শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬ ।। ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
উগ্রবাদীদের টার্গেটে দারুল উলুম দেওবন্দ বিমানবন্দরে অজুর জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করছে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস লন্ডন মহানগরীর দিনব্যাপী শিক্ষা সফর আজকের জুমায় হারামাইনের খতিব যে দুই শায়খ ভারতের স্বাধীনতা দিবসে দারুল উলুম দেওবন্দে ছুটি, নানা আয়োজন বেফাকের ৫০তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষা থেকে কার্যক্রম অনলাইনে ‘রাষ্ট্রের সব ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর হাতে কেন্দ্রীভূত থাকা ঝুঁকিপূর্ণ’ ইসলাম গ্রহণের ৫ মাসে কোরআন মুখস্ত করে মক্কার আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় বুরুন্ডির নওমুসলিম বিনত্রা হাসিনার রাজনীতিতে ফেরার ইচ্ছা ‘মামার বাড়ির আবদার’: রিজভী মাদ্রাসাছাত্রের তেল-গ্যাস ছাড়া মাধ্যাকর্ষণ শক্তি দিয়ে বিদ্যুৎ আবিষ্কার

২০২০ সালে ধর্ষণের শিকার ৬২৬ শিশু: এমজেএফ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর মাসের মধ্যে ধর্ষণের শিকার হয়েছে ৬২৬টি শিশু। এ তথ্য জানিয়েছে মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন (এমজেএফ)।

গতকাল শনিবার (৯ জানুয়ারি) সকালে এক অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে ‘বাংলাদেশ শিশু পরিস্থিতি ২০২০’ শিরোনামে শিশু অধিকার-বিষয়ক সংবাদের আধেয়-বিশ্লেষণ থেকে প্রাপ্ত তথ্য উপস্থাপন করে এমজেএফ।

এতে দেখা যায়, গতবছর ধর্ষণ, ধর্ষণচেষ্টা, হত্যা, অপহরণ, নিখোঁজ ও নির্যাতনের শিকার হয়ে মারা গেছে ১৪৫ শিশু। করোনাকালীন গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করার সময় ৭ জন মেয়ে নির্যাতনের শিকার হয়, যাদের মধ্যে তিন জন মারা যায়।

পরিসংখ্যানে আরও উঠে এসেছে, আলোচ্য সময়ে বিভিন্ন দুর্ঘটনায় ১৯২ শিশু নিহত হয়েছে, যার মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় ১৫৮ শিশু প্রাণ হারিয়েছে ও পানিতে ডুবে মারা গেছে ১৬৫ শিশু।

দেশের পাঁচটি জাতীয় বাংলা দৈনিক- প্রথম আলো, যুগান্তর, সমকাল, ইত্তেফাক, কালের কণ্ঠ এবং তিনটি জাতীয় ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টার, নিউ এজ এবং ঢাকা ট্রিবিউনে প্রকাশিত শিশু অধিকার বিষয়ক সংবাদ পর্যালোচনা করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানায় এমজেএফ।

সংস্থাটির পর্যালোচনা অনুযায়ী অবনতিশীল শিশু অধিকার পরিস্থিতি থেকে এটি সুস্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয় যে বাংলাদেশের শিশুরা তাদের ঘরেই নিরাপদ নয়, কারণ অধিকাংশ শিশু-ধর্ষণ পারিবারিক পরিমণ্ডলে পরিচিতদের মাধ্যমেই সংঘটিত হয়েছে।

২০২০ সালে ১৩ থেকে ১৮ বছর বয়সী শিশুরাই ধর্ষণের শিকার হয়েছে বেশি। এরপর রয়েছে ৭ থেকে ১২ বছর বয়সী শিশু। শিশুদের চকলেট বা খাবারের লোভ দেখিয়ে, ভয় দেখিয়ে, মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে এবং ঘরে একা পেয়ে ধর্ষণ করা হয়েছে। এমনকি করোনাকালীন সময়ে ত্রাণ দেয়ার কথা বলেও ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে।

এছাড়াও ২০২০ সালে হত্যা ও হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে ১৪৫ শিশুকে। ১৩ থেকে ১৮ বছরের শিশুরাই বেশি হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদে হত্যার কারণ হিসেবে পারিবারিক কলহ, সম্পদ বন্টণজনিত জটিলতা, প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখান, মেয়ে হয়ে জন্মানো, অন্যায়ের প্রতিবাদ, মানসিক চাপ এবং ধর্ষণে ব্যর্থ হওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে বলে জানায় এমজেএফ।

এমজেএফের বিশ্লেষণে ২০২০ সালে ১২ ধরনের ইতিবাচকের সংবাদের সংখ্যা ৩৩০টি এবং ২৬ ধরনের নেতিবাচক ঘটনায় ১৩৬১টি সংবাদ প্রকাশ হয়েছে।

সম্মেলনে ‘বাংলাদেশ শিশু পরিস্থিতি ২০২০’ এর সার্বিকচিত্র উপস্থাপন করেন এমজেএফের শিশু সুরক্ষা বিভাগের সমন্বয়ক রাফেজা শাহীন।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ