মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬ ।। ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৬-২৭ সালের অনুমোদিত ১২৮ ওমরাহ এজেন্সির তালিকা প্রকাশ ​মুরাদনগরের ইউএনও সারওয়ার রাব্বী গুরুতর অসুস্থ: জমিয়তের দোয়ার আহ্বান জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে ক্যাম্পাসে সহিংসতা বন্ধের আহ্বান ছাত্র জমিয়তের স্মৃতির পাতায় ৫ আগস্ট ও নতুন স্বাধীনতার ভোর গুমের তদন্ত পুলিশের হাতে থাকলে ন্যায়বিচার মিলবে না: গাজী আতাউর রহমান জমিয়তের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের মজলিসে আমেলার শেষ অধিবেশন অনুষ্ঠিত ছাত্রদল-শিবিরের হামলার নিন্দা ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সিলেট বিভাগ দিয়ে শুরু হচ্ছে বেফাক বোর্ডের মাদরাসা পরিদর্শন বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে চায় সৌদি শুক্রবার আফতাবনগরের খতমে নবুওয়াত কনফারেন্সে বয়ান করবেন দেওবন্দের মুহতামিম

মাস্কসহ অন্যান্য সরঞ্জামের দাম নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, মাস্কসহ অন্যান্য পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে এসব পণ্যের দাম নির্ধারণ করে দেয়া হবে। এসব পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়ার খবর প্রকাশের পর থেকেই দেশের ওষুধের দোকানগুলোয় হাতের জীবাণুনাশক এবং মাস্কের সংকট দেয়া দিয়েছে। অনেক স্থানে কয়েকগুণ চড়া দামে মাস্ক বিক্রি হচ্ছে বলে ক্রেতারা অভিযোগ করেছেন।

আতঙ্কে অনেকেই বেশি পরিমাণ এসব উপকরণ কেনার ফলে ডাক্তার, নার্সসহ স্বাস্থ্যকর্মীরাই পাচ্ছেন না প্রয়োজনীয় এই সব দ্রব্য। ঢাকা এবং ঢাকার বাইরে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মাস্ক এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিক্রি এতটাই বেড়েছে যে অনেক স্থানেই এখন এসব পণ্য স্টক আউট। কোথাও পাওয়া গেলেও নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে দাম অনেক বেশি।

আজ সোমবার রাজধানীর ফার্মগেট, শাহবাগ ও ধানমন্ডি এলাকায় ঘুরে দেখা যায় অনেক দোকানেই মাস্ক নেই। অনেকেই মাস্ক কিনতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন।

আহসান কবির নামের একজন ক্রেতা জানান, করোনা আক্রান্তের খবর শোনার পর মনে আতঙ্ক ধরে গেছে। যতোটা সম্ভব সতর্ক থাকার জন্য মাস্ক কিনতে এসেছি। নিজের এবং সন্তানের জন্য ২টা মাস্ক কিনেছি।

শুক্রাবাদের বাসিন্দা সাবিনা বলেন, ‘বাচ্চাদের নিয়ে স্কুলে যাতায়াত করি, সে জন্যই মাস্ক কেনা। কয়েকদিন আগে যে মাস্ক কিনেছি ২০ টাকা দিয়ে সেটাই এখন কিনলাম ১০০ টাকা দিয়ে। তাও তো এখানে ১০০ টাকায় পেলাম, মিরপুর রোডে এই মাস্কই দেখে এলাম ১৫০ টাকা।’

গুলশানের বাসিন্দা উম্মুল খায়ের নীতু জানান, তিনি বনানী আর শ্যামলীতে সব দোকান খুঁজেও হ্যাক্সিসল পাননি। অবশেষে গুলশান ২ নম্বরের এক ফার্মেসি থেকে হ্যাক্সিসল কিনেছেন। কিন্তু সেই দোকান থেকে মাস্ক ইতোমধ্যে স্টক-আউট হয়ে গেছে।

গণমাধ্যমকর্মী মাকসুদ উন নবী বলেন, মগবাজারের মধুবাগের পাঁচটি ওষুধের দোকান ঘুরে তিনি হ্যান্ড স্যানিটাইজার পাননি। মার্কেট আউট বলে জানিয়েছেন বিক্রয়কর্মীরা। মাকসুদ বলেন, এসব দোকানে হ্যান্ড স্যানিটাইজার আর মাস্কের জন্য যে পরিমাণ ভিড় দেখেছেন তাতে বোঝা যাচ্ছে মানুষ আতঙ্কিত।

ফার্মগেটে ফুটপাতের দোকানে মাস্ক বিক্রেতা জসিম বলেন, দুইটার নিচে কেউ আর মাস্ক কিনছেন না। পাইকারি বিক্রেতারা মাস্কের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। তাই আমরা বেশি দামে বিক্রি করছি। অনলাইনে কেনাকাটা করার বিভিন্ন ওয়েবসাইট ও ফেসবুকে পেজেও বেড়েছে মাস্কের চাহিদা।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ