শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬ ।। ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
কক্সবাজারের আবাসিক হোটেল থেকে পুলিশের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার  কুরআন-হাদিসের আলোকে জামাতের গুরুত্ব গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের ইস্যুতে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে বিরোধীদলীয় নেতার চিঠি বাংলাদেশ ধ্বংসস্তূপের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে: বিদ্যুৎমন্ত্রী  দাওয়াতি কার্যক্রম গতিশীল ও সুসংগঠিত করার ওপর গুরুত্বারোপ সিলেটে ৩ হত্যাকাণ্ডে নিহত স্বামী-স্ত্রীর দাফন সম্পন্ন হাফেজে কুরআনদের উৎসাহিত করতে মালদ্বীপ সরকারের নানা উদ্যোগ ১৫ আগস্ট কেন্দ্র করে ডিএমপির নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা আগামীকালের জাতীয় উলামা-মাশায়েখ সম্মেলন সফল করার আহ্বান জুলাই শহীদদের স্মরণে রংপুরে শায়খে চরমোনাইয়ের দোয়া ও ইসলাহি ইজতেমা

নারীদের প্রকাশ্যে ধুমপান! বেহায়াপনার চূড়ান্ত সীমা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

খাদিজা ইসলাম ।।

ধুমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। ছেলে-মেয়ে উভয়ের জন্যই। নারীরা প্রকাশ্যে ধুমপান করলে মানুষ বাঁকা চোখে দেখে। পুরুষের বেলায় এমন হয় না। অথচ এ নেশাটা পুরুষ-নারী সবার জন্য সমানভাবে নিষিদ্ধ। কাউকে উস্কিয়ে কাউকে সমর্থন দিয়ে এ সমাজ ধ্বংসের মূল হোতা। ধুমপান কখনোই দুঃখ কষ্ট কমিয়ে দিতে পারেনা। বাজে এ নেশা তরুণ, তরুণীর রঙ্গিন জীবন অঙ্কুরেই বিনষ্ট করে দিচ্ছে। আজকে রাস্তা ঘাটে পুরুষের সঙ্গে সঙ্গে নারীরাও পাল্লা দিয়ে ধুমপান করছে। এটা সামাজিক অবক্ষয় আর বেহায়াপনার চূড়ান্ত সীমা বলে মনে করি।

প্রকাশ্যে নারীদের ধুমপান এ যেন বাঙ্গালী মেয়েদের সংস্কৃতির সাথে যায়না। বহুদিন যাবৎ পুরুষতান্ত্রিক সমাজের সাথেই যেন ধুমপান শোভা পায়। নারীদের রাস্তাঘাটে ধুমপান এ পুরুষদের দেখেই শেখা। নারীদের ধুমপান করা দেখে মাথায় আসমান ভেঙে পড়ে এ সমাজের। ছিঃছিঃ পড়ে যায় চারদিকে। আমি চাই নারী পুরুষ উভয়েই ধুমপান থেকে বিরত থাকুক। কোন পক্ষপাতিত্ব চাই না। এমনটায় বলেছেন সমাজ সেবিকা রুনা।

রাণী সরকার (শিক্ষিকা) তিনি তার বিবৃতিতে বলেন, প্রকাশ্যে কিংবা গোপনে যেভাবেই হোক ধুমপান ছেলেমেয়ে উভয়ের জন্যই ক্ষতিকর। কে বেশি দায়ী এগুলা বিবেচনার বিষয় না। আসল কথা হলো তাদের কে এ নেশা থেকে ফিরিয়ে আনা।

ধুমপান পুরুষের জন্য স্বাভাবিক! আর নারীর বেলায় লঘুচাপে গুরুদণ্ড এটা কখনোই কাম্য নয়। পুরুষ নষ্ট হচ্ছে বলে নারীকে নষ্ট হতে হবে এ কেমন কথা। নারীর সৌন্দর্য নারীত্বেই বিদ্যমান। সকল ধুমপায়ীকে আইনের আওতায় আনা সময়ের দাবী। এমনটাই বলেছেন ব্যবসায়ী ও শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ ফাহাদ জাকির।

হোমিও ডাক্তার মিসেস সুমনা বলেন- আমি আমার জায়গা থেকে বরাবরই ধুমপান ঘৃণা করি। তবে এ সমাজ মেয়েদের নিয়েই বেশিই মাথাব্যাথা। আমরা বুঝতে চাই না ধুমপানটা উভয়ের জন্যই ক্ষতিকর। উভয়কেই ফিরিয়ে আনতে হবে এ ভয়াল নেশা থেকে।

মাঝেমধ্যে ধুমপান করে এমন একজন ভার্সিটি পড়ুয়া তরুণীর (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) সাথে কথা বলে জানা যায় ধুমপানটা মারাত্মক ভাবে ডিপ্রেশনে চলে গেলে করি, প্রথম ধুমপানটা বাবার থেকেই দেখে কৌতুহল বশে শেখা। স্মার্ট নেসের জন্য মেয়েরা কখনো ধুমপান করেনা। আমি মনে করি পরিবারের মানুষ সচেতন হলে এ নেশা কাউকে ধরতে পারবেনা।

সর্বোপরি পারিবারিক সচেতনতা, ধর্মীয় শিক্ষা, রাষ্টীয় আইনের প্রয়োগের মাধ্যমে জাতিকে এ হেন সমস্যা থেকে মুক্তি দেওয়া সম্ভব।

লেখক: শিক্ষার্থী, সরকারী তিতুমীর কলেজ, সম্মান ২য় বর্ষ বাংলা।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ