শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬ ।। ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
জ্বালানি সংকট থেকে বের হতে সময় লাগবে: বাণিজ্যমন্ত্রী মালিবাগ ট্রাজেডির ২৪ বছর, বিচার না হওয়ায় ইসলামী আন্দোলনের ক্ষোভ বালাগঞ্জে বিকেএমের ওয়ার্ড প্রতিনিধি ও দায়িত্বশীল সম্মেলন অনুষ্ঠিত দেশ গড়ার সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছেন খালেদা জিয়া : মির্জা ফখরুল মহিলা মাদ্রাসায় বোমা বিস্ফোরণ, ৫ শিক্ষার্থী আহত নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালের নতুন ভবন উদ্বোধন ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, নিহত ২ রিজভীর স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া বিজ্ঞপ্তি, নেতাকর্মীদের সতর্ক করল বিএনপি রাজধানীতে ‘বযমে নাতে মুস্তফা (সা.)’ অনুষ্ঠিত দেশপ্রেম দেখাতে শব্দ চয়নে সতর্ক বার্তা মুফতি শামাইল নদভীর

মক্কার ঐতিহাসিক মসজিদে আয়েশা বা মসজিদে তানঈম

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আবদুল্লাহ তামিম।।

উম্মুল মুমিনিন হজরত আয়েশা রা. এখান থেকে উমরার ইহরাম বেঁধে উমরা করেছিলেন। পরে সেখানে একটি বিশাল মসজিদ গড়ে উঠে। মসজিদটি ইসলামি শিল্পনৈপুণ্যের এক অনুপম নিদর্শন। এজন্য এটিকে মসজিদে আয়েশা রা. বলা হয়।

মসজিদে তানঈম পবিত্র কাবা থেকে পাঁচ মাইল দূরে আল-হিল অঞ্চলে মসজিদ ও তনিম একটি মসজিদ, এটি মক্কার নিকটে তনিমে, এটি হারামের সীমানা, সুতরাং হজযাত্রীরা ইহরাম বাধতে পারেন। এটি মিকাত নয় তাই এখানে ইহরাম পরা বাধ্যতামূলক নয়।

বিদায় হজের সময় হজরত রাসূলুল্লাহ সা. উম্মুল মুমিনিন হজরত আয়েশা (রা.)কে তার ভাই হজরত আবদুর রহমান (রা.)-এর সঙ্গে হারামের বাইরে এখান থেকে ওমরার ইহরাম বাঁধার জন্য পাঠিয়েছিলেন।

এটি বেশ বড় মসজিদ যা গোছল, অজু ও পরিবর্তনের সুবিধাসমূহ, জন্য এবং যারা নিয়মিত নামাজ পড়তে আসে তাদের জন্য।

মক্কা থেকে এখানে আসতে বাস ভাড়া ২ রিয়াল, আর ট্যাক্সি ভাড়া ৫ রিয়াল। সারাক্ষণ নফল ওমরার ইহরামের জন্য আসা হাজিদের ভিড় থাকে। বিশাল এই মসজিদের দু’টি মিনার ও একটি গম্বুজ অনেক দূর থেকে দেখা যায়। মসজিদটি খেজুর গাছ দ্বারা পরিবেষ্টিত।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ