মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক পর্যটক গ্রহণকারী শহরগুলোর তালিকায় মক্কা পঞ্চম, মদিনা সপ্তম লেবাননে ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র ও ফসফরাস বোমা হামলা গুম প্রতিরোধ আইন মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফরিদপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুলছাত্রসহ নিহত ২ ড. ইউনূসকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে চায় না জমিয়ত যমুনায় গোসল করতে নেমে নিখোঁজ ২ স্কুলছাত্র ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল জালেমের বিরুদ্ধে মজলুমের ন্যায়সংগত সংগ্রাম’ চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত ৩ উপজেলা সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী এবার দক্ষ ইসলামি গবেষক তৈরির উদ্যোগ আস-সুন্নাহর, দিনব্যাপী কর্মশালা ২২ আগস্ট দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ

হৃদয়ে ঝড় তোলা একটি স্থিরচিত্র ও কিছু কথা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

কাউসার লাবীব।।
সাব-এডিটর

সম্প্রতি স্যোশাল মিডিয়ায় একটি স্থিরচিত্র ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। হৃদয়ে নাড়া দিচ্ছে মানুষের। কর্মমূখর হতে কিছুটা হলেও উৎসাহিত করছে।

স্থিরচিত্রে দেখা যায়, ‘এক প্রতিবন্ধী যুবক। পা দু’টো অকেজু। হাতও ঠিক মতো কাজ করে না। তবুও মাথায় সবজির বোঝা। পথে হামগুড়ি দিচ্ছেন। খুঁজে ফিরছেন একজন গ্রাহক; যার অসিলায় চলবে সে ও তার স্বপ্নের পরিবার। রঙিন করে তোলবেন নিজের শাদাকালো জীবন।’ এটাই তো ইসলামের শাশ্বত শিক্ষা। অকৃত্রিম নির্দেশ।

প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দারিদ্র্য দূরীকরণে মানুষকে কর্মের প্রতি উৎসাহ প্রদান করেছেনে। ক্ষুধার যন্ত্রণা ও অভাব থেকে বেঁচে থাকতে কার্মমূখী হওয়ার উপদেশ ও উৎসাহ প্রদান করেছেন। বলেছেন কর্মমূখর জীবনের কথা। সে পথে হাঁটতে বলেছেন। পথ দেখিয়েছেন। কখনো নিজে ধরে তাকে সে পথের সন্ধান দিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে প্রিয় নবীর একটি হাদিস আলোকে কবিতা রচনা করেন মুসলিম কবি শেখ হাবিবুর রহমান। ‘নবীর শিক্ষা’ কবিতায় তিনি ছন্দে ছন্দে বলেন-

তিন দিন হতে খাইতে না পাই, নাই কিছু মোর ঘরে,
দারা পরিবার বাড়িতে আমার উপোস করিয়া মরে।

নাহি পাই কাজ, তাই ত্যাজি লাজ বেড়াই ভিক্ষা করি,
হে দয়াল নবী, দাও কিছু মোরে নহিলে পরাণে মরি।'

আরবের নবী, করুণার ছবি ভিখারির পানে চাহি,
কোমল কণ্ঠে কহিল, ‘তোমার ঘরে কি কিছুই নাহি?'

বলিল সে, 'আছে শুধু মোর কম্বল একখানি।'
কহিল রসুল, 'এক্ষণি গিয়া দাও তাহা মোরে আনি।'

সম্বল তার কম্বলখানি বেচিয়া তাহার করে,
অর্ধেক দাম দিলেন রসুল খাদ্য কেনার তরে,

বাকি টাকা দিয়া কিনিয়া কুঠার, হাতল লাগায়ে নিজে,
কহিলেন, 'যাও কাঠ কেটে খাও, দেখ খোদা করে কি-যে।'

সেদিন হইতে শ্রম সাধনায় ঢালিল ভিখারি প্রাণ,
বনের কাষ্ঠ বাজারে বেচিয়া দিন করে গুজরান।

অভাব তাহার রহিল না আর, হইল সে সুখী ভবে,
নবীর শিক্ষা ক'রো না ভিক্ষা, মেহনত কর সবে।

কর্মমূখর যুবক মরে যাবে তবুও ভিক্ষা করবে না। তার এ অভিপ্রায়কে শ্রদ্ধা জানাই। আল্লাহ তার রুজিতে বরকত দিকে। রঙিন হয়ে উঠুক তার শাদা কালো জীবন। ভালবাসা ফিরে পাক তার জীবনের প্রতিটি অধ্যায়।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ