মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬ ।। ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক পর্যটক গ্রহণকারী শহরগুলোর তালিকায় মক্কা পঞ্চম, মদিনা সপ্তম লেবাননে ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র ও ফসফরাস বোমা হামলা গুম প্রতিরোধ আইন মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফরিদপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুলছাত্রসহ নিহত ২ ড. ইউনূসকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে চায় না জমিয়ত যমুনায় গোসল করতে নেমে নিখোঁজ ২ স্কুলছাত্র ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল জালেমের বিরুদ্ধে মজলুমের ন্যায়সংগত সংগ্রাম’ চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত ৩ উপজেলা সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী এবার দক্ষ ইসলামি গবেষক তৈরির উদ্যোগ আস-সুন্নাহর, দিনব্যাপী কর্মশালা ২২ আগস্ট দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ

নিজেদের বাড়ি-ঘর নিজেরাই পোড়াচ্ছেন আর্মেনিয়ার নাগরিকরা!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান সীমান্তের বিরোধপূর্ণ নাগোরনো-কারাবাখ অঞ্চল নিয়ে যুদ্ধ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে রাশিয়ার মধ্যস্থতায় দুই দেশের শান্তি চুক্তি হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী এ অঞ্চলকে আজারবাইজানের কাছে হস্তান্তর করা হবে। আর এ জন্য হাজার হাজার জাতিগত আর্মেনীয় অঞ্চলটি ছেড়ে চলে যাচ্ছে।

বিবিসির খবরে বলা হয়, আন্তর্জাতিকভাবে নাগোরনো-কারাবাখ অঞ্চল আজারবাইজানের অংশ হিসেবে পরিচিত। তবে ১৯৯৪ সাল থেকে এ অঞ্চল জাতিগত আর্মেনীয়দের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়ে আসছিল। আজারবাইজানের সঙ্গে করা চুক্তি অনুযায়ী আগামীকালের মধ্যে আর্মেনীয়দের এ অঞ্চল ছেড়ে দেশটির অন্য কোনো জেলায় চলে যেতে হবে। আর এ জন্য কিছু আর্মেনীয় তাদের বাড়িতে নিজেরাই আগুন ধরিয়ে দিচ্ছে, যাতে করে কোনো আজারবাইজানি তাদের বাড়িতে বসবাস না করতে পারেন।

নাগরনো-কারাবাখ বিরোধপূর্ণ এলাকাটি জাতিগত আর্মেনীয় অধ্যুষিত। সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের সময় ভোটাভুটিতে অঞ্চলটি আর্মেনিয়ার সঙ্গে থাকার পক্ষে রায় দেয়। এরপর বিষয়টি নিয়ে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে যুদ্ধ বেধে যায়। ১৯৯০ সালের ওই যুদ্ধে প্রায় ৩০ হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটে। ১৯৯৪ সালের এক যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে সে সংঘাত থামে।

ওই এলাকাটি আন্তর্জাতিকভাবে আজারবাইজানের অংশ হিসেবে স্বীকৃতি পেলেও তা আর্মেনীয় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের নিয়ন্ত্রণে ছিল। তাদের সমর্থনে ছিল আর্মেনিয়ার সরকার। আন্তর্জাতিক পরাশক্তিগুলোর মধ্যস্থতায় দশকের পর দশক আলোচনা চললেও এ অঞ্চল নিয়ে শান্তিচুক্তি অধরা থেকে গেছে। সবশেষ গত মঙ্গলবার থেকে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের সঙ্গে রাশিয়ার যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাস্তবায়ন হয়। এতে বিরোধীয় কারাবাখ অঞ্চলে রাশিয়ার শান্তিরক্ষীবাহিনীর পর্যবেক্ষণ করার কথা রয়েছে।

এরপর গত বুধবার তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান জানিয়েছেন, রাশিয়ার সঙ্গে তাদের সমঝোতা স্বারক স্বাক্ষর হয়েছে। এ সমঝোতার ফলে মস্কোর সেনাবাহিনীর সঙ্গে আঙ্কারার সেনাবাহিনী ওই অঞ্চল পর্যবেক্ষণ করবে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ