আওয়ার ইসলাম: ফ্রান্সে হযরত মুহাম্মদ সা.-এর ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শনের প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ফ্রান্স দূতাবাস ঘেরাও কর্মসূচিতে বাধা দিয়েছে পুলিশ।
মঙ্গলবার সকালে বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেট থেকে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের পর একটি বিশাল মিছিল নিয়ে ফ্রান্স দূতাবাস ঘেরাওয়ের উদ্দেশ্যে গুলশানের দিকে রওনা হয় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতাকর্মীরা।
মিছিলটি শান্তিনগর মোড়ে পৌঁছালে পুলিশ আটকে দেয়। এবং এখানেই তাদের কর্মসূচির ইতি ঘটে।
মিছিলে ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মীরা- ‘বিশ্ব নবীর অপমান, সইবে নারে মুসলমান’, ‘ম্যাঁকোর চামড়া, তুলে নেব আমরা’, ‘জেগেছে রে জেগেছে, মুসলমান জেগেছে’, ‘বয়কট বয়কট, ফ্রান্সের পণ্য বয়কট’, ‘ঘেরাও ঘেরাও ঘেরাও হবে, ফ্রান্সের দূতাবাস’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।
[caption id="" align="alignnone" width="960"]
বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন।[/caption]
এর আগে বায়তুল মোকাররমে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ৫দফা দাবি, করনীয় ও কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। দাবি গুলো- এক. বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ফ্রান্স সরকারের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক নিন্দা জানাতে হবে।
দুই. ফ্রান্সের সাথে বাংলাদেশের সবরকম কুটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করতে হবে।
তিন. ইসলাম ও রাসূলকে সা. অবমাননার জন্য ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতিকে প্রকাশ্যে বিশ্ব মুসলিমের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।
চার. অবিলম্বে ওআইসিতে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে নিন্দা প্রস্তাব আনতে হবে।
পাঁচ. বাংলাদেশে ইসলাম ও মহানবীর সা. বিরুদ্ধে কটুক্তি বন্ধে কঠোর শাস্তির আইন পাশ করতে হবে।
করনীয়- এক. সারাবিশ্বের মুসলমানদের ইসলামবিদ্বেষী ফ্রান্সের পণ্য বর্জন করতে হবে।
দুই. বিশ্বমুসলিম নেতা এবং সাধারণ মুসলমানদেরকে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ বিক্ষোভ অব্যহত রাখতে হবে।
কর্মসূচি: এক. ২৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার দেশব্যাপী জেলা ও মহানগরে বিক্ষোভ। দুই. ৩০ অক্টোবর শুক্রবার, বাদ জুম'আ সকল মসজিদ থেকে ইমাম-খতীবের নেতৃত্বে দলমত নির্বিশেষে সকল মুসল্লিদের বিক্ষোভ মিছিল। তিন. আগামী ১৩ নভেম্বর মূর্তি নির্মাণের কার্যক্রম বন্ধের দাবিতে রাজধানীর দোলাইপাড় চত্বরে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।
ওআই/আব্দুল্লাহ আফফান