আওয়ার ইসলাম: যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়ার পরও আজারবাইজানের বেসামরিক বসতিগুলোতে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে আর্মেনিয়ার বিরুদ্ধে।
আজ শনিবার এ অভিযোগ করেছেন আজারবাইজানের ভাইস-প্রেসিডেন্ট হ্যাকিয়েভ। খবর বার্তা সংস্থা আনাদোলুর।
হ্যাকিয়েভ অভিযোগ করে বলেন, আর্মেনিয়া সাময়িক যুদ্ধবিরতি মেনে চলেনি। এই হামলা থেকে স্পষ্ট বোঝা যায় যে, তারা বিষয়টি নিয়ে নিজেদের স্বার্থে রাজনীতি করছে।
যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর এক বিবৃতিতে আজারবাইজানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আর্মেনিয়ান সেনাবাহিনী আগডেরে-টেরটার এবং ফুজুলি-সেব্রিল এলাকাকে টার্গেট করে আবারও হামলা চালানোর চেষ্টা করেছিল। বেশ কয়েকটি বেসামরিক বসতি তাদের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
তবে তাদের এই হামলা সফলভাবে প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছে আজারবাইজানের সেনাবাহিনী। পরে আর্মেনিয়ান সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে এর প্রতিক্রিয়া জানানো হয়।
মস্কোয় রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সার্গেই ল্যাভরভের মধ্যস্থতায় আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক। দীর্ঘ ১০ ঘণ্টার বৈঠকের পর তারা যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে।
এর আগে প্রায় দুই সপ্তাহ পর যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া। রাশিয়ার মধ্যস্থতায় দেশটির রাজধানী মস্কোয় অনুষ্ঠিত আলোচনায় শুক্রবার প্রতিবেশী দেশ দুটি যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়। শুক্রবার আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে ১০ ঘণ্টার বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সার্গেই ল্যাভরভ।
তিনি বলেন, আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে, যা শনিবার স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা থেকে কার্যকর হবে। এ সময় বন্দি বিনিময় এবং নাগর্নো-কারাবাখ অঞ্চল থেকে মরদেহ উদ্ধার অভিযান চলবে। যুদ্ধবিরতির অংশ হিসেবে রেডক্রস ওই অঞ্চলে ত্রাণ তথা মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
-এটি