শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২১ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
গাড়ির ক্ষতির খবরেও হাসিমুখে কাশ্মীরি যুবক, বললেন ‘আল্লাহর ইচ্ছা’ কাল আসছে রূপপুরের পারমাণবিক জ্বালানি, পৌঁছাবে শনিবার সেপ্টেম্বরে ৩৪ হাজার কোটি টাকার প্রবাসী আয় দেশে দেশে ভূমিকম্প অনুভূত, উৎপত্তিস্থল ও সময় জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর হাফপ্যান্ট পরায় মিলল না সাড়া, প্রতিবাদে এলেন মাত্র ৩ জন! শিবপুরে বিকেএমের সদস্য প্রশিক্ষণ মজলিস অনুষ্ঠিত অক্টোবর মাসকে ‘বায়তুল মাল মাস’ ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের আস-সুন্নাহর সহায়তায় নওমুসলিম আব্দুর রহমান এখন ছয়জনের কর্মসংস্থানের উদ্যোক্তা জাতীয় তাফসির প্রতিযোগিতায় ব্যাপক সাড়া, ১০ অক্টোবর ৮ বিভাগে লিখিত পরীক্ষা আল-আকসায় ১০ হাজারের বেশি ইসরায়েলির তাণ্ডব

স্কুলছাত্রী ধর্ষণ মামলায় ইউপি সদস্য রিমান্ডে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: বগুড়ার ধুনট উপজেলায় এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণের পর প্রায় আড়াই মাস ধরে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ওই অভিযোগে দায়ের করা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য ফজলুল হক বাবুকে (৪৫) দু’দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।

আজ রোববার দুপুরে পুলিশ ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করে তাকে আদালতে পাঠানো হয়। পরে আদালত তার দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে শনিবার সন্ধ্যায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে বগুড়া শহর থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

বাবু উপজেলার গোপালনগর ইউনিয়নের চার নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য। তিনি দেউড়িয়া গ্রামের সামসুল হকের ছেলে। জানা যায়, ওই স্কুলছাত্রী উপজেলার দেউড়িয়া গ্রামের এক কৃষকের মেয়ে। তিনি গোপালনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী।

ঘটনার দিন সকালে ওই ছাত্রী তার নানার বাড়িতে যাওয়ার উদ্দেশে বের হন। পরে স্কুলছাত্রীকে ইউপি সদস্য ফজলুল হক বাবুর সহযোগিতায় রাস্তা থেকে অপহরণ করেন একই গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে মাসুদ রানা।

এ ঘটনায় স্কুলছাত্রীর মা ইউপি সদস্য বাবু ও মাসুদসহ মোট সাতজনকে আসামি করে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পরে গত ২৫ সেপ্টেম্বর ওই ছাত্রীকে সিরাজগঞ্জের চান্দাইকোনা বাজার এলাকা থেকে তার স্বজনরা উদ্ধার করে। উদ্ধারের পর ওই কিশোরীর ডাক্তারি পরীক্ষায় ধর্ষণের প্রমাণ পাওয়া যায়।

মামলার বাদি জানান, ইউপি সদস্য ফজলুল হক বাবু থানার তদন্ত কর্মকর্তার যোগসাজশে সালিশের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেন। তাতে রাজি না হওয়ায় ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রীর পরিবারকে চার মাস ধরে সমাজচ্যুত করে রেখেছেন। অপহরণের পর প্রায় আড়াই মাস ধরে আটকে রেখে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন ইউপি সদস্য ফজলুল হক বাবুসহ দু’জন।

ধুনট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কৃপা সিন্ধু বালা এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, কোনো জায়গায় আটকে রেখে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করা হয়েছে। ওই জায়গার নাম ও মামলার প্রধান আসামির অবস্থান জানার জন্য ফজুলল হক বাবুকে রিমান্ডে নেয়া হয়েছে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ