সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
বিদেশি আলেমদের বাংলাদেশ সফর নিয়ে দুটি কথা রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হলো ‘ইসলামিক সোশ্যাল ফাইন্যান্স মিট-আপ ২০২৬’ ময়মনসিংহের শীর্ষ আলেমদের সঙ্গে এমপি মুফতি মোহাম্মদুল্লাহর সৌজন্য সাক্ষাৎ ‘সন্ত্রাস-চাঁদাবাজ নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হলে সরকারের বিরুদ্ধে গণক্ষোভ বিস্ফোরিত হবে’ পরিবারিক শান্তি ও নিরাপদ দাম্পত্য নিয়ে ইনসাফ ফাউন্ডেশনের প্রশিক্ষণ কর্মশালা  ইলিশের প্রজনন রক্ষায় জেলেদের নৌকা-জাল জমা নেওয়ার প্রস্তাব দ্রুত বাড়ছে তিস্তার পানি, ভাঙন আতঙ্কে ৯ গ্রামের মানুষ সিলেটে মাইকিং করে সংঘর্ষে জড়ালেন দুই গ্রামের বাসিন্দারা, আহত ৩০ সুন্দরবনে ১৫ জন অপহরণের ঘটনায় আতঙ্কে জেলে-মহাজন বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে মা-ছেলের মৃত্যু 

‘প্রতিটি শিশুকে প্রাথমিক ধর্মীয় শিক্ষা দেয়া সামাজিক দায়িত্ব’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আবদুল্লাহ তামিম।।

ভারতের ইমারতে শরইয়্যার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাওলানা মুহাম্মদ শিবলী কাসেমী এক বিবৃতিতে মৌলিক ধর্মীয় শিক্ষার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দিয়ে বলেন, মুসলমান হিসেবে মুসলিম উম্মাহর প্রতিটি সদস্যর দায়িত্ব হলো, তাদের পরবর্তি প্রজন্মকে শরিয়তের এত বেশি জ্ঞান শেখানো, যে তাদের বংশধরদের জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে শরিয়া অনুসারে জীবনযাপন করতে পারে। সাধারণভাবে, মুসলমানদের বর্তমান মানসিক ও বৌদ্ধিক চিন্তায় গুরুত্বপূর্ণ হলো ইসলামি জ্ঞান শিক্ষা দেয়া।

প্রতিটি শিশুকে প্রাথমিক ধর্মীয় শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা। কারণ বর্তমানে উম্মাহর একটি বিরাট অংশ ধর্ম ও শরিয়া থেকে দূরে সরে যাচ্ছে, এমনকি ধর্মীয় শিক্ষা থেকে বঞ্চিত কিছু ছেলে-মেয়ে বৌদ্ধিক ধর্মত্যাগের শিকার হচ্ছে। বিশেষত, দেশের ৯৫% জনসংখ্যা, যা স্কুল এবং কলেজগুলিতে শিক্ষা নিচ্ছে, ধর্মীয় শিক্ষা থেকে দূরে রয়েছে। দুঃখের বিষয়, সরকারী এবং অন্যান্য সাধারণ স্কুল বাদে মুসলমানরা এমনকি সরকার পরিচালিত বেশিরভাগ বিদ্যালয়েও ধর্মীয় শিক্ষার যথাযথ ব্যবস্থা নেই। তাই, যারা ধর্ম ও শরিয়া সম্পর্কে জ্ঞান রাখে তাদের উচিৎ এখন থেকেই শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষা সম্পর্কে চিন্তা করা।

তিনি আরো বলেন, শিশুদের মৌলিক ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়া উচিত, যাতে তারা জানতে পারে, হালাল কী এবং হারাম কী, কুফর, বিশ্বাস ও একেশ্বরবাদের মধ্যে পার্থক্য কী। সমাজের প্রতিটি শিশুকে প্রাথমিক ধর্মীয় শিক্ষা প্রদান উম্মতের সচেতন ও সংশ্লিষ্টদের জাতীয় দায়িত্ব। করোনার এবং লকডাউনের কারণে যেখানে সমস্ত বড় ও ছোট মাদ্রাসাগুলি বন্ধ রয়েছে এবং ভবিষ্যতে এই স্কুলগুলির উপর যেভাবে সাম্প্রদায়িক দৃষ্টি রয়েছে, সেখানে মাদ্রাসাগুলির খুলতে বা চলাতে অসুবিধা হতে পারে।

তিনি বলেন, নতুন প্রজন্মকে জাতীয় প্রেক্ষাপটে ধর্মের উপর রাখার জন্য স্কুল ব্যবস্থাটির বিকাশ করা ও এটিকে সুশৃঙ্খল আর কার্যকর করা জরুরি। প্রতিটি গ্রামে বিদ্যালয়ে ইসলামের জাল ছড়িয়ে দেওয়া হোক যাতে জাতির কোনও ছেলে বা মেয়ে ধর্ম ও শরীয়া থেকে বিচ্যুত না হয়। সূত্র: বাসিরাত অনলাইন

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ