আবদুল্লাহ তামিম।।
লাইবেরিয়া পশ্চিম আফ্রিকাতে আটলান্টিক মহাসাগরের উপকূলে অবস্থিত একটি প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র। এ দেশটির প্রায় এক মিলিয়ন মুসলমান দারিদ্র্যের কষাঘাতে জর্জরিত।
আল উম্মাহ নিউজ জানায়, লাইবেরিয়ার রাজধানী মনরোভিয়াতেও বিভিন্ন সমস্যা রয়েছে, দেশটিতে লাগাতার গৃহযুদ্ধের ফলে দারিদ্র্য সীমায় বাস করতে হচ্ছে। আর অপর দিকে মুসলিমদের জন্য কোনো ধরণের সহায়তা না থাকায় সবচেয়ে বেশি সমস্যায় আছে তারা। দেশটির প্রায় এক মিলিয়ন মুসলিম দিনাতিপাত করছে খুব অসহায় ও দারিদ্রতায়।
লাইবেরিয়ায় মুসলিম সংখ্যা আনুমানিক ৪ মিলিয়ন, মোট জনসখ্যার প্রায় ২৫% মুসলিম। খ্রিস্টান ও অন্যান্য ধর্মাবলম্বীরা সংখ্যাগরিষ্ঠ। ১৯৮৬ সালের সংবিধানে বলা হয়েছে, লাইবেরিয়া একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র। প্রথম ভাষা ইংরেজি, ফরাসী ও স্থানীয় ভাষা।
যে সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলিতে মুসলমানরা থাকে সেগুলির মধ্যে রাজধানী মনরোভিয়া (মন্টস্রাদো), মাসাডো, বাকিডো, পপোলো, সানিকোলি, তাবিটা, সেক্রিপি, ক্যাম্প ফোর, ক্যাম্পলে, বাহন এবং কুলাউন উল্লেখযোগ্য।
লাইবেরিয়ায় ইসলামিক স্কুল নাই বললেই চলে। মুসলিমদের পড়াশোনার জন্য সীমিত আয়োজন। আরবি ভাষা ও ইসলামিক বিজ্ঞান পড়ানোর জন্য লাইবেরিয়ায় ইসলামী বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ইতিহাস গত শতাব্দীর ষাটের দশকের শুরুতে।
অত্যন্ত প্রভাবশালী ব্যক্তিদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন শেখ আবদুর রহমান ইবনে আবী বকর, যিনি শেখ মাফি কাবা নামে খ্যাত ছিলেন।
দেশটিতে মুসলিমদের জন্য ইসলামী কেন্দ্র বা সংস্থা রয়েছে কয়েকটি। তারা যে অঞ্চলে বাস করে সেখানে মুসলিম বিষয়াদি এবং উকিলদের তদারকি করার জন্য অনেক ইসলামিক কেন্দ্র-সংস্থা প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে, কাউন্সিল অব দ্য মুসলিম কমিউনিটি অফ লাইবেরিয়া। দি লাইবেরিয়ান মুসলিম অ্যাসোসিয়েশন। অনেক সংস্থা ও সংগঠন থাকলেও নেই তাদের কোনো তৎপরতা।
দেশটির মুসলিমরা আরব বিশ্বসহ মুসলিম দেশগুলোকে তাদের সহায়তায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছে।
সূত্র: উম্মা ডটকম আরবি
-এটি