মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক পর্যটক গ্রহণকারী শহরগুলোর তালিকায় মক্কা পঞ্চম, মদিনা সপ্তম লেবাননে ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র ও ফসফরাস বোমা হামলা গুম প্রতিরোধ আইন মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফরিদপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুলছাত্রসহ নিহত ২ ড. ইউনূসকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে চায় না জমিয়ত যমুনায় গোসল করতে নেমে নিখোঁজ ২ স্কুলছাত্র ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল জালেমের বিরুদ্ধে মজলুমের ন্যায়সংগত সংগ্রাম’ চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত ৩ উপজেলা সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী এবার দক্ষ ইসলামি গবেষক তৈরির উদ্যোগ আস-সুন্নাহর, দিনব্যাপী কর্মশালা ২২ আগস্ট দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ

শুধু এক উপজেলায় ত্রাণের ৫১ টন চাল ও ৯ লাখ টাকার হদিস নেই!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: করোনাভাইরাসে দরিদ্র মানুষের জন্য দেশের প্রত্যেক উপজেলায় সরকারিভাবে ত্রাণ সহায়তা দেয়া হচ্ছে। সেই ধারাবাহিকতায় গত ২৪ মার্চ থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলায় কয়েক দফায় ২৫১ মেট্টিক টন চাল এবং ৯ লাখ ২০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয় জেলা প্রশাসন। এর মধ্যে ৫১ মেট্রিক টন চাল ও নগদ ৯ লাখ টাকার কোনো হদিস পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।

জানা যায়, ৫১ মেট্রিক টন চাল দুস্থ পরিবারের মাঝে বিতরণ না করে কোথায় কীভাবে বিতরণ করা হয়েছে তার কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না। আর বাকি ৯ লাখ টাকা লাউ, আলু, মিষ্টি কুমড়া ও বস্তার গায়ে নাম ছাপানোর কাজে ব্যয় দেখানো হয়েছে। এ ঘটনায় পুরো উপজেলায় তোলপাড় শুরু হয়েছে।

ঘটনা জানাজানির পর তদন্তের জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক সৈয়দ ফরহাদ হোসেন ও জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আখতার হোসেনকে নিয়ে দুই সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেন জেলা প্রশাসক। তবে এখনো তদন্ত শুরু করতে পারেননি বলে বলে জানিয়েছেন ত্রাণ কর্মকর্তা আখতার হোসেন।

এ বিষয়ে উপজেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা (পিআইও) মিজানুর রহমান বলেন, বরাদ্দকৃত ত্রাণ সহায়তা ইউপি চেয়ারম্যানদের নামে ডেলিভারি অর্ডার দেয়া হয়। পরে সেগুলো প্রতিটি ইউনিয়ন ও পৌরসভায় প্রথম পর্যায়ে ১২৫ জন, ২য় পর্যায়ে ২০০ জন এবং ৩য় পর্যায়ে ৩০০ জন করে প্রত্যেককে ১০ কেজি করে মোট ১০০ মেট্টিক টন চাল দেয়া হয়েছে।

উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত ২২ এপ্রিল পর্যন্ত দুটি খাদ্য গুদাম থেকে ৯০ মেট্টিক টন চাল সরবরাহ করা হয়েছে। এ ছাড়া ৪র্থ দফায় প্রতিটি ইউনিয়নে ৬০০ পরিবারের মাঝে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হবে বলে জানা গেছে। এ জন্য ইতোমধ্যে ৯৬ টন চাল বরাদ্দ এসেছে। সবমিলিয়ে এখন পর্যন্ত ১৯৬ মেট্টিক টন চাল বিতরণ করা হয়েছে ও কিছু প্রক্রিয়াধীন। কিন্তু বাকি ৫৫ টন চাল এবং ৯ লাখ ২০ হাজার টাকার কোনো হদিস মিলছে না।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা টিএমএ মবিন বলেন, বরাদ্দকৃত ৯ লাখ টাকা চেয়ারম্যানদের মাঝে বিতরণ করে দেয়া হয়নি। এগুলো দিয়ে লাউ, ডাল ও মিষ্টি কুমড়া কেনা হয়েছে। এ ছাড়া যে বস্তাগুলো কেনা হয়েছে সেগুলোর গায়ে নাম ছাপানোর কাজে ব্যয় করা হয়েছে।

আর ৫১ টন চাল বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও দুস্থদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, এই টাকাগুলো খরচ করার অধিকার উনাদের আছে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ