শনিবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৩ মাঘ ১৪৩২ ।। ২৮ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
কুমিল্লার ১১টি আসনে নির্বাচনের ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের সন্ধ্যায় জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে এনসিপি ‘ইসলামী আন্দোলন চলে গেলেও ভোটের মাঠে তেমন প্রভাব পড়বে না’ গণভোটের ফটোকার্ড শেয়ার করলেন প্রধান উপদেষ্টা জনগণের প্রত্যাশিত শক্তিশালী গণতন্ত্রকে ফেরাবই : সালাহউদ্দিন আহমেদ টিকে গেলেন হাসনাত, বাদ পড়লেন ধানের শীষের প্রার্থী ভালো নির্বাচন না হলে ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে: দুদু নারায়ণগঞ্জের ৫ আসনে হাতপাখা প্রতীকে লড়ছেন যারা চান্দিনায় খেলাফত মজলিসের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মতবিনিময় সভা ‘ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগ দেওয়ার সংবাদ হীন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’

স্কুলছাত্রী ধর্ষণ মামলায় ইউপি সদস্য রিমান্ডে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: বগুড়ার ধুনট উপজেলায় এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণের পর প্রায় আড়াই মাস ধরে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ওই অভিযোগে দায়ের করা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য ফজলুল হক বাবুকে (৪৫) দু’দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।

আজ রোববার দুপুরে পুলিশ ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করে তাকে আদালতে পাঠানো হয়। পরে আদালত তার দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে শনিবার সন্ধ্যায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে বগুড়া শহর থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

বাবু উপজেলার গোপালনগর ইউনিয়নের চার নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য। তিনি দেউড়িয়া গ্রামের সামসুল হকের ছেলে। জানা যায়, ওই স্কুলছাত্রী উপজেলার দেউড়িয়া গ্রামের এক কৃষকের মেয়ে। তিনি গোপালনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী।

ঘটনার দিন সকালে ওই ছাত্রী তার নানার বাড়িতে যাওয়ার উদ্দেশে বের হন। পরে স্কুলছাত্রীকে ইউপি সদস্য ফজলুল হক বাবুর সহযোগিতায় রাস্তা থেকে অপহরণ করেন একই গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে মাসুদ রানা।

এ ঘটনায় স্কুলছাত্রীর মা ইউপি সদস্য বাবু ও মাসুদসহ মোট সাতজনকে আসামি করে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পরে গত ২৫ সেপ্টেম্বর ওই ছাত্রীকে সিরাজগঞ্জের চান্দাইকোনা বাজার এলাকা থেকে তার স্বজনরা উদ্ধার করে। উদ্ধারের পর ওই কিশোরীর ডাক্তারি পরীক্ষায় ধর্ষণের প্রমাণ পাওয়া যায়।

মামলার বাদি জানান, ইউপি সদস্য ফজলুল হক বাবু থানার তদন্ত কর্মকর্তার যোগসাজশে সালিশের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেন। তাতে রাজি না হওয়ায় ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রীর পরিবারকে চার মাস ধরে সমাজচ্যুত করে রেখেছেন। অপহরণের পর প্রায় আড়াই মাস ধরে আটকে রেখে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন ইউপি সদস্য ফজলুল হক বাবুসহ দু’জন।

ধুনট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কৃপা সিন্ধু বালা এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, কোনো জায়গায় আটকে রেখে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করা হয়েছে। ওই জায়গার নাম ও মামলার প্রধান আসামির অবস্থান জানার জন্য ফজুলল হক বাবুকে রিমান্ডে নেয়া হয়েছে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ