শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬ ।। ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২০ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
ধর্ষণ, চার সাক্ষী ও শরয়ি আইন: প্রচলিত ভুল ধারণার জবাব সরকারদলীয় এমপিদের সংসদীয় সভায় আলোচনা হলো যেসব বিষয় সাড়ে ৪ হাজারেরও বেশি অবৈধ ভারতীয়কে ফেরত পাঠালো যুক্তরাষ্ট্র সুদানে মৃত্যুবরণ করা সেনা সদস্য মহিউদ্দিনের দাফন সম্পন্ন গহরপুরী রহ.কে নিয়ে এমপি এম এ মালেকের কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য, ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান বিএনপি একটি অজনপ্রিয় সরকারে পরিণত হয়েছে: আসিফ মাহমুদ সীমান্তে ৫ ভারতীয় নাগরিককে পুশইনের চেষ্টা ব্যর্থ করল বিজিবি ‘শিক্ষকরাই আগামী প্রজন্ম গড়ার প্রধান কারিগর’ সীমান্তে পুশইন ইস্যুতে সরকারের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়: মাওলানা ইউনুস আহমদ ঢাকাসহ ১৮ জেলায় ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা

'খতমে বুখারি' অনুষ্ঠান না করার সিদ্ধান্ত নিল পটিয়া মাদরাসা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: বিভিন্ন মাদরাসায় অনুষ্ঠিত প্রচলিত ‘খতমে বুখারি অনুষ্ঠান’ বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী উচ্চতর দীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জামিয়া ইসলামিয়া পটিয়া।

জামিয়া-প্রধান আল্লামা আব্দুল হালিম বুখারির সভাপতিত্বে গতকাল  ১৮ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) বাদ ফজর জামিয়ার শিক্ষকমণ্ডলি ও কর্মচারিদের এক সাধারণ সভায় উপরোক্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

গত বছর জামিয়া পটিয়ার খতমে বুখারি অনুষ্ঠানে তাশরিফ এনেছিলেন দারুল উলুম দেওবন্দের মুহতামিম মুফতি আবুল কাসেম নুমানি। তখন তিনি বলেছিলেন, ‘বর্তমানে বাংলাদেশের বিভিন্ন মাদরাসায় ঘটা করে খতমে বুখারি পালনের যে প্রথা চালু হয়েছে, তা বিদয়াতের পর্যায়ে চলে যাচ্ছে। জামেয়া পটিয়া এ দেশের শীর্ষস্থানীয় মারকাজ। তাই আমি এই মারকাজ থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অবস্থিত মাদরাসাসমূহের দায়িত্বশীলদের প্রতি বিদয়াত হওয়ার আশঙ্কা রাখে এমনসব প্রথা থেকে বিরত থাকার জন্য আহবান জানাচ্ছি।’

দেওবন্দের মুহতামিম আরো বলেছিলেন, ‘দারুল উলুম দেওবন্দে বিশেষ কোন অনুষ্ঠান করে বুখারি শরিফ শেষ করা হয় না। এমনকি মাদরাসার শিক্ষক ও ছাত্ররাও জানেন না যে, কখন বুখারি শরিফের সবক শেষ করা হচ্ছে। সুতরাং এসব বিষয়ে সতর্ক থাকা এবং সকল রুসুমাত বন্ধ হওয়া জরুরি।’

জামিয়া প্রধান আল্লামা আব্দুল হালিম বুখারি দেওবন্দের মুহতামিমের উপরোক্ত আলোচনা স্মরণ করিয়ে বলেন, ‘এ বছর আমি দারুল উলুম দেওবন্দে যাওয়ার পর মুহতামিম সাহেব আমার কাছ থেকে খতমে বুখারি অনুষ্ঠান বন্ধ করার ওয়াদা নিয়েছেন। তাই, এ বছর থেকে জামিয়া পটিয়ায় খতমে বুখারির কোন অনুষ্ঠান করা উচিত হবে না। ‍তখন উপস্থিত সকলেই এ বিষয়ে ঐকমত্য পোষণ করেন।

এছাড়াও বৈঠকে সংশ্লিষ্ট সকল মাদরাসায় এই প্রথা বন্ধ করার জন্য উদ্যোগ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

আরএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ