আওয়ার ইসলাম: করোনার দুর্যোগের মধ্যেও আজ (শনিবার) সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার সংসদ অধিবেশন বসছে। বিকেল ৫টায় সংসদ ভবনে একাদশ জাতীয় সংসদের সপ্তম অধিবেশন শুরু হবে। এর আগে কার্যউপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে অধিবেশনের সময়কাল নির্ধারণ করা হবে।
সংসদ সচিবালয় সূত্র জানিয়েছে, প্রতিকূল পরিবেশের মধ্যেও আইন রক্ষার এই অধিবেশন হবে স্বল্প সময়ের জন্য। এক ঘণ্টার মধ্যে অধিবেশনের সমাপ্তি টানা হতে পারে। এছাড়া কোরাম সংকট যাতে না হয় সেই বিবেচনায় ঢাকায় অবস্থান করা মন্ত্রী, এমপি ও রাজধানীর কাছের আসনের সংসদ সদস্যদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হচ্ছে।
জাতীয় সংসদের একজন হুইপ বলেন, করোনার প্রাদুর্ভাবের মধ্যে আইনকে সমুন্নত রেখে এই অধিবেশন অনুষ্ঠানে মিনিমাম যেটি করার সেটিই করা হবে। এর আগে চার-পাঁচদিনের অধিবেশন হয়েছে। তবে এবার যেহেতু দুর্যোগ, এবারের অধিবেশনটি হবে একদমই স্বল্প সময়ের জন্য। প্রথমবারের মতো গণমাধ্যমকর্মীদের সরাসরি অধিবেশনের সংবাদ সংগ্রহের সুযোগ না রাখার পরিকল্পনা চলছে। সংসদ সচিবালয় সূত্রে এসব তথ্য জানিয়েছে।
সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তারা জানান, সব সংসদ সদস্যের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। ঢাকায় অবস্থানরত মন্ত্রী-এমপি এবং কাছাকাছি আসনের সংসদ সদস্যদের আসার জন্য বলা হয়েছে। কোরাম সংকট পূরণে তালিকা করে ৭০-৮০ জন এমপিকেও আসার বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য একাধিক হুইপকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
এমপিদের বসার ক্ষেত্রে দুই-তিন আসন ফাঁকা রেখে আসন বিন্যাসের পরিকল্পনা চলছে। এ ক্ষেত্রে বয়স্ক ও শারীরিক অসুস্থ এমপিদের এই অধিবেশনে যোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে নিরুৎসাহিত করা হবে।
সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদের (৩) দফার (ক) উপ দফায় উল্লেখ আছে- সংসদের এক অধিবেশনের সমাপ্তি ও পরবর্তী অধিবেশনের প্রথম বৈঠকের মধ্যে ৬০ দিনের অতিরিক্ত বিরতি থাকবে না। একাদশ জাতীয় সংসদের ষষ্ঠ অধিবেশন শেষ হয়েছিল গত ১৮ ফেব্রুয়ারি। আজ ১৮ এপ্রিলের মধ্যে সংসদের পরবর্তী অধিবেশন বসার সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
-এএ