মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক পর্যটক গ্রহণকারী শহরগুলোর তালিকায় মক্কা পঞ্চম, মদিনা সপ্তম লেবাননে ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র ও ফসফরাস বোমা হামলা গুম প্রতিরোধ আইন মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফরিদপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুলছাত্রসহ নিহত ২ ড. ইউনূসকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে চায় না জমিয়ত যমুনায় গোসল করতে নেমে নিখোঁজ ২ স্কুলছাত্র ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল জালেমের বিরুদ্ধে মজলুমের ন্যায়সংগত সংগ্রাম’ চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত ৩ উপজেলা সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী এবার দক্ষ ইসলামি গবেষক তৈরির উদ্যোগ আস-সুন্নাহর, দিনব্যাপী কর্মশালা ২২ আগস্ট দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ

১১ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ থাকছে পোশাক কারখানাগুলো

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: অবশেষে গার্মেন্টস কারখানা ১১ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধই থাকছে। দিনভর নানা নাটকীয়তার পর শনিবার (৪ এপ্রিল) রাত প্রায় সাড়ে দশটায় এ সিদ্ধান্তের কথা জানা গেছে।

শনিবার  রাতে বিজিএমইএ সভাপতি ড. রুবানা হক এক অডিও বার্তায় বিদ্যমান পরিস্থিতিতে ১১ তারিখ পর্যন্ত কারখানা বন্ধ রাখার জন্য মালিকদের অনুরোধ জানিয়েছেন। এরপর বেশ কয়েকজন কারখানা মালিকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তারা কারখানা আপাতত বন্ধই রাখবেন।

এদিকে বিজিএমইএর পর কারখানা বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে অপর সংগঠন বিকেএমইএও। রাত ১২ টায় সংগঠনের সিনিয়র সহসভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, সরকারি ছুটির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিকেএমইএভুক্ত কারখানাও ১১ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

তবে এর মধ্যেই শ্রমিকরা দলে দলে বিভিন্ন এলাকা থেকে ঢাকার পথে ছুটে এসেছেন। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় অনেকে পায়ে হেঁটেই মাইলের পর মাইল পাড়ি দিয়েছেন। এ কারণে ভিড় বেড়েছে নৌ ঘাটেও। করোনা ভাইরাসের এ দুর্যোগ পরিস্থিতিতে কারখানা চালু রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েও আলোচনা সমালোচনা তৈরি হয়।

এ কারণে সরকার ছুটি ৯ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়িয়েছে। এরই মধ্যেই দলে দলে মানুষের ঢাকামুখী স্রোত করোনা ভাইরাসের ঝুঁকি আরো বাড়িয়ে দিতে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়। অন্যদিকে কারখানা চালু রাখা হলেও শ্রমিকরা আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, যেহেতু কারখানা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হবে, তা আরো আগেই হওয়া উচিত ছিল। সময়মতো এ সিদ্ধান্ত হলে শ্রমিকরা হয়তো এ বিড়ম্বনার মুখে পড়তেন না। অন্যদিকে রাস্তা আর নৌ পথেও এত ভিড় বাড়তো না।

এদিকে বিজিএমইএ সভাপতি বলেছেন, যেকোন পরিস্থিতিতে শ্রমিকরা মার্চ মাসের বেতন পাবেন। এছাড়া বর্তমান পরিস্থিতিতে কোন শ্রমিক কাজে যোগ দিতে না পারলে, মানবিক বিবেচনায় তাদের চাকরিচ্যুত না করতে মালিকপক্ষকে অনুরোধ জানিয়েছেন।

এসময় তিনি বলেন, এখন কোন ব্যাংক কারখানা মালিকদের টাকা দিতে চাইছে না। এ অবস্থায় কোন কারখানার বেতনের অর্থ পরিশোধে চার পাঁচদিন দেরি হলেও তা মেনে নেয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ