রফিকুল ইসলাম জসিম।।
রমজান উপলক্ষে মসজিদে তারাবির নামাজ বন্ধ করা হয়নি, কিন্তু পূর্বের নিয়ম অনুযায়ী প্রত্যেকে ঘর থেকে অজু করে আসবেন। জায়নামাজ নিয়ে আসবেন। অসুস্থ বা সন্দেহভাজন ব্যক্তিরা মসজিদে না এসে ঘরে নামাজ আদায় করবেন। এবং তারাবিতে অনধিক ১২ জন মুসল্লী উপস্থিত হবেন। বলছিলেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ।
একাত্তর টিভিতে সাক্ষাৎকারে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মসজিদে তারাবি পড়া ধর্ম মন্ত্রাণালয়ের পক্ষ থেকে বন্ধ করা হয়নি, তবে যারা ফরজ নামাজ পড়েনা এ রমজান মাসে সবাই তারাবি নামাজ পড়ে, সুতরাং শরিয়তে কি আছে, সেটি দেখে না সাধারণ মানুষ।
আমাদের ধর্ম মন্ত্রণালয় বিশেষ বিবেচনা করে সকল মুসল্লির শ্রদ্ধা রেখে তারাবি নামাজ বন্ধ করেনি। মসজিদে তারাবি নামাজ সঠিকভাবে হবে, আগের মতো- খতম তারাবি পড়াবেন, ২ জন হাফিজ থাকবেন। আর ইমাম মুয়াজ্জিনসহ আরো দশজন মুসল্লি থাকবেন। আর যারা সূরা তারাবি পড়বে তারাও এভাবেই আদায় করবেন।
দেশে করোনার সংক্রমণ বাড়তে থাকায় সর্বস্তরের ওলামায়ে কেরামের পরামর্শ অনুযায়ী মসজিদে মুসল্লির সংখ্যা নির্ধারণ করেছে আমাদের ধর্ম মন্ত্রণালয়। প্রধানমন্ত্রী আমাদের সঠিকভাবে দিক নির্দেশনা দিয়েছেন, তিনি একজন নামাজি, নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন, তিনি কঠোরভাবে এদেশে মানুষকে মহামারী করোনা থেকে রক্ষার জন্য কাজ করে যাচ্ছে তার এই কর্মকাণ্ডে হব প্রশংসনীয়।
তিনি আরো বলেন, মসজিদে ১২ জনই মসজিদে তারাবির নামাজ পড়তে পারবেন। তারা ছাড়া অন্য মুসল্লিরা নিজ নিজ ঘরে এশা ও তারাবিহর নামাজ আদায় করবেন। সরকারে এই সিদান্তের ব্যাপারে যারা রাজনৈতিক ইস্যু তৈরি করতে চান, তাদেরকে আমি মনে করি এ দেশ থেকে বিতাড়িত করা উঠিত।
ওআই/আবদুল্লাহ তামিম