বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১২ রবিউস সানি ১৪৪৮


বালাগঞ্জে শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে আল হেরা আইডিয়াল একাডেমি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আবুল কাশেম অফিক
বালাগঞ্জ (সিলেট) প্রতিনিধি>

সিলেটের বালাগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের বড়ভাঙ্গা নদীর তীর ঘেষে কাশীপুর ব্রিজ সংলগ্ন বালাগঞ্জ-তাজপুর সড়কের পাশে ‘প্রতিভা ও মননশীলতার বিকাশ সাধনের’ লক্ষ্যে ব্যতিক্রমধর্মী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ‘আল হেরা আইডিয়াল একাডেমি’ নামের একটি বেসরকারি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

বালাগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা সৈয়দ আলী আসগরের নেতৃত্বে একঝাঁক উদ্যমী শিক্ষানুরাগীদের নিয়ে ২০১৮ সালের ১ জানুয়ারি এই একাডেমি প্রতিষ্ঠার পর থেকে অত্যন্ত সুনামের সাথে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে।

স্থানীয় শিক্ষানুরাগীরা মনে করছেন, বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে এলাকায় শিক্ষা ক্ষেত্রে নতুন একটি মাইলফলক সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠা হওয়ায় অত্র এলাকায় শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে বলেও মন্তব্য করেছেন তারা।

এরকম একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আরও আগে প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন ছিল মন্তব্য করেছেন প্রতিষ্ঠাতাদের অন্যতম সদস্য ও একাডেমির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মাওলানা সৈয়দ আলী আসগর। তিনি বলেন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান থাকার সুবাদে নানা ভাবে সমাজ সেবা করার সৌভাগ্য হয়েছিল আমার। আমার ধারণা জীবনের যে কয়েকটি ভালো কাজ আছে তার মধ্য এই বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা তার অন্যতম।

প্রতিষ্ঠানের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, একাডেমির পরিচালনা পর্ষদের সহ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক, খেলাফত মজলিস বালাগঞ্জ উপজেলা সভাপতি হুসাইন আহমদ মিসবাহ বলেন, এই রকম ব্যতিক্রমী একটি প্রতিষ্ঠান গড়া আমার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল। অন্যান্য উপজেলায় এমন প্রতিষ্ঠান দেখে আমার ভাল লাগতো। তাই ব্যাপারটি আমি আমাদের বন্ধু মহলে শেয়ার করি এবং অবাক হয়ে লক্ষ্য করলাম, অন্যান্যরাও এমন স্বপ্ন লালন করছেন। চিন্তা-চেতনা মিলে যাওয়ায় সকলের সম্মিলিত প্রয়াসেই এই একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়েছে। আমি আশাবাদী এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা যেভাবে ধর্মীয় জ্ঞানে নৈতিকতার বলে বলিয়ান হবে, ঠিক তেমনি ভানে সমাজের সকল ক্ষেত্রের যোগ্য দায়িত্বশীল হিশেবে গড়ে উঠবে।

আল হেরা আইডিয়াল একাডেমির প্রিন্সিপাল মাওলানা আশিকুর রহমান বলেন, প্রতিষ্ঠানটি গড়ে উঠেছে এলাকার ভালো জন্যই। ব্যতিক্রমী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে শিক্ষার্থীদের ইতিবাচক ব্যতিক্রমী কিছু দেয়ার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। এই বিদ্যালয়ের শিক্ষা সমাপ্ত করে এখানকার শিক্ষার্থীরা, উচ্চ মাধ্যমিক এমনকি ভার্সিটিতে পড়াশোনা করে বিভিন্ন উচ্চ পদে আসীন হয়ে এলাকার জন্য সুখ্যাতি বয়ে আনবে বলে আমার দৃঢ়ভাবে বিশ্বা