সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
নিজের জীবনের সাফল্যের রহস্য জানালেন মুফতি শামায়েল নদভী ১০ অক্টোবর ঝালকাঠিতে খতমে নবুওয়াত সম্মেলন,  প্রস্তুতি সভা ভারতে প্রাচীন মসজিদ রক্ষায় রাজপথে নেমে এলেন হাজার হাজার মুসলিম বিদেশি আলেমদের বাংলাদেশ সফর নিয়ে দুটি কথা রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হলো ‘ইসলামিক সোশ্যাল ফাইন্যান্স মিট-আপ ২০২৬’ ময়মনসিংহের শীর্ষ আলেমদের সঙ্গে এমপি মুফতি মোহাম্মদুল্লাহর সৌজন্য সাক্ষাৎ ‘সন্ত্রাস-চাঁদাবাজ নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হলে সরকারের বিরুদ্ধে গণক্ষোভ বিস্ফোরিত হবে’ পরিবারিক শান্তি ও নিরাপদ দাম্পত্য নিয়ে ইনসাফ ফাউন্ডেশনের প্রশিক্ষণ কর্মশালা  ইলিশের প্রজনন রক্ষায় জেলেদের নৌকা-জাল জমা নেওয়ার প্রস্তাব দ্রুত বাড়ছে তিস্তার পানি, ভাঙন আতঙ্কে ৯ গ্রামের মানুষ

ভাস্কর্যের পক্ষাবলম্বনকারীরা বিপথগামী ও জ্ঞানপাপি: ইসলামী আন্দোলন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ভাস্কর্য বা মূর্তির পক্ষে সাফাইকারীরা বিপথগামী বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ।

আজ সোমবার এক বিবৃতিতে প্রিন্সিপাল ইউনুছ আহমাদ বলেন, শতকরা ৯২ ভাগ মুসলমানদের দেশে মূর্তির সংস্কৃতি চালুর ষড়যন্ত্র তৌহিদী জনতা মেনে নেবে না। ভাস্কর্যের নামে মূর্তি স্থাপন করে দেশকে পৌত্তলিকতা দিকে ঠেলে দেয়ার চক্রান্ত দেশবাসী রুখে দিবে। পৌত্তলিক সংস্কৃতি মুসলিম দেশে চলতে পারে না। ভাস্কর্য বা মূর্তির স্থান হলো মন্দির। মন্দিরে মূর্তি বা ভাস্কর্য থাকলে কারো কোন আপত্তি নেই। কেননা মূর্তি অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের প্রতীক বা উপাসনার বস্তু। তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ভাস্কর্য না করে স্মৃতি মিনার বা স্মৃতিস্তম্ভ করুন, সকলেই তার জন্য দোয়া করবে। কিন্তু দেশের বৃহত্তম মুসলিম উম্মাহর আবেগ-অনুভুতিকে তোয়াক্কা করে বিপথগামীদের কথায় সেপথে অগ্রসর হলে কারো জন্য কল্যাণকর হবে না। তিনি তথাকথিত এবং বিপথগামী আলেমদের প্রত্যাখান করার দাবি জানান।

তিনি আরো বলেন, ভাস্কর্যের পক্ষাবলম্বন করতে যারা মাঠে নেমেছে তারা মুর্খ ও জ্ঞানপাপী। ইসলামের ন্যূনতম জ্ঞান থাকলে এমন বিপথগামী হতে পারে না। যেখানে শরিয়ত সম্মত ওজর ছাড়া ছবি তোলাই জায়েয নেই, সেখানে ভাস্কর্য বা মূর্তি কিভাবে জায়েজ হতে পারে। হাদীস শরীফে রাসূল সা. বলেছেন, ‘যে ঘরে মানুষ বা কোন প্রাণীর ছবি থাকে সেখানে রহমতের ফেরেশতা প্রবেশ করে না’।

মূর্তি বা ভাস্কর্য তৈরী ও স্থাপন কোনভাবেই জায়েজ হতে পারে না। ইসলামের শুরু থেকে অদ্যাবধি কোন হক্কানী আলেম কখনো মূর্তির সমর্থন দেয়ার নজির নেই। মূর্তি ধ্বংসে যুগে যুগে নবী-রাসুল ও অলী-আউলিয়াগণ সংগ্রাম করে গেছেন। যে বা যারা মূর্তির বৈধতা দেয়ার অপচেষ্টায় বিভিন্ন অপব্যাখ্যা দিচ্ছে তারা আর যাই হোক নায়েবে নবী বা আলেম হতে পারে না।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ