শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬ ।। ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ১৮ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
ফেনীতে জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে নিম্নবিত্তদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ ইত্তেফাকুল মাদারিসিল কওমিয়া বৃহত্তর মিরপুরের কেন্দ্রীয় পরীক্ষার ফল প্রকাশ ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা সরকারের নদওয়াতুল উলূম আশ-শরইয়্যাহয় ভর্তি শুরু ৬ শাওয়াল ঐতিহাসিক বদর যুদ্ধ শাশ্বত অনুপ্রেরণার উৎস: পীর সাহেব চরমোনাই ৫ শতাধিক অসহায় পরিবারের মাঝে খলিফা ফাউন্ডেশনের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ‘আরও ২টি ভেসেল আসছে, জ্বালানি তেল নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই’ নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও হরমুজ প্রণালী ব্যবহার করায় আইআরজিসির ড্রোন হামলা রিজওয়ানার বক্তব্যে নির্বাচনী ইঞ্জিনিয়ারিং প্রমাণিত: আমিরে মজলিস হামলা বন্ধের জন্য যে শর্ত দিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট

মাস্কসহ অন্যান্য সরঞ্জামের দাম নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, মাস্কসহ অন্যান্য পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে এসব পণ্যের দাম নির্ধারণ করে দেয়া হবে। এসব পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়ার খবর প্রকাশের পর থেকেই দেশের ওষুধের দোকানগুলোয় হাতের জীবাণুনাশক এবং মাস্কের সংকট দেয়া দিয়েছে। অনেক স্থানে কয়েকগুণ চড়া দামে মাস্ক বিক্রি হচ্ছে বলে ক্রেতারা অভিযোগ করেছেন।

আতঙ্কে অনেকেই বেশি পরিমাণ এসব উপকরণ কেনার ফলে ডাক্তার, নার্সসহ স্বাস্থ্যকর্মীরাই পাচ্ছেন না প্রয়োজনীয় এই সব দ্রব্য। ঢাকা এবং ঢাকার বাইরে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মাস্ক এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিক্রি এতটাই বেড়েছে যে অনেক স্থানেই এখন এসব পণ্য স্টক আউট। কোথাও পাওয়া গেলেও নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে দাম অনেক বেশি।

আজ সোমবার রাজধানীর ফার্মগেট, শাহবাগ ও ধানমন্ডি এলাকায় ঘুরে দেখা যায় অনেক দোকানেই মাস্ক নেই। অনেকেই মাস্ক কিনতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন।

আহসান কবির নামের একজন ক্রেতা জানান, করোনা আক্রান্তের খবর শোনার পর মনে আতঙ্ক ধরে গেছে। যতোটা সম্ভব সতর্ক থাকার জন্য মাস্ক কিনতে এসেছি। নিজের এবং সন্তানের জন্য ২টা মাস্ক কিনেছি।

শুক্রাবাদের বাসিন্দা সাবিনা বলেন, ‘বাচ্চাদের নিয়ে স্কুলে যাতায়াত করি, সে জন্যই মাস্ক কেনা। কয়েকদিন আগে যে মাস্ক কিনেছি ২০ টাকা দিয়ে সেটাই এখন কিনলাম ১০০ টাকা দিয়ে। তাও তো এখানে ১০০ টাকায় পেলাম, মিরপুর রোডে এই মাস্কই দেখে এলাম ১৫০ টাকা।’

গুলশানের বাসিন্দা উম্মুল খায়ের নীতু জানান, তিনি বনানী আর শ্যামলীতে সব দোকান খুঁজেও হ্যাক্সিসল পাননি। অবশেষে গুলশান ২ নম্বরের এক ফার্মেসি থেকে হ্যাক্সিসল কিনেছেন। কিন্তু সেই দোকান থেকে মাস্ক ইতোমধ্যে স্টক-আউট হয়ে গেছে।

গণমাধ্যমকর্মী মাকসুদ উন নবী বলেন, মগবাজারের মধুবাগের পাঁচটি ওষুধের দোকান ঘুরে তিনি হ্যান্ড স্যানিটাইজার পাননি। মার্কেট আউট বলে জানিয়েছেন বিক্রয়কর্মীরা। মাকসুদ বলেন, এসব দোকানে হ্যান্ড স্যানিটাইজার আর মাস্কের জন্য যে পরিমাণ ভিড় দেখেছেন তাতে বোঝা যাচ্ছে মানুষ আতঙ্কিত।

ফার্মগেটে ফুটপাতের দোকানে মাস্ক বিক্রেতা জসিম বলেন, দুইটার নিচে কেউ আর মাস্ক কিনছেন না। পাইকারি বিক্রেতারা মাস্কের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। তাই আমরা বেশি দামে বিক্রি করছি। অনলাইনে কেনাকাটা করার বিভিন্ন ওয়েবসাইট ও ফেসবুকে পেজেও বেড়েছে মাস্কের চাহিদা।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ