সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬ ।। ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২২ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
কবর খুঁড়তে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নিহত ২, আহত ৬ হজের সফর শেষে স্বাস্থ্য সচেতনতায় করণীয় এক দিনে হাম ও উপসর্গে ৮ শিশুর মৃত্যু যুক্তরাষ্ট্র-মধ্যপ্রাচ্যসহ ইইউভুক্ত দেশগুলোতে খাদ্যপণ্য রফতানি হচ্ছে: বাণিজ্যমন্ত্রী যারা হিন্দু-মুসলিমদের মাঝে বিভেদ সৃষ্টি করছে, তারা চরমভাবে ব্যর্থ হবে: ইন্দ্রেশ কুমার ২০২৭ সালের হজের রোডম্যাপ প্রকাশ শিক্ষা কারিকুলামের পরিমার্জন চলমান, ২০২৮ সালে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা চলতি মাসেই দেওয়া হবে এইচএসসির প্রবেশপত্র, কোন জেলায় কবে ‘মেঘনার পানি ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে সরবরাহ হবে’  ‘বাজেট বাস্তবায়নে ছলচাতুরি ও অপচয়ের অধিকার জনগণ কাউকে দেয়নি’

কওমি মাদরাসায় যারা হামলা করবে, তাদের হাত ভেঙ্গে দিব: আল্লামা বাবুনগরী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: চট্টগ্রাম ফটিকছড়ির মাইজভাণ্ডারস্থ মান্নানিয়া পশ্চিম নানুপুর দারুসসালাম ঈদগাহ মাদ্রাসার নির্মাণ কেন্দ্র করে ভাঙচুর ও তৌহিদি জনতার ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনায় ক্ষোভ এবং প্রতিবাদ জানিয়ে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির, হাটহাজারী মাদরাসার শিক্ষা পরিচালক আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী বলেছেন কওমি মাদরাসায় যারা হামলা করবে, তাদের হাত ভেঙে দিব

আজ মঙ্গলবার দুপুরে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ প্রতিবাদ জানান।

আল্লামা বাবুনগরী বলেন, চিহ্নিত সন্ত্রাসীগোষ্ঠী দারুসসালাম ঈদগাহ মাদ্রাসার নির্মাণ কেন্দ্র করে ভাঙচুর চালিয়ে এবং তৌহিদি জনতার ওপর গুলিবর্ষণ করে ফটিকছড়ির শান্ত পরিবেশকে অশান্ত করছে। এভাবে দিনদুপুরে তৌহিদি জনতার ওপর গুলিবর্ষণ ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে হামলা করে রক্তাক্ত করার ঘটনা চরম উদ্বেগজনক। অনতিবিলম্বে এই সন্ত্রাসী হামলার নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে এমনটি জানিয়েছেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, এ দেশের জনগণ মাদ্রাসা ও আলেমপ্রিয়। দ্বীন ইসলামের সংরক্ষণে কওমি মাদ্রাসা ও ওলামায়ে কওমিয়ার অবদান অনস্বীকার্য। দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কওমি মাদ্রাসা অনেক অবদান রয়েছে। যারা কওমি মাদ্রাসায় হামলা করে দেশে অরাজকতা সৃষ্টি করতে চায় এ দেশের তৌহিদি জনতা তাদের কালো হাত ভেঙে দেবে।

হতাহতদের চিকিৎসা ও ক্ষতিপূরণ দাবি করে বাবুনগরী বলেন, ওই মাদ্রাসার ছাত্র-শিক্ষকের কোনো প্রকারের দোষ না থাকা সত্ত্বেও সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে মাদ্রাসায় ভাঙচুর ও হামলার ঘটনা ঘটানো হয়েছে। মাদ্রাসায় এহেন সন্ত্রাসী হামলা কখনও মেনে নেয়া যায় না। এ ঘটনায় যারা হতাহত হয়েছে, তাদের সুচিকিৎসার ব্যবস্থা এবং ক্ষতিগ্রস্ত মাদ্রাসাকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

তা ছাড়া আগামীতে যাতে সন্ত্রাসীরা মাদরাসায় হামলা এবং আলেমদের নিয়ে বিষোদগার করে ফটিকছড়ির শান্তিশৃঙ্খলা বিনষ্ট করতে না পারে, সে ব্যাপারে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ