আওয়ার ইসলাম: দেশে করোনার প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়ার পর থেকেই বন্ধ রয়েছে গণপরিবহন চলাচল। তবে ব্যক্তিগত গাড়িসহ পণ্য পরিবহন, চিকিৎসা ও জরুরি কাজে ব্যবহৃত যানবাহন চলাচলের অনুমতি রয়েছে। তাই করোনার সংক্রমণ রোধে চালকদের জন্য বেশ কিছু সতর্কতামূলক নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
সোমবার (১৮ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সমন্বিত কোভিড-১৯ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র এ নির্দেশনা প্রণয়ন করে। ‘কোভিড-১৯–এর সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণের কারিগরি নির্দেশনা’ বিষয়ক এ বিবরণীতে বিভিন্ন ব্যক্তি, সংস্থা, গোষ্ঠী ও প্রতিষ্ঠানের জন্য সতর্কতামূলক পরামর্শ দেয়া হয়।
এতে বলা হয়, যে সকল যানবাহন বর্তমানে রাস্তায় চলাচল করছে সেগুলোর চালকদের অবশ্যই সঙ্গে লাইসেন্স রাখতে হবে। যাত্রী পরিবহনের আগে নিয়মিতভাবে গাড়ির দরজার হাতল, স্টিয়ারিং ও হ্যান্ডেলসহ অভ্যন্তরীণ সবকিছু জীবাণুমুক্ত ও পরিষ্কার করতে হবে। নিজের ব্যক্তিগত সুরক্ষা ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়টি পুরোপুরি নিশ্চিত করতে হবে।
আরও বলা হয়, চালকদের গাড়ি চালানোর সময় হাতে গ্লাভস মুখে মাস্ক ও সুরক্ষা পোশাক পরতে হবে। হাঁচি বা কাশি আসলে অবশ্যই টিস্যু বা হাতের কুনুই দিয়ে ঢেকে নিতে হবে এবং কিছুক্ষণ পর পর সাবান পানি অথবা জীবাণুনাশক দিয়ে হাত পরিষ্কার করতে হবে। সংক্রমণ এড়াতে যাত্রীদেরও নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখতে হবে এবং অন্যরাও যেনো তা মেনে চলে যে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।
গাড়ি চালানোর সময় চালকদের অনেক সময় খাবার খাওয়া বা বিশ্রামের জন্য বিরতি নিতে হয়। এ সময় একে অন্যের থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। সমাজিক দূরত্ব বজায় রেখেই চলাচল ও যোগাযোগ করতে হবে। খোলা জায়গায় বসে বিশ্রাম বা খাবার খাওয়া উচিত। তা যদি সম্ভব না হয়, তহালে গাড়িতেই খাবার খেতে হবে। যেসব এলাকায় লোকজন বেশি এবং ঘনবসতি রয়েছে, সেসব জায়গা এড়িয়ে চলতে হবে।
করোনা আক্রান্ত হতে পারে এমন সন্দেহভাজন রোগী পরিবহনের পর অবশ্যই সম্পূর্ণ গাড়ি ভালোভাবে জীবাণুমুক্ত করতে হবে। কোনো চালক অসুস্থ হলে তাকে গাড়ি চালানো থেকে বিরত থাকতে বলতে হবে।
নিজে অসস্থ্য হলে বা করোনার উপসর্গ দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে এবং চিকিৎসকদের দেয়া নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।
-এএ