মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক পর্যটক গ্রহণকারী শহরগুলোর তালিকায় মক্কা পঞ্চম, মদিনা সপ্তম লেবাননে ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র ও ফসফরাস বোমা হামলা গুম প্রতিরোধ আইন মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফরিদপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুলছাত্রসহ নিহত ২ ড. ইউনূসকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে চায় না জমিয়ত যমুনায় গোসল করতে নেমে নিখোঁজ ২ স্কুলছাত্র ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল জালেমের বিরুদ্ধে মজলুমের ন্যায়সংগত সংগ্রাম’ চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত ৩ উপজেলা সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী এবার দক্ষ ইসলামি গবেষক তৈরির উদ্যোগ আস-সুন্নাহর, দিনব্যাপী কর্মশালা ২২ আগস্ট দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ

মাংস থেকে ‘হালাল’ শব্দ বাদ ভারতের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: গরু-মহিষসহ সব ধরনের প্রক্রিয়াজাত রেড মিট ম্যানুয়াল থেকে হালাল শব্দটি বাদ দিয়েছে ভারত। কয়েকটি হিন্দু সংগঠন অভিযোগ করেছে, হালাল শব্দটি মুসলমান রপ্তানিকারকদের ব্যবসায়ে অবৈধ সুবিধে দিচ্ছে। এরই পরিপ্রেক্ষীতে ওই শব্দটি সরিয়ে দেয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।

ভারতের এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড প্রসেসড ফুড প্রডাক্টস এক্সপোর্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (এপিইডিএ) এ সংক্রান্ত নির্দেশনা বাস্তবায়নে ম্যানুয়েলে পরিবর্তন এনেছে। তাদের পরিবর্তিত সংস্করণে বলা হয়েছে, আমদানিকারী দেশ বা আমদানিকারীর চাহিদা মেনে পশুদের জবাই করা হয়েছে। আগের সংস্করণে লেখা ছিল, ইসলামিক দেশগুলোর চাহিদায় কঠোরভাবে মেনে পশুদের হালাল পদ্ধতিতে জবাই করা হয়েছে।

হালাল নিয়ে হিন্দু সংগঠনগুলো বেশ কিছুদিন ধরে সরব হয়েছে। অনেকে অভিযোগ করেছেন, এপিইডিএ’র ম্যানুয়েলে হালাল শব্দের ব্যবহারের অর্থ, আমদানিকারীদের শুধু হালাল সার্টিফিকেট পাওয়া মাংস নিতে বাধ্য করা। এর ফলে স্থানীয় ব্যবসায়ী ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে তাদের বক্তব্য।

তাদের বক্তব্য, শুধু পশ্চিম এশিয়ার ইসলামি দেশগুলোতে নয়, চীনেও মাংস রপ্তানি করে ভারত। সেখানে হালাল সার্টিফিকেট জরুরি নয়। শ্রীলঙ্কাতেও মাংস সরবরাহ করে ভারত। সেখানেও হালাল সার্টিফিকেশন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এরপরও আমদানির জন্য মাংসের সঙ্গে হালাল শব্দের ব্যবহার প্রয়োজন নেই।

-কেএল


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ