বুধবার, ১০ জুন ২০২৬ ।। ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৪ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
সাপের কামড়ে মাদরাসাছাত্রীর মৃত্যু চিকিৎসকদের বিসিএসে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানোর সুপারিশ তেল, গ্যাস, সার, বিদ্যুতে অতিরিক্ত ভর্তুকি প্রয়োজন ৪২ হাজার ৬০০ কোটি টাকা ডেপুটি স্পিকারের নেতৃত্বে চীন সফরে যাচ্ছেন ৪ এমপি সৎ ও আদর্শবান ব্যক্তিদের নিয়ে কমিটি গঠন করুন: পীর সাহেব চরমোনাই ইসলামী ব্যাংক, জামায়াতে ইসলামী কোনোটাই ইসলাম নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মুন্সীগঞ্জে ইমামদের সঙ্গে প্রশাসনের মতবিনিময় সভা জেনারেল শিক্ষার্থীদের জন্য আস-সুন্নাহর ৬ মাসের ইসলামিক স্টাডিজ কোর্স সীমান্তের ৮ পয়েন্ট দিয়ে শতাধিক নাগরিককে পুশইনের অপচেষ্টা বিএসএফের আমরা কেন মওদুদি সাহেবের বিরোধিতা করি-১

বাবরি মসজিদ ধ্বংসের সব আসামি খালাস: হাইকোর্ট যাবে মুসলিম ল’ বোর্ড

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ভারতে ঐতিহাসিক বাবরি মসজিদ ধ্বংস মামলায় সব আসামিকে খালাস দেয়ায় এ রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল’ বোর্ড।

বোর্ডের সিনিয়র আইনজীবী জাফারইয়াব জিলানি বলেন, বাবরি মসজিদ ধ্বংস হওয়ার দিন কীভাবে অভিযুক্তরা মঞ্চ থেকে উস্কানিমূলক ভাষণ দিচ্ছিলেন প্রত্যক্ষদর্শীরা তা জানিয়েছেন । আইপিএস অফিসার ও সাংবাদিকরাও এ বিষয়ে বর্ণনা দিয়েছেন।

জিলানি বলেন, বিশেষ সিবিআই আদালত তথ্য প্রমাণকে উপেক্ষা করে রায় দিয়েছে। তাই এর বিরুদ্ধে মুসলমানরা আপিল করবে। মুসলিম ল’ বোর্ডও আপিল করতে পারে বলে ইঙ্গিত দেন তিনি।

১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর বাবরি মসজিদ ধ্বংস করেছিল উগ্রপন্থী হিন্দু কর সেবকরা।

প্রবীণ বিজেপি নেতা লালকৃষ্ণ আদভানি, মুরলিমনোহর জোশী, উমা ভারতীর মতো নেতানেত্রীদের বিরুদ্ধে মসজিদ ভাঙার ষড়যন্ত্র, পরিকল্পনা ও উসকানির অভিযোগ আনা হয়।

প্রায় তিন দশক ধরে চলে আসা বাবরি মসজিদ ধ্বংস মামলায় অভিযুক্ত সবাইকে খালাস দিয়ে বিচারক বলেন, প্রথমত মসজিদ ধ্বংসের ঘটনা ‘পূর্বপরিকল্পিত ছিল না’।

তা ছাড়া আসামিদের বিরুদ্ধে যথেষ্ট তথ্যপ্রমাণের অভাব, কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই যেসব অডিও এবং ভিডিও আদালতে জমা দিয়েছে, সেসবের সত্যতা প্রমাণ করা যায়নি।

বাবরি মসজিদ ভাঙতে যাওয়া সমাজবিরোধীদের বাধা দিতে গিয়েছিলেন আসামিরা এবং আসামিরা মসজিদ ভাঙার সময় যেসব বক্তব্য দিয়েছেন, তা স্পষ্ট বোঝা যায়নি।

প্রায় ২৮ বছর আগের ওই ঘটনা চিরকালের মতো বদলে দিয়েছিল ভারতের সামাজিক ও রাজনৈতিক গতিপথ। এ নিয়ে ভারতে রীতিমতো হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গায় মারা যায় প্রায় দুই হাজার মানুষ।

এমডব্লিউ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ