মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক পর্যটক গ্রহণকারী শহরগুলোর তালিকায় মক্কা পঞ্চম, মদিনা সপ্তম লেবাননে ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র ও ফসফরাস বোমা হামলা গুম প্রতিরোধ আইন মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফরিদপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুলছাত্রসহ নিহত ২ ড. ইউনূসকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে চায় না জমিয়ত যমুনায় গোসল করতে নেমে নিখোঁজ ২ স্কুলছাত্র ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল জালেমের বিরুদ্ধে মজলুমের ন্যায়সংগত সংগ্রাম’ চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত ৩ উপজেলা সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী এবার দক্ষ ইসলামি গবেষক তৈরির উদ্যোগ আস-সুন্নাহর, দিনব্যাপী কর্মশালা ২২ আগস্ট দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ

নতুন ৪১৪ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত, মৃত্যু ৭

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলাদেশে নতুন আরো ৪১৪ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস ধরা পড়েছে। এতে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪১৮৬ জনে।

আজ বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরেকরোনা ভাইরাস নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন স্বাস্থ্য বুলেটিনে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

ডিসেম্বরে চীনে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হওয়ার পর তা লাগামছাড়া হতে শুরু করে জানুয়ারিতে। মাসের মাঝামাঝিতে বাড়তে থাকে সংক্রমণ। তখন থেকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সব দেশকেই প্রস্তুতি নেয়ার আহ্বান জানায়। টুকটাক প্রস্তুতিও নেয় দেশগুলো।

এর মাঝে গেল ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনা ভাইরাসের রোগী শনাক্ত হয়। তখন বাড়ানো হয় সতর্কতা। এরপর শনাক্তকৃত রোগীর সংখ্যা মার্চ জুড়ে প্রতিদিন প্রায় একরকমই ছিল। তবুও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে সরকার সব সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে। ২৬ মার্চ থেকে শুরু হওয়া সেই ছুটি চলছে এখনও। বুধবার (২২ এপ্রিল) সবশেষ জারিকৃত এক প্রজ্ঞাপনে ছুটি বাড়িয়ে করা হয়েছে ৫ মে পর্যন্ত।

ছুটির উদ্দেশ্য সাধারণ মানুষকে ঘরে রাখা, সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করা। কিন্তু শুরুতে সরকারের সেই আহ্বান অনেকটা শুনতে দেখা যায়নি মানুষকে। পরবর্তীতে কঠোর হয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। আদেশ জারি করে সন্ধ্যা ৬টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত মানুষের বাইরে বেরনো নিষিদ্ধ করা হয়।

ঢাকা সিটিতে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি হলেও করোনার হটস্পট হিসেবে ধরা হয় নারায়ণগঞ্জকে। সেখানে আক্রান্ত হয়েছেন বেশ কয়েকজন রোগী। এছাড়া সেখান থেকে অন্যান্য জেলায় যাওয়ার পরও কয়েকজনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।

এই ভাইরাসকে রুখতে সামাজিক দূরত্ব ও অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা ছাড়া অন্য কোনো উপায় এখনও নেই। বিশ্বের অনেক দেশই চেষ্টা চালাচ্ছে এর ভ্যাকসিন উদ্ভাবনের। শতাধিক গবেষণার কয়েকটি মানবদেহে প্রয়োগের কাজও শুরু হয়েছে। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পক্ষ থেকে এমন শঙ্কাও প্রকাশ করা হয়েছে যে, এই ভাইরাসের ভ্যাকসিন হয়তো কোনোদিনই পাওয়া যাবে না।

এছাড়া আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার জন্য নেই কোনো স্বীকৃত ওষুধও। জাপানের অ্যাভিগান ও হাইড্রোক্লোরোকুইন এতে মারাত্মক ফল দেয় বলে বিভিন্ন দেশ তথ্য দিলেও পাওয়া গেছে ভিন্ন মতও। তাই আক্রান্ত রোগীদের অনেকেই বাসায় অবস্থান করছেন। অবশ্য বাসায় থেকেই সুস্থও হচ্ছেন অনেকে।

সুস্থতার হার বেশি হলেও এখনও ভাইরাসটিতে প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় দু্ই লাখ মানুষ। অন্যদিকে বিশ্বব্যাপী এতে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ২৭ লাখ।

-এ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ