সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২০ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
রাঙামাটিতে অগ্নিকাণ্ড: পুড়ল কারখানা ও বসতঘর  সাইয়েদুল ইস্তিগফার: অর্থ ও উচ্চারণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: সংসদ সচিবালয়ে ভোটার তালিকা চেয়েছে ইসি ‘ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় নববী আদর্শ বাস্তবায়নের বিকল্প নেই’ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে বন্যাদুর্গত ৩১০ পরিবারের পাশে যশোর জেলা ইমাম পরিষদ আধুনিক ও ইসলামি শিক্ষার সমন্বয়েই নৈতিক জাতি গঠন সম্ভব: সেনাপ্রধান ৫ আগস্ট ঘিরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের নাশকতা করার সক্ষমতা নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জামায়াতে গেলে মানুষের হিতাহিতজ্ঞান থাকে না, কর্নেল অলি তার নিকৃষ্ট উদাহরণ: রাশেদ খাঁন সুদানে আদালতে ড্রোন হামলায় নিহত ৩৫ নারীর স্বেচ্ছায় ইসলাম গ্রহণ ও বিয়েতে বাধা নয়: ভারতীয় আদালত

খালেদার মুক্তির দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ করবে ঐক্যফ্রন্ট

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: খালেদা জিয়ার দুই বছর কারাবাসের প্রতিবাদ ও মুক্তির দাবিতে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ৮ ফেব্রুয়ারি প্রতিবাদ সমাবেশ করবে ঐক্যফ্রন্ট। ওইদিন বেলা ১১টা থেকে এ সমাবেশ শুরু হবে। ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতারা সমাবেশে উপস্থিত থাকবেন।

আজ মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেনের মতিঝিলের চেম্বারে স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠকে এসব জানানো হয়।

ড. কামাল হোসেনের পক্ষে লিখিত বক্তব্যে গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট মহসীন রশীদ বলেন, ভোটারদের ভয় পায় সরকার। তাই নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়েছে। জনগণ ভোটকেন্দ্রে না যাওয়ার অর্থ তারা মনে করে তাদের ভোটে এই সরকারের পরিবর্তন হবে না।

তিনি বলেন, সদ্য সমাপ্ত ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সরকার, নির্বাচন কমিশন ও নির্বাচন প্রক্রিয়ার ওপর যুব সমাজ ও জনগণ অনাস্থা প্রকাশ করেছে। নির্বাচিত মেয়ররা মাত্র ৫-৭ শতাংশ মানুষের রায় পেয়েছে।

বাকি ফলাফল ইভিএমের জাল ভোট। বর্তমান সরকারের আমলে গণতন্ত্র আইনের শাসন ও নির্বাচন ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে গেছে। সরকার চায় ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে না যাক। সরকার ভোটারদের ভয় পায়। তাই সরকার নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়েছে।

ড. কামাল হোসেন বলেন, যে নির্বাচন হয়েছে তাকে মোটেই ভালো বলা যাবে না। সরকার দায়িত্বহীনভাবে সংবিধানের পরিপন্থি কাজ করছে। নির্বাচনের প্রক্রিয়া পদ্ধতিতে ধ্বংস করেছে। যার ফলে আজকে দেশের ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। আমরা এ কথাগুলো জনগণকে বলতে থাকব, বলার দিক থেকে আমাদের কোনো ধরনের কমতি নেই।

বৈঠকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খান বলেন, তিন সপ্তাহ পর্যন্ত আমাদের যে ভোটের মাঠে ক্যাম্পেইন ছিল সাংবাদিকরা আমাদের সহযোগিতা করেছেন। জনগণ আমাদের সঙ্গে ছিল না এ ধরনের বক্তব্য সঠিক নয়। আপনাদের ক্যামেরা প্রকাশ করেছে, প্রমাণ হয়েছে জনগণ আমাদের সঙ্গে কীভাবে মাঠে ছিল।

আ স ম রব বলেন, মুক্তিযুদ্ধের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে জনগণের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে ধৈর্য সহকারে রাজনৈতিক দলকে দৃঢ়তার সঙ্গে আন্দোলনে নামবে, অস্থির হলে চলবে না। সময় বলে দেবে কখন কী করতে হবে। জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট তাই করবে।

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, আমরা ধৈর্যের পরীক্ষা দিচ্ছি। জনগণের অধিকারকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য এখন থেকে আমরা রাস্তায় পথে ঘাটে মিটিং-মিছিল সব ধরনের সভা কর্মসূচি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। মানুষ আন্দোলন নিয়ে যে আসার কথা বলছে সেটার প্রতিফলন ঘটবে।

ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে ঐক্যফ্রন্টের স্ট্রিয়ারিং কমিটির বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন— বিকল্প ধারা বাংলাদেশের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নুরুল আমিন বেপারী, গণফোরামের সুব্রত চৌধুরী, মোস্তাক আহমদ, নাগরিক ঐক্যের সমন্বয়কারী শহিদুল্লাহ কায়সার, বিকল্প ধারা বাংলাদেশে মহাসচিব অ্যাডভোকেট শাহ আহমেদ বাদল ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের দপ্তর প্রধান জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ