আওয়ার ইসলাম: প্রধানমন্ত্রী বলছেন সরকারে কাছে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুদ আছে। বাহ্যত এলাকাভিত্তিক ত্রাণের জন্য বরাদ্দও দেয়া হচ্ছে। কিন্তু তৃণমূলে জনগণ পাচ্ছে কতটুকু?
বৃহস্পতিবার ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ অনলাইনে নগর নেতৃবৃন্দের সাথে ‘করোনায় মৃত্যুবরণকারীদের কাফন-দাফন করণ সংক্রান্ত’ এক জরুরী মিটিংয়ে এ প্রশ্ন করেন।
এসময় তিনি বলেন, ঢাকাতেই জনপ্রতিনিধিদের তৎপরতা খুবই ন্যাক্কারজনক। কোন কোন এলাকায় নামকাওয়াস্তে তালিকা করা হচ্ছে। আবার যাদের তালিকা করা হচ্ছে তার মধ্য থেকেও কিছু সংখ্যককে নামে মাত্র কিছু ত্রাণ দিয়ে জনপ্রতিনিধি (!) ছবি তুলে নিয়ে গায়েব হয়ে যাচ্ছেন। অনেক এলাকায় তো কোন তালিকাই কারা হচ্ছে না। লক্ষ লক্ষ মানুষ অর্ধাহারে অনাহারে দিনাতিপাত করছেন। এর মধ্যেও আবার বাড়িওয়ালাদের ভাড়ার তাগাদা। ফুঁসে উঠছে এসব ক্ষুধার্ত মানুষ।
তিনি আরও বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী! আপনার বিশ্বস্ত গোয়েন্দাদেরকে দিয়ে তথ্য সংগ্রহ করুন। আপনার জনপ্রতিনিধিরা তাদের এলাকার জন্য বরাদ্দকৃত সরকারী ত্রাণ সহায়তা কতজনকে কি পরিমান প্রদান করেছে আর চুরি করেছে কি পরিমান। অনতিবিলম্বে এসব জনপ্রতিনিধিদের তথ্য সংগ্রহ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। ত্রাণ চোরদেরকে শাস্তির আওতায় আনুন। সরকারী ত্রাণের সুষম বন্টন নিশ্চিত করুন। অন্যথায় ক্ষুধার্ত জনতাকে ঘরে আটকে রাখা যাবে না। জনগণ যাদি রাস্তায় নেমে আসে তারা কিন্ত এসব চোরদেরকে রুখে দিয়ে তাদের অধিকার ছিনিয়ে নিবে। এ বিশৃঙ্খলার দায় সরকার এড়াতে পারবে না।
আজকের মিটিংয়ে অন্যান্যদের মধ্যে সংযুক্ত হন; আলহাজ আনোয়ার হোসেন, মাওলানা আরিফুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার গিয়াস উদ্দিন পরশ, মুফতি ফরিদুল ইসলাম, ডা. মুজিবুর রহমান, এ্যাড. শওকত আলী হাওলাদার, মুফতি শরীফুল ইসলাম, আলহাজ্ব আলাউদ্দিন ও এ্যাড. হানিফ প্রমূখ।
-এএ