শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬ ।। ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘কওমি সনদের স্বীকৃতি শুধু কাগজে নয়, পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে’ ময়মনসিংহে ইত্তেফাকুল মাদারিসিল কওমীয়্যাহর উদ্যোগে শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা সোমবার জাতীয় উলামা-মাশায়েখ সম্মেলন আজ কক্সবাজারের আবাসিক হোটেল থেকে পুলিশের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার  কুরআন-হাদিসের আলোকে জামাতের গুরুত্ব গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের ইস্যুতে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে বিরোধীদলীয় নেতার চিঠি বাংলাদেশ ধ্বংসস্তূপের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে: বিদ্যুৎমন্ত্রী  দাওয়াতি কার্যক্রম গতিশীল ও সুসংগঠিত করার ওপর গুরুত্বারোপ সিলেটে ৩ হত্যাকাণ্ডে নিহত স্বামী-স্ত্রীর দাফন সম্পন্ন হাফেজে কুরআনদের উৎসাহিত করতে মালদ্বীপ সরকারের নানা উদ্যোগ

সরকারের প্রণোদনা আর মধ্যবিত্তদের কান্না!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

এইচ এম আদনান মাকসুদ।।

বিশ্বব্যাপী এ নভেল করোনা ভাইরাসের সয়লাবে সারা বিশ্বসহ বাংলাদেশেও আকার ধারণ করেছে মহামারী রূপে। এর থেকে কোন দিন যে, এ জাতি মুক্তি পাবে। আল্লাহ্ মালুম।

এর একমাত্র কারণ হলো আমাদের অসাবধানতা ও অসতর্কতার অভাব।সতর্কতা নিয়ে লেখালেখি হচ্ছে। আমি তা বলতে চাচ্ছিনা। আমার কথা হলো এই দুর্যোগপূর্ণ সময়ে দেশের জনপ্রতিনিধিদের যে অবস্থা বিরাজমান তাতে মোটেও মনে হয় না, আমরা এই মহামারী থেকে মুক্তি পাবো।

অনেকে তো করোনা ভাইরাসের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হয়ে আছে। আবার অনেকে বলছেন করোনা ভাইরাসের চেয়ে শক্তিশালী বাহিনী তাদের আছে! এগুলো পাগলের প্রলাপ ছাড়া আর কিছুই না। এদের কে বলব, কুফরি কথা বার্তা ছাড়ুন, এগিয়ে আসুন জনগণের এ দুর্দিনের সময় তাদের পাশে। আর পাগলামি প্রলাপের জন্য তাওবা করুন মহান আল্লাহর কাছে। আল্লাহর আজাবের বিপক্ষে দাঁড়ানোর ক্ষমতা মানুষের নেই। এটা বুঝতে হবে।

বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর এবার এই দুর্যোগপূর্ণ সময়ে দেশের জনগণের জন্য যে ভূমিকা নিয়েছে বা নিচ্ছে সত্যি তা প্রশংসনীয় সরকারের পাশাপাশি বিরোধী দলের, এমনকি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ছাড়া বিভিন্ন ব্যক্তি সংস্থার সহায়তা উৎকৃষ্ঠ দৃষ্টান্ত হিসেবে আগামীর জন্য যুগান্তকারী ভুমিকা পালন করবে। আর্থিক সহায়তাসহ নগদ টাকা ও ত্রাণ হিসেবে দিচ্ছেন তারা। আরো অনেক সংগঠন বিভিন্নভাবে আর্তমানবতায় কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু আমার প্রশ্ন হলো এই কোটি কোটি টাকার প্রণোদনা কে বা কারা পাচ্ছে। এগুলো জনগণ জানতে চায়।

আমার ধারণা মতে সরকারের কোটি কোটি টাকার প্রণোদনা কয়েকভাগে বিভক্ত। ১। আন্তর্জাতিক চোরদের পকেটে। ৩। শহরের নিম্ন শ্রেণীর গরীবরা কিছুটা হলেও পাচ্ছে। আর যারা প্রণোদনার গন্ধ ও পাচ্ছে না। তারা হলো শহরের মধ্যবিত্ত ফ্যামিলি। গ্রামের মধ্যবিত্ত নিম্ন শ্রেণীর গরীবরা ও পাচ্ছে না। যদিও সরকারের প্রণোদনা সকলের ঘরে ঘরে পৌঁছার কথা।

কই গ্রামের হতদরিদ্র মানুষ দিনমজুর মানুষগুলো কী পাচ্ছে সে অনুদান? তাদের ঘরে কী আছে দুই বেলার খাবার? পাড়ছে কী গ্রামের সে রিক্সাওয়ালা ও তার স্ত্রী সন্তানদের মুখে হাসি ফোটাতে? অনেক তো দেখলাম, বড় বড় প্রলাপে মাইক্রোফোন নষ্ট করে দিচ্ছে, দেশে কোন মানুষ অনাহারে মারা যায় না। এমন খবর আমাদের কাছে পৌছাইনি! পৌছবে কী করে আপনার তো ব্যস্ত থাকেন সরকারের প্রণোদনা টাকার চাউল চুরি করতে! কিভাবে দেশের সম্পদ লুটপাট করে নিজের পেট ভরবে সে চিন্তায় থাকেন।

অথচ দেশের নিউজ পোর্টালগুলো প্রতিদিনই খবর প্রকাশ করে যাচ্ছে, রিক্সার ডাইভার অভাবের আত্মহত্যা করেছে! বয়োজ্যেষ্ঠ বাবা সন্তানদের মুখে খাবার তুলে দিতে না পেরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে!

আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলছেন, চাউল চোরদের ছাড় দেবো না। কাজেই সময় মত জনগণের পাশে দাঁড়ান। তাদের সাথে মতবিনিময় করুন। তাদের কী প্রয়োজন তা মেটানোর চেষ্টা করুন।

লেখক: শিক্ষার্থী, এম সি কলেজ সিলেট। চতুর্থ বর্ষ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ