মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ২৯ পৌষ ১৪৩২ ।। ২৪ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :

‘বিশেষ হাদিয়া’ নিয়ে নিম্নমধ্যবিত্তদের পাশে দাঁড়িয়েছে মারকাযুদ দিরাসাহ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

বেলায়েত হুসাইন: বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী মহামারি করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে মানুষের স্বাভাবিক কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও থেমে নেই খাদ্য গ্রহণ। জীবন বাঁচাতে দৈনিক অন্তত দু’বেলা দু’মুঠো ভাত খেতে হয় প্রতিটি মানুষকে। করোনার উদ্ভুত পরিস্থিতিতে বিত্তবানরা যেমন চিন্তিত নয় ঠিক তেমনি নিম্নআয়ের মানুষও এখন পর্যন্ত তেমন হতাশ হয়নি। এই অবস্থায় ধনীরা গরিবদের ত্রাণ সহায়তা দিয়ে একে অন্যের পাশে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু সমাজের একশ্রেণির লোক কঠিন বিপাকে পড়েছেন- নিম্নমধ্যবিত্ত অনেক আত্মমর্যাদা সম্পন্ন মানুষ রয়েছেন তাদেরও কিনা আয় রোজগার বন্ধ রয়েছে। খুব টানাটানি করে জীবনযাপন করছেন তারা।

এসব মানুষের লোকচক্ষুর আড়ালের চেহারা আর সামনের হাসিমুখ এক নয়। অল্প আয়ের মানুষরা সবার থেকে ত্রাণ গ্রহণ করতে পারলেও তারা আত্মসম্মানের কারণে কারও নিকট কিছু চাইতে পারছেনা এবং নিতেও পারছেনা। ঠিক এমন সঙ্কটাপন্ন সময়ে ত্রাণ নিয়ে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে মারাকাযুদ দিরাসাতিল ইসলামিয়া-ঢাকা।

রাজধানীর মিরপুরস্থ এই উচ্চতর ইসলামি জ্ঞানচর্চা কেন্দ্রের পরিচালক মুফতি মামুন আব্দুল্লাহ কাসেমি দেশের ওলামায়ে কেরাম, দীনদার শ্রেণী, নীরব অসচ্ছলদের সামাজিক সম্মান ও মর্যাদার বিষয়টি লক্ষ্য রেখে ত্রাণের নামে নয়; বরং এসব মানুষদের মধ্যে 'বিশেষ হাদিয়া' বিতরণ করেছেন।

গতকাল শনিবার ও আজ রবিবার ঢাকার বিভিন্ন স্থানে মারকাযুদ দিরাসার পক্ষ থেকে তিনি অন্তত ২০০ পরিবারকে চাল, ডাল, আলু, তেল ও সাবানসহ শুকনো খাদ্যসামগ্রীর একটি করে প্যাকেট 'বিশেষ হাদিয়া' দেন।

এ ব্যাপারে আওয়ার ইসলামকে মুফতি মামুন আব্দুল্লাহ কাসেমি জানান, এগুলো যাকাত ফান্ডের নয়; সাধারণ হাদিয়া। প্রত্যকের সঙ্গে পৃথক পৃথক যোগাযোগ করে তার বাসা বাড়ি ও আবাসনে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

এটা তার পরিচালিত মারকাযুদ দিরাসার উদ্যোগ বলেও জানান তিনি। মাদরাসার কয়েকজন ছাত্র-শিক্ষক এর অর্থায়ন করেছেন। গোপনীয়তার প্রতি লক্ষ্য রেখে ব্যাপকভাবে জানানোও হয়নি। আশাবাদী হয়ে তিনি বলেন, আগামীতে আরও বড় পরিসরে মারকাযুদ দিরাসাহ যেন এরকম জনকল্যাণ মূলক কাজে অংশ নিতে পারে সেজন্য সবার নিকট দোয়ার আবেদন করছি।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ