শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬ ।। ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ১৮ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
পবিত্র রমজান মাসে কারও কষ্টের কারণ না হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ফেনীতে জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে নিম্নবিত্তদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ ইত্তেফাকুল মাদারিসিল কওমিয়া বৃহত্তর মিরপুরের কেন্দ্রীয় পরীক্ষার ফল প্রকাশ ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা সরকারের ৬ই শাওয়াল থেকে ভর্তি নিবে নদওয়াতুল উলূম আশ-শরইয়্যাহ ঐতিহাসিক বদর যুদ্ধ শাশ্বত অনুপ্রেরণার উৎস: পীর সাহেব চরমোনাই ৫ শতাধিক অসহায় পরিবারের মাঝে খলিফা ফাউন্ডেশনের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ‘আরও ২টি ভেসেল আসছে, জ্বালানি তেল নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই’ নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও হরমুজ প্রণালী ব্যবহার করায় আইআরজিসির ড্রোন হামলা রিজওয়ানার বক্তব্যে নির্বাচনী ইঞ্জিনিয়ারিং প্রমাণিত: আমিরে মজলিস

আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় মসজিদের স্বীকৃতি পাচ্ছে বায়তুল মোকাররম

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: মুজিববর্ষ উপলক্ষে ‘বায়তুল মুকাররম’ মসজিদকে জাতীয় মসজিদের স্বীকৃতি দেয়ার কার্যক্রম হাতে নিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ফাউন্ডেশন বছরজুড়ে যেসব কর্মসূচি গ্রহণ করেছে, তার মধ্যে এটি অন্যতম।

রাষ্ট্রীয় প্রচার মাধ্যমসহ সব গণমাধ্যমে এটিকে জাতীয় মসজিদ হিসেবে উপস্থাপন করা হলেও এর আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি নেই। ফলে এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাবের সার-সংক্ষেপ অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠিয়েছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

এর সত্যতা নিশ্চিত করে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শেখ মুহা. আব্দুল্লাহ বলেছেন, বায়তুল মোকাররম- জাতীয় মসজিদ এটা সবাই জানে কিন্তু এর কোনো রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি নেই, সেটা কেউ এতদিন খেয়ালও করেনি। আমরা মুজিববর্ষে এর আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়ার জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রস্তাব পাঠিয়েছি।

মন্ত্রিসভার জন্য পাঠানো প্রস্তাবে বলা হয়েছে- ঢাকা মহানগরীর প্রাণকেন্দ্রে বায়তুল মোকাররম মসজিদ। দেশের প্রধান ও বড় মসজিদ হিসেবে এটি দেশবাসীর কাছে পরিচিত। পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে এটি ‘জাতীয় মসজিদ’ হিসেবে পরিচিত। বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনসহ সব প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়াতেও জাতীয় মসজিদ হিসেবে বায়তুল মোকাররমের নাম প্রচার করা হয়। মুসলিম বিশ্বের রাষ্ট্রপ্রধান ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের বিভিন্ন দেশের অতিথিরাও এ মসজিদে নামাজ আদায় করে থাকেন।

রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের জানাজার নামাজ আদায়েও এ মসজিদটিকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেয়া হয়। ঈদুল ফিতর ও আজহা, শবেমেরাজ, শবেবরাত ও শবেকদরসহ জুমাতুল বিদা ও ঈদে মিলাদুন্নবী সা. ইত্যাদি জাতীয় ও ধর্মীয় দিবসে বিপুলসংখ্যক মানুষ এ মসজিদে ইবাদত বন্দেগি করে থাকেন। অথচ আনুষ্ঠানিকভাবে এ দৃষ্টিনন্দন ও গুরুত্বপূর্ণ মসজিদটিকে জাতীয় মসজিদ হিসেবে ঘোষণা বা স্বীকৃতি দেয়া হয়নি।

প্রস্তাবে বলা আরও হয়েছে- দেশের ইতিহাস-ঐতিহ্যকে প্রতিফলিত করে এমন অনেক শ্রেষ্ঠ জিনিসের নামের সঙ্গে ‘জাতীয়’ শব্দ যুক্ত করে এগুলোর ঐতিহ্য স্মারক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ফলে বায়তুল মোকাররম মসজিদের সঙ্গে জাতীয় শব্দ যুক্ত করা হলে এটির ভাব-গাম্ভীর্য বৃদ্ধি পাবে। একে কেন্দ্র করে দেশের সম্মান ও মর্যাদাও বৃদ্ধি পাবে। এটি করা হলে অতিরিক্ত কোনো অর্থের প্রয়োজন হবে না।

তাই ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে ২০২০ সালকে ‘মুজিববর্ষ’ ঘোষণা করা হয়েছে। মুজিববর্ষে জাতীয় মসজিদ হিসেবে বায়তুল মোকাররমকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিলে দেশ-বিদেশে এবং ধর্মীয় ক্ষেত্রে সরকারের ভাব-মর্যাদা আরও উজ্জ্বল হবে।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ