শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬ ।। ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১১ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
চীন সফরে প্রধানমন্ত্রীর ‘১৭ সমঝোতা’ স্মারকে স্বাক্ষর হরমুজ থেকে ৪ হাজার কোটি ডলার বাৎসরিক টোল করবে ইরান ঢাকার উদ্দেশে বেইজিং ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান লক্ষ্মীপুরে নূরানী বোর্ডের ষান্মাসিক জোড় অনুষ্ঠিত   সাবেক নেতার মৃত্যুদণ্ডের রায়ে ছাত্র জমিয়তের প্রতিবাদ বেনজীরকে ফেরাতে দুবাইয়ের জবাবের অপেক্ষায় সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইসলামী আন্দোলনের শূরার বৈঠক কাল, মহাসচিব পদে আসতে পারে পরিবর্তন ‘হাফেজ নাঈমের মৃত্যুদণ্ডের রায় ন্যায়বিচারকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে’ লাউড স্পিকারে আজান নিষিদ্ধ করতে চায় ডেনমার্ক সরকার জায়নুল উলুম মাদরাসার নতুন মুহতামিম ও নির্বাহী মুহতামিম নির্বাচিত

করোনা শনাক্তে যেভাবে কাজ করবে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের কিট

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত রোগী শনাক্তের জন্য র‍্যাপিড কিট উদ্ভাবন করেছে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র। সেগুলো শনিবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) ও যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার্স ফর ডিজিস কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের (সিডিসি) প্রতিনিধিদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। রোববার সরকারের ওষুধ প্রশাসন ও সংশ্লিষ্টদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

দেশে উৎপাদিত ‘র‍্যাপিড ডট ব্লট’ নামের কিটগুলো কীভাবে কাজ করবে তা নিয়ে অনেকের মনেই রয়েছে কৌতূহল। গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বিবিসি বাংলাকে জানান, রক্তের গ্রুপ যে পদ্ধতিতে চিহ্নিত করা হয়, এটিও একই পদ্ধতিতে কাজ করবে।

তিনি বলেন, বিশ্বের অন্যান্য র‍্যাপিড টেস্ট কিটগুলোয় সাধারণত শুধু অ্যান্টিবডি পরীক্ষা করা হয়ে থাকে। যেটা ইতোমধ্যে ভারতে করা হয়েছে। যার কারণে অনেক ভুলভ্রান্তি দেখা দেয়। তাই ভারত সরকার সেই কিট উৎপাদন স্থগিত করে দিয়েছে।

‘তবে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের তৈরি এই কিট দ্বারা পরীক্ষা করলে কোনো ভুলভ্রান্তি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। কারণ এই কিটে অ্যান্টিবডি ও অ্যান্টিজেন, দুইটাই পরীক্ষা করা হবে। এ জন্য প্রথমে সিরিঞ্জের মাধ্যমে তিন সিসি রক্ত নেয়া হবে। পরে সেখান থেকে সিরাম আর সেল আলাদা করে সেটা হতে অ্যান্টিবডি ও অ্যান্টিজেন পরীক্ষা করে দেখা হবে।’

তিনি আরও বলেন, পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হতে ১৫ মিনিটের মতো সময় লাগতে পারে। এর মধ্যেই রিপোর্ট চলে আসবে। তখন বোঝা যাবে রক্তদাতা কোভিড-১৯ পজেটিভ নাকি নেগেটিভ।

কিটগুলো ব্যবহার করে ইতোমধ্যে ৯৩ শতাংশের বেশি সাফল্য পেয়েছেন দাবি করে তিনি বলেন, সংক্রমিত বাংলাদেশিদের রক্তের ওপর গবেষণা করার পরই এসব কিট তৈরি করা হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে পাঠানো ৫টি রক্তের নমুনার ওপর এই গবেষণা চালানো হয়।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ