মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক পর্যটক গ্রহণকারী শহরগুলোর তালিকায় মক্কা পঞ্চম, মদিনা সপ্তম লেবাননে ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র ও ফসফরাস বোমা হামলা গুম প্রতিরোধ আইন মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফরিদপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুলছাত্রসহ নিহত ২ ড. ইউনূসকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে চায় না জমিয়ত যমুনায় গোসল করতে নেমে নিখোঁজ ২ স্কুলছাত্র ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল জালেমের বিরুদ্ধে মজলুমের ন্যায়সংগত সংগ্রাম’ চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত ৩ উপজেলা সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী এবার দক্ষ ইসলামি গবেষক তৈরির উদ্যোগ আস-সুন্নাহর, দিনব্যাপী কর্মশালা ২২ আগস্ট দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ

করোনার ঝুঁকি নিয়েই শপিংয়ে ব্যস্ত মানুষ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: দিন দিন দেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ছে। বিশেষ করে লকডাউন শিথিল করে গার্মেন্টস ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার পর থেকে সংক্রমণের হার কয়েকগুণ বেড়ে গেছে। এর মধ্যেই আসন্ন ঈদ উপলক্ষে অধিকাংশ স্থানে খুলে দেয়া হয়েছে শপিংমল ও বিপণীবিতানগুলো। স্বাস্থ্যবিধি মেনে মার্কেট চালুর কথা বললেও কেউ তা মানছেন না।

প্রতিদিনের মতে শুক্রবার দেশের বিভিন্ন স্থানে মার্কেটগুলােতে মানুষের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে। এক্ষেত্রে মানা হচ্ছে না কোনো বিধি-নিষেধ।

শুক্রবার গাজীপুরের সদর, টঙ্গী, কালীগঞ্জ, কাপাসিয়া, কালিয়াকৈরসহ বিভিন্ন স্থানের মার্কেটগুলােতে দেখা যায়, বিধি-নিষেধ, নিয়মনীতি ও সামাজিক দূরত্বের তোয়াক্কা না করেই শপিং করছেন মানুষজন।

সবার মধ্যে মাস্ক ব্যবহারের প্রবণতা থাকলেও অন্য কোনো স্বাস্থ্যবিধি তারা মানছেন না। বিশেষ করে হ্যান্ড গ্লাভস ও স্যানিটাইজার কেউ ব্যবহার করছেন না।

তারপরও কয়েকটি দোকানের কর্মীরা জীবাণুনাশক দিয়ে ক্রেতাদের হাত ও পা ভিজিয়ে দিচ্ছেন। অনেক বিক্রেতা মাস্ক, গ্লাভস ও মাথায় টুপি পরে ক্রেতাদের সামনে পোশাক উপস্থাপন করছেন। তবে এই সংখ্যাটা বাকিদের তুলনায় খুবই নগন্য।

এ বিষয়ে বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, ক্রেতাদের অতিরিক্ত চাপের কারণে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা সম্ভব হচ্ছে না। অনেকে স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই বাজারে আসছেন। সংখ্যাটা এত বেশি যে তাদেরকে ফিরিয়ে দেয়া যায় না।

শপিং করতে আসা ক্রেতারা জানান, দীর্ঘদিন পর মার্কেট খোলায় ভয় লাগলেও পরিবারের সবাইকে নিয়ে মার্কেটে এসেছেন। কিন্তু এত লোক হবে যে তা ভাবতে পারেননি। তাই একদিনেই সব কেনাকাটা শেষ করে ফেলব। যেন আর মার্কেটে না আসতে হয়।

মার্কেট মালিকরা বলছেন, সরকারের সব নির্দেশনা মেনে মার্কেট চালু করা হয়েছে। প্রতিটি মার্কেটের গেটে জীবাণুনাশকের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেখানে একাধিক কর্মী দিয়ে ক্রেতাদের হাত ও পায়ে জীবাণুনাশক ছিটানো হচ্ছে। মাস্ক ছাড়া কোনো ক্রেতাকে ঢুকতে দেয়া হচ্ছে না। তারপরও যদি কোনো মার্কেটে অনিয়ম পাওয়া যায়, তাহলে সেটি বন্ধ করে দেয়া হবে।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ