মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬ ।। ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক পর্যটক গ্রহণকারী শহরগুলোর তালিকায় মক্কা পঞ্চম, মদিনা সপ্তম লেবাননে ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র ও ফসফরাস বোমা হামলা গুম প্রতিরোধ আইন মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফরিদপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুলছাত্রসহ নিহত ২ ড. ইউনূসকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে চায় না জমিয়ত যমুনায় গোসল করতে নেমে নিখোঁজ ২ স্কুলছাত্র ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল জালেমের বিরুদ্ধে মজলুমের ন্যায়সংগত সংগ্রাম’ চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত ৩ উপজেলা সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী এবার দক্ষ ইসলামি গবেষক তৈরির উদ্যোগ আস-সুন্নাহর, দিনব্যাপী কর্মশালা ২২ আগস্ট দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ

ভাস্কর্যের পক্ষাবলম্বনকারীরা বিপথগামী ও জ্ঞানপাপি: ইসলামী আন্দোলন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ভাস্কর্য বা মূর্তির পক্ষে সাফাইকারীরা বিপথগামী বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ।

আজ সোমবার এক বিবৃতিতে প্রিন্সিপাল ইউনুছ আহমাদ বলেন, শতকরা ৯২ ভাগ মুসলমানদের দেশে মূর্তির সংস্কৃতি চালুর ষড়যন্ত্র তৌহিদী জনতা মেনে নেবে না। ভাস্কর্যের নামে মূর্তি স্থাপন করে দেশকে পৌত্তলিকতা দিকে ঠেলে দেয়ার চক্রান্ত দেশবাসী রুখে দিবে। পৌত্তলিক সংস্কৃতি মুসলিম দেশে চলতে পারে না। ভাস্কর্য বা মূর্তির স্থান হলো মন্দির। মন্দিরে মূর্তি বা ভাস্কর্য থাকলে কারো কোন আপত্তি নেই। কেননা মূর্তি অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের প্রতীক বা উপাসনার বস্তু। তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ভাস্কর্য না করে স্মৃতি মিনার বা স্মৃতিস্তম্ভ করুন, সকলেই তার জন্য দোয়া করবে। কিন্তু দেশের বৃহত্তম মুসলিম উম্মাহর আবেগ-অনুভুতিকে তোয়াক্কা করে বিপথগামীদের কথায় সেপথে অগ্রসর হলে কারো জন্য কল্যাণকর হবে না। তিনি তথাকথিত এবং বিপথগামী আলেমদের প্রত্যাখান করার দাবি জানান।

তিনি আরো বলেন, ভাস্কর্যের পক্ষাবলম্বন করতে যারা মাঠে নেমেছে তারা মুর্খ ও জ্ঞানপাপী। ইসলামের ন্যূনতম জ্ঞান থাকলে এমন বিপথগামী হতে পারে না। যেখানে শরিয়ত সম্মত ওজর ছাড়া ছবি তোলাই জায়েয নেই, সেখানে ভাস্কর্য বা মূর্তি কিভাবে জায়েজ হতে পারে। হাদীস শরীফে রাসূল সা. বলেছেন, ‘যে ঘরে মানুষ বা কোন প্রাণীর ছবি থাকে সেখানে রহমতের ফেরেশতা প্রবেশ করে না’।

মূর্তি বা ভাস্কর্য তৈরী ও স্থাপন কোনভাবেই জায়েজ হতে পারে না। ইসলামের শুরু থেকে অদ্যাবধি কোন হক্কানী আলেম কখনো মূর্তির সমর্থন দেয়ার নজির নেই। মূর্তি ধ্বংসে যুগে যুগে নবী-রাসুল ও অলী-আউলিয়াগণ সংগ্রাম করে গেছেন। যে বা যারা মূর্তির বৈধতা দেয়ার অপচেষ্টায় বিভিন্ন অপব্যাখ্যা দিচ্ছে তারা আর যাই হোক নায়েবে নবী বা আলেম হতে পারে না।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ