রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬ ।। ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৮ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
সেবায় ঘাটতি, ২১ ওমরাহ কোম্পানির কার্যক্রম স্থগিত করল সৌদি ফজরের নামাজ চলাকালে মসজিদে ঢুকে গুলি, আহত ২ রাশিয়ায় ধরপাকড়ের মুখে আলেমরা, বাড়ছে ইসলাম বিদ্বেষ মৌলভীবাজার সীমান্তে বিজিবির গুলিতে ভারতীয় চোরাকারবারী আহত ভারতের সীমান্ত হত্যা ও পুশইন নীতি গভীর উদ্বেগজনক’ নারায়ণগঞ্জে পুলিশ-মাদক ব্যবসায়ীর গোলাগুলি, ৫ পুলিশসহ আহত ৮ শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে গুম-নির্যাতন মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ আজ প্রাথমিকে সংগীত-নৃত্যকলাকে বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ বাতিল চায় জমিয়ত নোয়াখালীতে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ২ ভাইয়ের মৃত্যু, আহত ১ আমাকে হারাতে শত শত কোটি ব্যয় করা হয়েছে: শায়খে চরমোনাই

কোরবানির পশুর সামাজিক দূরত্ব মেনেই সারাদেশে হাট বসবে!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: করোনাভাইরাসের সংক্রমণের ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও আর কয়েকদিন পর থেকেই সারাদেশে কোরবানির পশুর হাট বসবে।

তবে ভাইরাসটির সংক্রমণ এড়াতে পশুর হাটে একটি পশু থেকে আরেকটি পশুর দূরত্ব পাঁচ ফুট রাখার পরামর্শ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সারাদেশেই তাদের এ পরামর্শ ও নির্দেশনা পালিত হবে।

পাশাপাশি পশুর হাট বসানোর জন্য পর্যাপ্ত খোলা জায়গা নির্বাচন, মুখে মাস্ক না থাকলে ক্রেতা-বিক্রেতাকে হাটে প্রবেশ করতে না দেয়া, হাটের প্রবেশ পথে তাপমাত্রা পর্যবেক্ষণকারী যন্ত্র স্থাপন, শুধু স্বাভাবিক তাপমাত্রা (৯৮ দশমিক ৪ ফারেনহাইট) সম্পন্ন ব্যক্তিদের হাটে প্রবেশ করতে দেয়া এবং অনলাইনে কোরবানির পশু কেনাবেচায় উদ্বুদ্ধ করাসহ বিভিন্ন পরামর্শ তৈরি করেছে তারা।

এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, কোরবানির পশুর হাটে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে বেশ কিছু পরামর্শ ও নির্দেশনা তৈরি করা হয়েছে। তবে এগুলো এখনো চূড়ান্ত করা হয়নি। চূড়ান্ত হওয়ার পর সেগুলো বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশিত হবে।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, পশুর হাটে করোনা সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকি রয়েছে। তাই ঝুঁকি এড়াতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা থেকে কিছু পরামর্শ দেয়া হয়েছে। সেগুলোর মধ্যে রয়েছে- হাটের জন্য খোলা জায়গা নির্বাচন, হাট বসানোর আগে করোনাভাইরাস প্রতিরোধ সামগ্রীর ( মাস্ক, সাবানসহ জীবাণুমুক্তকরণ সামগ্রী) পর্যাপ্ত ব্যবস্থা, পরিষ্কার পানি সরবরাহ ও নিরাপদ বর্জ্য নিষ্কাশন ব্যবস্থা রাখা।

পশুর হাটের সঙ্গে জড়িত সকল কর্মচারী ও হাট কমিটির সকলকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার দায়িত্ব বুঝিয়ে দেয়া, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা, জড়িত সকল কর্মীদের প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধির প্রশিক্ষণ প্রদান (জনস্বাস্থ্যের বিভিন্ন বিষয়, মাস্কের সঠিক ব্যবহার, হাঁচি-কাশির শিষ্টাচার, হাত ধোয়া ও জীবাণুমুক্তকরণ), সকল কর্মীদের স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা করা এবং কেউ অসুস্থ হলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করা।

এ ছাড়া গণশৌচাগারগুলোতে হাত ধোয়ার পর্যাপ্ত পরিমাণ সাবান এবং পানি সরবরাহ নিশ্চিত করা। ক্রেতা ও বিক্রেতাদেরকে মূল্য প্রদান ও বের হওয়ার সময় লাইনে দাঁড়ানোর ব্যবস্থা করা, শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে প্রয়োজনে এক মিটার বা দুই হাত দূরত্বে দাঁড়ানোর ব্যবস্থা করা এবং হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সংখ্যা ও তাদের চলাচল সীমিত করা।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ