী যারা হিন্দু-মুসলিমদের মাঝে বিভেদ সৃষ্টি করছে, তারা চরমভাবে ব্যর্থ হবে: ইন্দ্রেশ কুমার ২০২৭ সালের হজের রোডম্যাপ প্রকাশ শিক্ষা কারিকুলামের পরিমার্জন চলমান, ২০২৮ সালে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা চলতি মাসেই দেওয়া হবে এইচএসসির প্রবেশপত্র, কোন জেলায় কবে ‘মেঘনার পানি ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে সরবরাহ হবে’  ‘বাজেট বাস্তবায়নে ছলচাতুরি ও অপচয়ের অধিকার জনগণ কাউকে দেয়নি’

কওমি মাদরাসায় জাতীয় সঙ্গীত গাইতে বলতে পারে না কুষ্টিয়া প্রশাসন: মাওলানা মামুনুল হক

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: কওমি মাদরাসায় জাতীয় সঙ্গীত গাইতে বলার অধিকার কুষ্টিয়া প্রশাসনের নেই বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস এর মহাসচিব মাওলানা মুহাম্মদ মামুনুল হক। এক প্রশ্নের জবাবে এ মন্তব্য করেন তিনি।

গত ৮ জানুয়ারি (শনিবার) নিজের ভেরিফাই ফেসবুক লাইভের নিয়মিত অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’য় এ মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, জাতীয় সঙ্গীত একটি দেশের গুরুত্ত্বপূর্ণ একটি মৌলিক বিষয়। যার রাষ্ট্রের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধা রয়েছে। সেখানে জাতীয় সঙ্গীতের প্রতি শ্রদ্ধা না রাখার কোনো অবকাশ নেই। তবে জাতীয় সঙ্গীত কোথায়, কখন বলতে হবে সে বিষয়ে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্টভাবে বলা রয়েছে। কোন্ ধরনের প্রতিষ্ঠানে কখন পড়তে হবে। কতক্ষণ পড়তে হবে সে ধরনের নির্দেশ কোনো ব্যক্তিবিশেষ, কোনো জনপ্রতিনিধি বা আইন প্রয়োগকারী কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত নির্দেশনার বিষয় অবশ্যই নয়। বরং এটি একটি রাষ্ট্রীয় বিষয়। রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে যে ধরনের বিধিবিধান রয়েছে, যতটুকু রয়েছে ততটুকু পালন করাটা জরুরি। এর বাইরে কোনো ব্যক্তি স্বেচ্ছায় নিজের পক্ষ থেকে কোনো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে নিজস্ব কোনো ইচ্ছা চাপিয়ে দেয়ার অধিকার সংরক্ষণ করেন না।

তিনি আরও বলেন, জাতীয় সঙ্গীত কওমি মাদরাসায় পড়া হবে কি হবে না। এটি অবশ্যই কুষ্টিয়ার স্থানীয় কোনো বিষয় নয়। স্থানীয় কোনো জনপ্রতিনিধি কিংবা স্থানীয় কোনো প্রশাসনের ইখতিয়ারাধীন কোনো বিষয়ও নয়। বরং এটি একটি জাতীয় ও রাষ্ট্রীয় বিষয়।

বাংলাদেশে কওমি মাদরাসাগুলো রাষ্ট্রীয় অথরিটি রয়েছে। আল হাইয়াতুল উলইয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়া বাংলাদেশ। সেখানে দায়িত্বশীল ও নেতৃবৃন্দ রয়েছেন। যারা রাষ্ট্রের সকল বিষয়ে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ অথরিটি ও কর্তৃপক্ষের সাথে, সরকারপ্রধান থেকে নিয়ে গুরুত্ত্বপূর্ণ সকল ব্যক্তিবর্গের সাথে যোগাযোগের মাধ্যমে সকল বিষয় সম্পন্ন করে থাকেন। অতএব এ বিষয়ে কারো কিছু বলতে হলে অবশ্যই কওমি মাদরাসার সর্বোচ্চ অথরিটি রাষ্ট্র স্বীকৃত সর্বোচ্চ অথরিটি এবং তাদের যে নেতৃবৃন্দ রয়েছেন তাদের সাথেই কথা বলতে হবে। এটাই তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য।

এমডব্লিউ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ